সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় শনিবার থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত ৬১টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ৯ হাজার ২৬৯ জন যাত্রী।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে ২২টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৩৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট।
সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৯টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ৪টি এবং রিয়াদ এয়ারের ৭টি ফ্লাইট রয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ১৬টি, এমিরেটসের ৯টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৫টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৫টি, সালামএয়ারের ৩টি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এসব ফ্লাইটে বিভিন্ন গন্তব্য থেকে ট্রানজিট নিয়ে যাত্রীদের রিয়াদে যাওয়ার কথা ছিল। তবে নিজ নিজ দেশ থেকে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় এসব উড়োজাহাজ ঢাকা থেকে যাত্রী বহন করেনি।
এর আগে রোববার হুথিদের হামলার পর রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়। গত এক সপ্তাহে বিমানবন্দরটিতে অন্তত পাঁচবার হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার এক পাইলটসহ তিন সৌদি নাগরিক নিহত হন।
হুথিরা ওই দিন বিমানবন্দরের অবকাঠামোর পাশাপাশি সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজেও হামলা চালায়। এতে ওই পাইলটের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রায় দুই মাস ধরে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী এবং সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলা চলছে। এসব হামলায় রিয়াদ বিমানবন্দর অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
এর আগে হুথিরা সতর্ক করে বলেছিল, কোনো বিমানসংস্থা সৌদি আরবের আকাশসীমা ব্যবহার করে উড়োজাহাজ চালালে তাকে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। এর পরদিন শনিবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বিমানবন্দরে বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় শনিবার থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত ৬১টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ৯ হাজার ২৬৯ জন যাত্রী।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে ২২টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৩৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট।
সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৯টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ৪টি এবং রিয়াদ এয়ারের ৭টি ফ্লাইট রয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ১৬টি, এমিরেটসের ৯টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৫টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৫টি, সালামএয়ারের ৩টি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এসব ফ্লাইটে বিভিন্ন গন্তব্য থেকে ট্রানজিট নিয়ে যাত্রীদের রিয়াদে যাওয়ার কথা ছিল। তবে নিজ নিজ দেশ থেকে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় এসব উড়োজাহাজ ঢাকা থেকে যাত্রী বহন করেনি।
এর আগে রোববার হুথিদের হামলার পর রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়। গত এক সপ্তাহে বিমানবন্দরটিতে অন্তত পাঁচবার হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার এক পাইলটসহ তিন সৌদি নাগরিক নিহত হন।
হুথিরা ওই দিন বিমানবন্দরের অবকাঠামোর পাশাপাশি সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজেও হামলা চালায়। এতে ওই পাইলটের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রায় দুই মাস ধরে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী এবং সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলা চলছে। এসব হামলায় রিয়াদ বিমানবন্দর অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
এর আগে হুথিরা সতর্ক করে বলেছিল, কোনো বিমানসংস্থা সৌদি আরবের আকাশসীমা ব্যবহার করে উড়োজাহাজ চালালে তাকে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। এর পরদিন শনিবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বিমানবন্দরে বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন