সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। মোংলা বন্দরের উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে বন্দরটি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরের মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দরসহ উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী সরেজমিনে বিভিন্ন স্থাপনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। এ সময় চীনভিত্তিক বিনিয়োগ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও সুন্দরবন পরিদর্শনের পাশাপাশি মোংলা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ এবং সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়গুলো তাঁর নজরে আনা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ফয়লায় খানজাহান আলী বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। বিমানবন্দরটির বিষয়টিও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনা হবে। তাঁর এ সফরে মোংলা বন্দর, সুন্দরবনসহ উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করছেন তিনি।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরের জেটি ও চ্যানেল পরিদর্শন করবেন। এ ছাড়া সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্টে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। আকরাম পয়েন্টে প্রস্তাবিত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থাপনের স্থান এবং চীনা বিনিয়োগভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলও পরিদর্শন করার কথা রয়েছে।
মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জুলফিকার আলী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বন্দরে এসে চীনের সঙ্গে চুক্তি হওয়া নতুন জেটি নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করবেন। তিনি বন্দরের চ্যানেলে যথাযথভাবে খননকাজ চালানোর দাবি জানান, যাতে নাব্যতা বাড়ে এবং বড় জাহাজ বন্দরে প্রবেশ করতে পারে।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
মোংলা বন্দরের উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে বন্দরটি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরের মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দরসহ উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী সরেজমিনে বিভিন্ন স্থাপনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। এ সময় চীনভিত্তিক বিনিয়োগ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও সুন্দরবন পরিদর্শনের পাশাপাশি মোংলা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ এবং সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়গুলো তাঁর নজরে আনা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ফয়লায় খানজাহান আলী বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। বিমানবন্দরটির বিষয়টিও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনা হবে। তাঁর এ সফরে মোংলা বন্দর, সুন্দরবনসহ উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করছেন তিনি।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরের জেটি ও চ্যানেল পরিদর্শন করবেন। এ ছাড়া সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্টে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। আকরাম পয়েন্টে প্রস্তাবিত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থাপনের স্থান এবং চীনা বিনিয়োগভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলও পরিদর্শন করার কথা রয়েছে।
মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জুলফিকার আলী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বন্দরে এসে চীনের সঙ্গে চুক্তি হওয়া নতুন জেটি নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করবেন। তিনি বন্দরের চ্যানেলে যথাযথভাবে খননকাজ চালানোর দাবি জানান, যাতে নাব্যতা বাড়ে এবং বড় জাহাজ বন্দরে প্রবেশ করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন