সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ব্যস্ত সড়কে সব লেনই যেন তাদের দখলে। সিগন্যাল ছাড়তেই বাঁধভাঙা স্রোতের মতো ছুটে চলে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। গলি থেকে প্রধান সড়ক; রাজধানীর সর্বত্রই বাড়ছে দাপট।
শুধু চলাচল নয়, রাজধানীর বিভিন্ন গ্যারেজ-ওয়ার্কশপে চলছে অটোরিকশা তৈরির হিড়িক। বসিলা, মোহাম্মদপুর, রায়েরবাজার, যাত্রাবাড়ী ও খিলগাঁওয়ে চাহিদা মেটাতে ব্যস্ত কারিগররা। প্রতিদিন নামছে নতুন নতুন গাড়ি, অনুমতির তো কোনো বালাই নেই। বৈধতার বাইরে থাকায় অটোরিকশার সংখ্যা নিয়েই নেই কোনো সরকারি হিসাব।
স্বল্প দূরত্বে কম ভাড়ায় যাতায়াতের সুযোগ থাকায় নগরবাসীর কাছে বাহনটি জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও বিদ্যুৎ সংকটের মুহূর্তে গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি।
কয়েকজন পথচারী বলেন, এটা মেইন রাস্তায় উঠতে না দেয়া উচিত। বাংলাদেশের জন্য এটা বিষফোড়া হয়ে গেছে।
সবচেয়ে বড় উদ্বেগের একটি হচ্ছে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে বিপুলসংখ্যক অননুমোদিত চার্জিং পয়েন্ট।
একটি সাধারণ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ৪ থেকে ৬টি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি থাকে। প্রতিবার এই ব্যাটারি পূর্ণ চার্জের জন্য গড়ে ৯০০ থেকে ১১০০ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হয়। চার্জিংয়ের সময় হিসেব করলে প্রতিদিন একটি রিকশার পেছনে গড়ে ৬ থেকে ১০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যয় হয়।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ হাদিউজ্জামান বলেন, ওয়ার্কশপে এখন একটি অটোরিকশা তৈরি করতে গেলেও একটি টেকনিক্যাল বডি থাকবে, যাদের কাছে আসলে অনুমতি নিতে হবে। আমি আমার মনের মাধুরী মিশিয়ে অটোরিকশা বানাব, আমরা দেখছি, কোনোটার পেট মোটা, কোনোটার পেট চিকন, কোনোটার লম্বা, তার মানে এখানে কোনো মডেল স্পেসিফিকেশন নাই, কোনো স্ট্যান্ডার্ড নাই, এভাবে হতে পারে না। বিধিমালায় এসেছে, বুয়েটের যে প্রোটোটাইপ আছে, সেটাকে ভিত্তি ধরে আমাদের অটোরিকশা তৈরি করতে হবে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গ্যারেজ মালিকরা কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিদ্যুতের মেইন লাইন বা খুঁটি থেকে অবৈধভাবে তার টেনে চার্জ দেন।
বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক সাইফুন নেওয়াজ বলেন, জোনভিত্তিক করা, এক জোন থেকে আরেক জোনে যেতে পারবে না। অটোমেটিক স্টার্ট বন্ধ হয়ে যাবে। এ বিষয়গুলো ঠিক আছে। কিন্তু বিদ্যুৎ নির্ভর থাকবে কিনা, নাকি সোলার নির্ভর হবে। আমি মনে এ জায়গা থেকে আমাদের আরেকটু গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।
অবৈধ ও অনানুষ্ঠানিকভাবে চার্জ দেয়ার এ কারণে সরকারের বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ব্যস্ত সড়কে সব লেনই যেন তাদের দখলে। সিগন্যাল ছাড়তেই বাঁধভাঙা স্রোতের মতো ছুটে চলে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। গলি থেকে প্রধান সড়ক; রাজধানীর সর্বত্রই বাড়ছে দাপট।
শুধু চলাচল নয়, রাজধানীর বিভিন্ন গ্যারেজ-ওয়ার্কশপে চলছে অটোরিকশা তৈরির হিড়িক। বসিলা, মোহাম্মদপুর, রায়েরবাজার, যাত্রাবাড়ী ও খিলগাঁওয়ে চাহিদা মেটাতে ব্যস্ত কারিগররা। প্রতিদিন নামছে নতুন নতুন গাড়ি, অনুমতির তো কোনো বালাই নেই। বৈধতার বাইরে থাকায় অটোরিকশার সংখ্যা নিয়েই নেই কোনো সরকারি হিসাব।
স্বল্প দূরত্বে কম ভাড়ায় যাতায়াতের সুযোগ থাকায় নগরবাসীর কাছে বাহনটি জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও বিদ্যুৎ সংকটের মুহূর্তে গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি।
কয়েকজন পথচারী বলেন, এটা মেইন রাস্তায় উঠতে না দেয়া উচিত। বাংলাদেশের জন্য এটা বিষফোড়া হয়ে গেছে।
সবচেয়ে বড় উদ্বেগের একটি হচ্ছে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে বিপুলসংখ্যক অননুমোদিত চার্জিং পয়েন্ট।
একটি সাধারণ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ৪ থেকে ৬টি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি থাকে। প্রতিবার এই ব্যাটারি পূর্ণ চার্জের জন্য গড়ে ৯০০ থেকে ১১০০ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হয়। চার্জিংয়ের সময় হিসেব করলে প্রতিদিন একটি রিকশার পেছনে গড়ে ৬ থেকে ১০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যয় হয়।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ হাদিউজ্জামান বলেন, ওয়ার্কশপে এখন একটি অটোরিকশা তৈরি করতে গেলেও একটি টেকনিক্যাল বডি থাকবে, যাদের কাছে আসলে অনুমতি নিতে হবে। আমি আমার মনের মাধুরী মিশিয়ে অটোরিকশা বানাব, আমরা দেখছি, কোনোটার পেট মোটা, কোনোটার পেট চিকন, কোনোটার লম্বা, তার মানে এখানে কোনো মডেল স্পেসিফিকেশন নাই, কোনো স্ট্যান্ডার্ড নাই, এভাবে হতে পারে না। বিধিমালায় এসেছে, বুয়েটের যে প্রোটোটাইপ আছে, সেটাকে ভিত্তি ধরে আমাদের অটোরিকশা তৈরি করতে হবে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গ্যারেজ মালিকরা কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিদ্যুতের মেইন লাইন বা খুঁটি থেকে অবৈধভাবে তার টেনে চার্জ দেন।
বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক সাইফুন নেওয়াজ বলেন, জোনভিত্তিক করা, এক জোন থেকে আরেক জোনে যেতে পারবে না। অটোমেটিক স্টার্ট বন্ধ হয়ে যাবে। এ বিষয়গুলো ঠিক আছে। কিন্তু বিদ্যুৎ নির্ভর থাকবে কিনা, নাকি সোলার নির্ভর হবে। আমি মনে এ জায়গা থেকে আমাদের আরেকটু গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।
অবৈধ ও অনানুষ্ঠানিকভাবে চার্জ দেয়ার এ কারণে সরকারের বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন