সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। আইন আছে, অধিকারও আছে। কিন্তু সেই অধিকার প্রয়োগ করে তথ্য চাওয়ার মানুষের সংখ্যা এক শতাংশেরও কম। সম্প্রতি বাংলাদেশ তথ্য অধিকার ফোরামের করা এক জরিপে এ তথ্য উঠে আসে।
জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ১০ শতাংশ মানুষ বিদ্যমান তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতন। ৯১ শতাংশ নাগরিকের এই আইনে আস্থা থাকলেও তা ব্যবহার করতে জানেন মাত্র ৮ শতাংশ মানুষ। শুধু নাগরিকই নন, আইন বাস্তবায়ন করতে জানেন না ৬৫ শতাংশ সরকারি কর্মকর্তাই।
আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। যেখানে অংশ নেন সরকারের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে তথ্য কমিশন গঠনে সরকারের কালক্ষেপণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। একইসঙ্গে ভুয়া তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধের সঙ্গে তথ্য অধিকার আইন সংশোধনের বিষয়টিকে গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, পৃথিবীতে আর এমন কোনো দেশ নাই যে যেখানে আইনগত বাধ্যবাধকতা সত্ত্বেও তথ্য কমিশন দুই বছর দুই মাস থাকে না। অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছর ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বর্তমান সরকারের সাত মাস পার হয়ে গেছে। একই ধারায় অত্যন্ত সচেষ্টভাবে আমার বিশ্বরেকর্ড গড়ার দিকে এগোচ্ছি।
অপতথ্য ঠেকানোর নামে তথ্যপ্রবাহ সীমিত করা হলে নাগরিকের অধিকারই লঙ্ঘিত হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক বলেন, তথ্য অধিকার আইনের সঙ্গে আমি অপতথ্য ও ভুয়া তথ্য গুলিয়ে ফেলেন। আপনি দুটোর জন্য আলাদা আইন করেন।
তবে জবাবদিহিতামূলক সরকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে দ্রুতই গঠন করা হবে তথ্য কমিশন বলে জানান বাংলাদেশ তথ্য অধিকার কমিশনের এই সচিব।
তথ্য সচিব শাহ আলম বলেন, ইতোমধ্যেই কমিশন পুনর্গঠিত হবার জন্য সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আইন আছে, অধিকারও আছে। কিন্তু সেই অধিকার প্রয়োগ করে তথ্য চাওয়ার মানুষের সংখ্যা এক শতাংশেরও কম। সম্প্রতি বাংলাদেশ তথ্য অধিকার ফোরামের করা এক জরিপে এ তথ্য উঠে আসে।
জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ১০ শতাংশ মানুষ বিদ্যমান তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতন। ৯১ শতাংশ নাগরিকের এই আইনে আস্থা থাকলেও তা ব্যবহার করতে জানেন মাত্র ৮ শতাংশ মানুষ। শুধু নাগরিকই নন, আইন বাস্তবায়ন করতে জানেন না ৬৫ শতাংশ সরকারি কর্মকর্তাই।
আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। যেখানে অংশ নেন সরকারের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে তথ্য কমিশন গঠনে সরকারের কালক্ষেপণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। একইসঙ্গে ভুয়া তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধের সঙ্গে তথ্য অধিকার আইন সংশোধনের বিষয়টিকে গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, পৃথিবীতে আর এমন কোনো দেশ নাই যে যেখানে আইনগত বাধ্যবাধকতা সত্ত্বেও তথ্য কমিশন দুই বছর দুই মাস থাকে না। অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছর ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বর্তমান সরকারের সাত মাস পার হয়ে গেছে। একই ধারায় অত্যন্ত সচেষ্টভাবে আমার বিশ্বরেকর্ড গড়ার দিকে এগোচ্ছি।
অপতথ্য ঠেকানোর নামে তথ্যপ্রবাহ সীমিত করা হলে নাগরিকের অধিকারই লঙ্ঘিত হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক বলেন, তথ্য অধিকার আইনের সঙ্গে আমি অপতথ্য ও ভুয়া তথ্য গুলিয়ে ফেলেন। আপনি দুটোর জন্য আলাদা আইন করেন।
তবে জবাবদিহিতামূলক সরকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে দ্রুতই গঠন করা হবে তথ্য কমিশন বলে জানান বাংলাদেশ তথ্য অধিকার কমিশনের এই সচিব।
তথ্য সচিব শাহ আলম বলেন, ইতোমধ্যেই কমিশন পুনর্গঠিত হবার জন্য সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন