ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টিভি ২৬ নিউজ

নেশাজাতীয় দ্রব্য মেশানো খাবার খেয়ে হাসপাতালে একই পরিবারের ৭ জন

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের বাইশকাইল তালুকদার পাড়া গ্রামে নেশাজাতীয় বা বিষাক্ত দ্রব্য মিশিয়ে রাখা লবণ দিয়ে রান্না করা খাবার খেয়ে একই পরিবারের দুই শিশুসহ সাতজন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ রোববার সকালে নাশতা খাওয়ার পর তারা একে একে অসুস্থ হয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন গৃহস্বামী আনোয়ার হোসেন। পরিবারের অন্যান্য অসুস্থরা হলেন আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন, তিন কন্যা আরিফা বেগম, হামিদা বেগম ও অনামিকা খাতুন, এবং আরিফার দুই সন্তান রওশান (৮) ও রায়েতা (৫)। স্থানীয় বাসিন্দা রাজু ফকির জানান, আজ সকালে পরিবারের সদস্যরা নাশতা খাওয়ার পর বমি ও পাতলা পায়খানায় আক্রান্ত হন। একপর্যায়ে সবাই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে প্রতিবেশীরা তাদের অজ্ঞান অবস্থায় গোপালপুর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। আরিফা বেগমের দাবি, রান্নাঘরে রাখা লবণের পাত্রে শত্রুতাবশত কেউ বিষাক্ত বা নেশাজাতীয় কিছু মিশিয়ে দিয়েছে। সেই লবণ দিয়ে রান্না করা খাবার এবং খাবারের সঙ্গে বাড়তি লবণ খাওয়ার পর সবাই অচেতন হয়ে পড়েন। সাবেক ইউপি সদস্য হালিম মিয়া বলেন, ইদানীং এক শ্রেণির দুর্বৃত্ত উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে রাতের বেলা গৃহস্থের রান্নাঘরে ঢুকে লবণের সঙ্গে বিষাক্ত বা নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে রাখে। তার ধারণা, এ ঘটনাও তেমন হতে পারে। গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খাইরুল ইসলাম জানান, ‘একই পরিবারের সাতজনকে আজ দুপুরে অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লবণের সঙ্গে নেশাজাতীয় কিছু মেশানো হয়েছিল।’ গোপালপুর থানার ওসি মো. রুহুল আমীন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নেশাজাতীয় দ্রব্য মেশানো খাবার খেয়ে হাসপাতালে একই পরিবারের ৭ জন