সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে গরুর ঘাস কাটা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে সরাইল-নাসিরনগর আঞ্চলিক সড়কের বড্ডাপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বারও রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে বড্ডাপাড়া এলাকার ইকিন আলীর ছেলে আলমগীর ওই গ্রামের একটি জমি থেকে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান। এ সময় একই গ্রামের জাহের মিয়ার ছেলে ফারুক ও হুমায়ুন ঘাস কাটার কারণে আলমগীরকে মারধর করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পরে সন্ধ্যায় বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয় সর্দাররা বৈঠকে বসেন। সেখানে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সরাইল-নাসিরনগর আঞ্চলিক সড়কে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
রাতের আঁধারে টর্চলাইটের আলোয় চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
সরাইল-আশুগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, গরুর ঘাস কাটা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। সংঘর্ষ থামলেও দুই পক্ষ সড়কের দুই প্রান্তে অবস্থান করছিল। তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিষয় : আহত সংঘর্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে গরুর ঘাস কাটা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে সরাইল-নাসিরনগর আঞ্চলিক সড়কের বড্ডাপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বারও রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে বড্ডাপাড়া এলাকার ইকিন আলীর ছেলে আলমগীর ওই গ্রামের একটি জমি থেকে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান। এ সময় একই গ্রামের জাহের মিয়ার ছেলে ফারুক ও হুমায়ুন ঘাস কাটার কারণে আলমগীরকে মারধর করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পরে সন্ধ্যায় বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয় সর্দাররা বৈঠকে বসেন। সেখানে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সরাইল-নাসিরনগর আঞ্চলিক সড়কে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
রাতের আঁধারে টর্চলাইটের আলোয় চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
সরাইল-আশুগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, গরুর ঘাস কাটা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। সংঘর্ষ থামলেও দুই পক্ষ সড়কের দুই প্রান্তে অবস্থান করছিল। তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন