সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ‘ভাই, এই লিফটের অবস্থা খুবই খারাপ। হঠাৎ বন্ধ অই যায়। আপনি তো তিনতলায় যাইবা (যাবেন), পেছনের সিঁড়ি দিয়ে উঠি যাইন (ওঠে পড়েন)।’ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে গেলে এই প্রতিবেদককে অন্য এক রোগীর স্বজন এভাবে সতর্ক করে দিচ্ছিলেন।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল ২০১২ সালে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত হয়। সে সময় নির্মাণ করা আটতলা ভবনে রোগী ও স্বজনরা দুটি লিফট ব্যবহার করে ওঠানামা করছেন। দুটি লিফটই মাঝেমধ্যে বিকল হচ্ছে। তবে ২০২২ সালে বন্যার পানিতে ডুবে লিফটের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। এখন প্রায়ই বন্ধ থাকে লিফট। কোনোভাবে জোড়াতালি দিয়ে একটি লিফট চালালে আরেকটি বন্ধ থাকছে। এভাবে চলছে প্রায় চার বছর হয়।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রফিকুল ইসলাম লিফট দুটির অবস্থা খুব নাজুক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি (আরএমও) লিফটে যাই না। আটতলা পর্যন্ত সিঁড়ি দিয়ে ওঠি। ভয় পাই ভাই, লিফটের অবস্থা ভালো নয়।’
হাসপাতালের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, হাসপাতালে দুটি লিফট চালু থাকলেও রোগীর ও তাদের স্বজনদের ভিড়ের কারণে ওঠানামার চাপ থাকে। প্রতিদিন ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি মানুষ ওঠানামা করেন। যান্ত্রিক ত্রুটি ছাড়াও লোডশেডিংয়ের কারণে মাঝেমধ্যে লিফট মাঝপথে আটকা পড়ে। তখন ভেতরে আটকা পড়া মানুষের মধ্যে ভীতিকর অবস্থা সৃষ্টি হয়।
ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মাঝেমধ্যে লিফট আটকা পড়ে। তখন লিফটের ভেতর থেকে আমাকে ফোন দেওয়া শুরু করেন রোগীরা। বিষয়গুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। স্থানীয় গণপূর্ত বিভাগকেও অবগত করেছি।’
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আশরাফুল ইসলাম সোহাগ বললেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীরা মাঝেমধ্যেই লিফটের সমস্যায় পড়েন। যেখানে চারটি লিফট প্রয়োজন। সেখানে আছে দুটি। তাও মাঝেমধ্যে নষ্ট থাকছে একটা। গণপূর্ত বিভাগ এই সমস্যার সমাধানের জন্য জন্য কাজ করছে।
বিষয় : সুনামগঞ্জ

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
‘ভাই, এই লিফটের অবস্থা খুবই খারাপ। হঠাৎ বন্ধ অই যায়। আপনি তো তিনতলায় যাইবা (যাবেন), পেছনের সিঁড়ি দিয়ে উঠি যাইন (ওঠে পড়েন)।’ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে গেলে এই প্রতিবেদককে অন্য এক রোগীর স্বজন এভাবে সতর্ক করে দিচ্ছিলেন।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল ২০১২ সালে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত হয়। সে সময় নির্মাণ করা আটতলা ভবনে রোগী ও স্বজনরা দুটি লিফট ব্যবহার করে ওঠানামা করছেন। দুটি লিফটই মাঝেমধ্যে বিকল হচ্ছে। তবে ২০২২ সালে বন্যার পানিতে ডুবে লিফটের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। এখন প্রায়ই বন্ধ থাকে লিফট। কোনোভাবে জোড়াতালি দিয়ে একটি লিফট চালালে আরেকটি বন্ধ থাকছে। এভাবে চলছে প্রায় চার বছর হয়।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রফিকুল ইসলাম লিফট দুটির অবস্থা খুব নাজুক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি (আরএমও) লিফটে যাই না। আটতলা পর্যন্ত সিঁড়ি দিয়ে ওঠি। ভয় পাই ভাই, লিফটের অবস্থা ভালো নয়।’
হাসপাতালের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, হাসপাতালে দুটি লিফট চালু থাকলেও রোগীর ও তাদের স্বজনদের ভিড়ের কারণে ওঠানামার চাপ থাকে। প্রতিদিন ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি মানুষ ওঠানামা করেন। যান্ত্রিক ত্রুটি ছাড়াও লোডশেডিংয়ের কারণে মাঝেমধ্যে লিফট মাঝপথে আটকা পড়ে। তখন ভেতরে আটকা পড়া মানুষের মধ্যে ভীতিকর অবস্থা সৃষ্টি হয়।
ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মাঝেমধ্যে লিফট আটকা পড়ে। তখন লিফটের ভেতর থেকে আমাকে ফোন দেওয়া শুরু করেন রোগীরা। বিষয়গুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। স্থানীয় গণপূর্ত বিভাগকেও অবগত করেছি।’
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আশরাফুল ইসলাম সোহাগ বললেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীরা মাঝেমধ্যেই লিফটের সমস্যায় পড়েন। যেখানে চারটি লিফট প্রয়োজন। সেখানে আছে দুটি। তাও মাঝেমধ্যে নষ্ট থাকছে একটা। গণপূর্ত বিভাগ এই সমস্যার সমাধানের জন্য জন্য কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন