সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেকের টুপটুপ রেস্ট্রো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গের হিমাগারে থাকবে।
এ ঘটনায় গ্রেফতার রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদুল ইসলাম ওরফে সুমনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ। সোমবার আদালতে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) রিমন ঘোষ।
তিনি জানান, ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুমনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের ডিএনএ নমুনা নিয়ে তিনি ঢাকায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদর দফতরে আছেন। কক্সবাজারে ফিরে রিমান্ড শুনানিতে অংশ নেবেন জানিয়ে রিমন ঘোষ বলেন, আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করলে সুমনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
গত শনিবার সন্ধ্যায় সুমনকে আটক করে পুলিশ। পরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন রয়েছেন।
গত শনিবার রাতে উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশিষ সূত্রধর বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় রিসোর্টের মালিক তানভীর আহমদ ও তার ব্যবসায়িক অংশীদার নিয়াজ মোর্শেদসহ ২৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
রবিবার পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার হলেও স্বজনদের দাবি অনুযায়ী একজনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত এবং মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের জন্য গতকাল রবিবার ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল বলেন, রবিবার বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় সিআইডির কার্যালয়ে নিয়ে গেছেন। স্বাভাবিকভাবে ডিএনএ প্রতিবেদন পেতে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান বলেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহ ও নিখোঁজ ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের জন্য ডিএনএ পরীক্ষার পর মরদেহ হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্রুত ডিএনএ প্রতিবেদন পাওয়ার চেষ্টা চলছে।
নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত মরদেহের ময়নাতদন্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেকের টুপটুপ রেস্ট্রো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গের হিমাগারে থাকবে।
এ ঘটনায় গ্রেফতার রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদুল ইসলাম ওরফে সুমনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ। সোমবার আদালতে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) রিমন ঘোষ।
তিনি জানান, ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুমনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের ডিএনএ নমুনা নিয়ে তিনি ঢাকায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদর দফতরে আছেন। কক্সবাজারে ফিরে রিমান্ড শুনানিতে অংশ নেবেন জানিয়ে রিমন ঘোষ বলেন, আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করলে সুমনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
গত শনিবার সন্ধ্যায় সুমনকে আটক করে পুলিশ। পরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন রয়েছেন।
গত শনিবার রাতে উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশিষ সূত্রধর বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় রিসোর্টের মালিক তানভীর আহমদ ও তার ব্যবসায়িক অংশীদার নিয়াজ মোর্শেদসহ ২৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
রবিবার পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার হলেও স্বজনদের দাবি অনুযায়ী একজনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত এবং মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের জন্য গতকাল রবিবার ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল বলেন, রবিবার বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় সিআইডির কার্যালয়ে নিয়ে গেছেন। স্বাভাবিকভাবে ডিএনএ প্রতিবেদন পেতে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান বলেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহ ও নিখোঁজ ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের জন্য ডিএনএ পরীক্ষার পর মরদেহ হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্রুত ডিএনএ প্রতিবেদন পাওয়ার চেষ্টা চলছে।
নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত মরদেহের ময়নাতদন্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন