সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় সরকারি রাস্তা নির্মাণে এলজিইডির সিডিউল লঙ্ঘন করে অত্যন্ত নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় অনিয়মে বাধা দেওয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী, সার্ভেয়ার ও স্থানীয় জনতাকে মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বোদা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার মূল অভিযুক্ত সাব-ঠিকাদারকে গ্রেফতার করেছে এবং ঘটনাস্থল থেকে নিম্নমানের ইট আলামত হিসেবে জব্দ করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বোদা উপজেলার ৫ নম্বর বড়শশী ইউনিয়নের মহিষবাথান-ভাউলাগঞ্জ ভায়া নায়েকপাড়া মোড় পর্যন্ত ৭৪৭ মিটার রাস্তা পাকাকরণের কার্যাদেশ পায় ‘মেসার্স ভাই বোন ট্রেডার্স’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে চুক্তি অনুযায়ী কাজটি সাব-ঠিকাদার হিসেবে বাস্তবায়ন করছিলেন দেবীগঞ্জ উপজেলার ‘মেসার্স দুলাল ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী মোঃ শাহীনুর ইসলাম শাহীন (৩৩)।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুরে মৌলভীপাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার দুই ধারের এজিংয়ে অত্যন্ত নিম্নমানের ইটের ব্যবহারের খবর পেয়ে সরেজমিনে পরিদর্শনে যান বোদা উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ফিরোজুর রহমান এবং সার্ভেয়ার মোঃ হযরত আলী। ঘটনাস্থলে অনিয়মের সত্যতা পেয়ে কৈফিয়ত চাইলে সাব-ঠিকাদার শাহীনুর ও তার সহযোগী ৫-৬ জন বেআইনিভাবে সংগঠিত হয়ে কর্মকর্তাদের ধাক্কাধাক্কি করেন। এ সময় “ইচ্ছেমতো কাজ করার” দাপট দেখিয়ে কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রাণনাশের হুমকি দেন তারা।
এতে উপস্থিত এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে বোদা থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সহযোগীরা পালিয়ে গেলেও মূল অভিযুক্ত সাব-ঠিকাদার শাহীনুর ইসলামকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে বোদা উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের সার্ভেয়ার মোঃ হযরত আলী বাদী হয়ে বোদা থানায় পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা (মামলা নং-৩১) দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই তপন কুমার রায় ঘটনাস্থল থেকে ‘MMR2’ লেখা ১০০ পিস নিম্নমানের ইট জব্দ তালিকাভুক্ত করেন।
এ বিষয়ে এলজিইডি পঞ্চগড়ের জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম জানান, সরকারি কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, সরকারি কাজে বাধা প্রদান, প্রতারণা ও হুমকির অভিযোগে মামলাটি দায়েরের পর প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় সরকারি রাস্তা নির্মাণে এলজিইডির সিডিউল লঙ্ঘন করে অত্যন্ত নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় অনিয়মে বাধা দেওয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী, সার্ভেয়ার ও স্থানীয় জনতাকে মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বোদা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার মূল অভিযুক্ত সাব-ঠিকাদারকে গ্রেফতার করেছে এবং ঘটনাস্থল থেকে নিম্নমানের ইট আলামত হিসেবে জব্দ করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বোদা উপজেলার ৫ নম্বর বড়শশী ইউনিয়নের মহিষবাথান-ভাউলাগঞ্জ ভায়া নায়েকপাড়া মোড় পর্যন্ত ৭৪৭ মিটার রাস্তা পাকাকরণের কার্যাদেশ পায় ‘মেসার্স ভাই বোন ট্রেডার্স’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে চুক্তি অনুযায়ী কাজটি সাব-ঠিকাদার হিসেবে বাস্তবায়ন করছিলেন দেবীগঞ্জ উপজেলার ‘মেসার্স দুলাল ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী মোঃ শাহীনুর ইসলাম শাহীন (৩৩)।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুরে মৌলভীপাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার দুই ধারের এজিংয়ে অত্যন্ত নিম্নমানের ইটের ব্যবহারের খবর পেয়ে সরেজমিনে পরিদর্শনে যান বোদা উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ফিরোজুর রহমান এবং সার্ভেয়ার মোঃ হযরত আলী। ঘটনাস্থলে অনিয়মের সত্যতা পেয়ে কৈফিয়ত চাইলে সাব-ঠিকাদার শাহীনুর ও তার সহযোগী ৫-৬ জন বেআইনিভাবে সংগঠিত হয়ে কর্মকর্তাদের ধাক্কাধাক্কি করেন। এ সময় “ইচ্ছেমতো কাজ করার” দাপট দেখিয়ে কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রাণনাশের হুমকি দেন তারা।
এতে উপস্থিত এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে বোদা থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সহযোগীরা পালিয়ে গেলেও মূল অভিযুক্ত সাব-ঠিকাদার শাহীনুর ইসলামকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে বোদা উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের সার্ভেয়ার মোঃ হযরত আলী বাদী হয়ে বোদা থানায় পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা (মামলা নং-৩১) দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই তপন কুমার রায় ঘটনাস্থল থেকে ‘MMR2’ লেখা ১০০ পিস নিম্নমানের ইট জব্দ তালিকাভুক্ত করেন।
এ বিষয়ে এলজিইডি পঞ্চগড়ের জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম জানান, সরকারি কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, সরকারি কাজে বাধা প্রদান, প্রতারণা ও হুমকির অভিযোগে মামলাটি দায়েরের পর প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন