সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। পিরোজপুরের নেছারাবাদে পূজা দেখে পরিবারের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে খেয়াট্রলারডুবির ঘটনায় ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন তার মা রিনা বেপারী (৩৮)। বাবা শংকর বেপারী সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও স্ত্রী ও মেয়েকে হারিয়ে শোকাহত হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা ছয়টি মোটরসাইকেলও নদীতে ডুবে গেছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠি খেয়াঘাট এলাকায় কালীগঙ্গা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ট্রলারটি নেছারাবাদের ভরতকাঠি খেয়াঘাটের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর সময় উল্টে ডুবে যায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সাইদুল নামের এক ব্যক্তির পরিচালিত খেয়াট্রলারে ৮০ জনের বেশি যাত্রী ও ছয়টি মোটরসাইকেল তোলা হয়েছিল। ট্রলারটি ডুবে গেলে যাত্রীরা নদীতে পড়ে যান। তাঁদের মধ্যে অনেকে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও শংকর বেপারীর স্ত্রী ও মেয়ে নিখোঁজ হন।
শংকর বেপারী জানান, পূজা দেখে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফেরার উদ্দেশে তাঁরা ট্রলারে উঠেছিলেন। হঠাৎ ট্রলারটি ডুবে গেলে তিনি অন্য যাত্রীদের সঙ্গে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তবে তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে পানিতে তলিয়ে যান। পরে তাঁদের উদ্ধারে নদীতে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পর ১৩ বছর বয়সী আর্দ্রিতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর মা রিনা বেপারীর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ফোরকান গাজী জানান, রিনা বেপারী ও তাঁর মেয়ে নেছারাবাদ উপজেলার ভরতকাঠি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁরা বিকেলে শ্রীরামকাঠিতে পূজা দেখতে গিয়েছিলেন। রাতে বাড়ি ফেরার পথে এ দুর্ঘটনার শিকার হন।
ফোরকান গাজী বলেন, ওই ঘাটে দিনে ১০ থেকে ১২টি খেয়াট্রলার চলাচল করে। রাত ৮টার পর ঘাটে সাধারণত একটি ট্রলার থাকে। এ কারণে যাত্রীদের চাপ বেড়ে যায়। পূজার সময় বিবেচনায় রাতে ঘাটে আরও বেশি ট্রলারের ব্যবস্থা রাখা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, অতিরিক্ত যাত্রী ও মোটরসাইকেল বোঝাইয়ের কারণে ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার কথা তিনি শুনেছেন। মেয়েটির মরদেহ উদ্ধার করা হলেও তাঁর মায়ের সন্ধান পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনাটি নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠি এলাকায় ঘটেছে বলে জানান তিনি।
এদিকে নিখোঁজ রিনা বেপারীকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও স্থানীয়দের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বিষয় : উদ্ধার মরদেহ ফায়ার সার্ভিস পিরোজপুর কিশোরী

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদে পূজা দেখে পরিবারের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে খেয়াট্রলারডুবির ঘটনায় ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন তার মা রিনা বেপারী (৩৮)। বাবা শংকর বেপারী সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও স্ত্রী ও মেয়েকে হারিয়ে শোকাহত হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা ছয়টি মোটরসাইকেলও নদীতে ডুবে গেছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠি খেয়াঘাট এলাকায় কালীগঙ্গা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ট্রলারটি নেছারাবাদের ভরতকাঠি খেয়াঘাটের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর সময় উল্টে ডুবে যায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সাইদুল নামের এক ব্যক্তির পরিচালিত খেয়াট্রলারে ৮০ জনের বেশি যাত্রী ও ছয়টি মোটরসাইকেল তোলা হয়েছিল। ট্রলারটি ডুবে গেলে যাত্রীরা নদীতে পড়ে যান। তাঁদের মধ্যে অনেকে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও শংকর বেপারীর স্ত্রী ও মেয়ে নিখোঁজ হন।
শংকর বেপারী জানান, পূজা দেখে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফেরার উদ্দেশে তাঁরা ট্রলারে উঠেছিলেন। হঠাৎ ট্রলারটি ডুবে গেলে তিনি অন্য যাত্রীদের সঙ্গে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তবে তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে পানিতে তলিয়ে যান। পরে তাঁদের উদ্ধারে নদীতে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পর ১৩ বছর বয়সী আর্দ্রিতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর মা রিনা বেপারীর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ফোরকান গাজী জানান, রিনা বেপারী ও তাঁর মেয়ে নেছারাবাদ উপজেলার ভরতকাঠি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁরা বিকেলে শ্রীরামকাঠিতে পূজা দেখতে গিয়েছিলেন। রাতে বাড়ি ফেরার পথে এ দুর্ঘটনার শিকার হন।
ফোরকান গাজী বলেন, ওই ঘাটে দিনে ১০ থেকে ১২টি খেয়াট্রলার চলাচল করে। রাত ৮টার পর ঘাটে সাধারণত একটি ট্রলার থাকে। এ কারণে যাত্রীদের চাপ বেড়ে যায়। পূজার সময় বিবেচনায় রাতে ঘাটে আরও বেশি ট্রলারের ব্যবস্থা রাখা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, অতিরিক্ত যাত্রী ও মোটরসাইকেল বোঝাইয়ের কারণে ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার কথা তিনি শুনেছেন। মেয়েটির মরদেহ উদ্ধার করা হলেও তাঁর মায়ের সন্ধান পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনাটি নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠি এলাকায় ঘটেছে বলে জানান তিনি।
এদিকে নিখোঁজ রিনা বেপারীকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও স্থানীয়দের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন