টাঙ্গাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান ও তার সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) সাদেকুল ইসলাম সবুজকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্ট শেয়ার করার অভিযোগে বাদল মিয়া (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬-এর দুটি ধারায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার বাদল মিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল ইসলামের ছোট ভাই। এ মামলায় অন্য দুই আসামি হলেন তানভীর আহসান সুমন ও বাদলের আরেক ভাই শাহাদাত মিয়া। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে বাদল মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তানভীর আহসান সুমন তার ফেসবুক আইডি থেকে ‘বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের ছবি ব্যবহার করে একটি পোস্ট দেন। এতে মন্ত্রীকে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ব্যক্তি উল্লেখ করে তার অপসারণ দাবি করা হয়। পরে পোস্টটি মামলার দুই নম্বর আসামি শাহাদাত মিয়া নিজের ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন। এ ছাড়া মন্ত্রীর এপিএস সাদেকুল ইসলাম সবুজের ছবি ব্যবহার করে ‘সখিপুর এবং দেশবিদেশের নিউজ’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে আরেকটি পোস্ট দেওয়া হয়। ওই পোস্টে লেখা ছিল, ‘শ্বশুরবাড়ির লোক নাটোরে পিএস সবুজ’। এসব পোস্টের বিষয়ে গত ৬ নভেম্বর ইবাদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে বাসাইল থানায় মামলা করেন। সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬-এর ২৫(১) ও ২৭(১) ধারায় করা এ মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে। বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬-এর ২৫(১) ও ২৭(১) ধারায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার বাদল মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল ইসলাম দাবি করেছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এ মামলা করা হয়েছে।