ঢাকা    রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
টিভি ২৬ নিউজ
নোটিশ
  • টিভি ২৬ নিউজ  সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

ভোগান্তি-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রি-পেইড মিটার বাতিলের দাবি


TV 26 NEWS ডেস্ক :
TV 26 NEWS ডেস্ক :
প্রকাশ ০৩ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:২৯ পিএম
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ভোগান্তি-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রি-পেইড মিটার বাতিলের দাবি

বিদ্যুৎ গ্রাহক ভোগান্তি ও দুর্নীতির প্রি-পেইড মিটার বাতিল এবং আগের ডিজিটাল মিটার ফেরত দেওয়াসহ ৪ দফা দাবি জানিয়েছে বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটি আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠক থেকে এসব দাবি জানানো হয়।

কমিটির অন্য তিনটি দাবি হচ্ছে- বিদ্যুতের মূল্য কমানো ও বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করা; প্রিপেইড মিটার আন্দোলনে নেতাদের নামে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার করা এবং বিদ্যুৎ খাত ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তরের চক্রান্ত প্রতিরোধ ও বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।

গোলটেবিল বৈঠকে নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বাংলাদেশ একটি দরিদ্র দেশ এবং সরকারও দরিদ্র। তবে কিছু মন্ত্রী বা প্রভাবশালী ব্যক্তি অবৈধভাবে নিজস্ব স্বার্থ হাসিল করে ধনী হচ্ছেন। দেশে সাড়ে সাত লক্ষ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হলেও এর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ঘাটতি বাজেট। যার অর্থ সংস্থানের কোনো সুনির্দিষ্ট উপায় সরকারের কাছে নেই। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে আড়াই লাখ কোটি টাকার বেশি আদায় করার পরিকল্পনা করা হলেও অতীতের পারফরম্যান্সের কারণে তার নিশ্চয়তা নেই।

তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কম হওয়া সত্ত্বেও দেশের বাজেটের ঘাটতি মেটাতে ও সরকারের অর্থের অভাব পূরণ করতে নির্লজ্জভাবে তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাজারে কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সরকার কমাতে পারছে না। প্রধানমন্ত্রী সাধারণ ও সাদামাটা জীবনযাপনের যেসব প্রদর্শনী করেন আমার কাছে ভালো লাগে। কিন্তু 'শাক দিয়ে তো মাছ ঢাকা যায় না'। অর্থাৎ, এটা দিয়ে দেশের প্রকৃত অর্থনৈতিক অভাব ও সংকট ঢেকে রাখা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, প্রিপেইড মিটার প্রবর্তনের মূল উদ্দেশ্যই হলো যে কোনো উপায়ে জনগণের কাছ থেকে টাকা আদায় করা। প্রিপেইড মিটারের মূল্য পরিশোধের পরও প্রতি মাসে মিটারের ভাড়া আদায়ের সিদ্ধান্ত 'নিজের কেনা বাড়ির ভাড়া দেওয়ার' মতো নির্লজ্জ পদক্ষেপ। প্রযুক্তিবিদরা প্রিপেইড মিটারকে ভালো বললেও, এটাকে কেন্দ্র করে জনগণের ওপর অন্যায্য স্ল্যাব বসিয়ে শোষণের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। ইভিএম-এর মতো প্রিপেইড মিটারেও প্রযুক্তিগত অপব্যবহার ও অনিয়মের সুযোগ রাখা হয়েছে। তাই ইভিএমের মতোই প্রিপেইড মিটারের অন্যায্য ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য মোসাইদা ঋতু বলেন, বাজেটের যে সংকট সেটা গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে সরকার। গ্রাহকদের পক্ষ থেকে তো প্রতিবাদ আসবেই। তাদের উচিত মাঠে থাকা। এটাতে কৃষক, সাধারণ মানুষ সংকটে পড়ছে। সরকার নিজেই টাকা পে করতে পারছে না। যার কারণে বিদ্যুৎ আসছে না। অথচ সরকার চাচ্ছে গ্রাহক অগ্রিম টাকা পে করবে? এই খাতে বড় ধরনের অসামঞ্জস্যতা আছে।

বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবীর জাহিদ বলেন, সরকার পরিবর্তন হলেও বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতির মূল ব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন হয় না। বরং দায়িত্বপ্রাপ্তরা সেই দুর্নীতির ব্যবস্থার কাছেই নতিস্বীকার করেন। উৎপাদনশীল গ্রামের কৃষকরা পল্লী বিদ্যুতের মাধ্যমে চরম শোষণের শিকার হচ্ছেন, যা বর্গি আমলের নিপীড়ন। নিজেদের দাবির পক্ষে কথা বলতে গিয়ে কৃষকদের মামলা, গ্রেফতার ও নানা হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়েছে। ডিজিটাল মিটার ও মিটার ভাড়ার নামে নিয়ম করে টাকা আদায় করা হলেও নষ্ট বা ভুল মিটারের জবাবদিহিতা থাকে না। লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষের ও বিশেষ করে নারীদের জীবনে তীব্র সংকট তৈরি হলেও, সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো ক্ষতিপূরণ বা দায়িত্ব গ্রহণ করে না।

বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান ইসমাইল বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই বিদ্যুতের মূল্য ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে ১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে। বিলিংয়ের কৌশলে কোনো কোনো গ্রাহকের ওপর তিন থেকে চার গুণ পর্যন্ত অতিরিক্ত বিলের বোঝা চাপানো হচ্ছে। মিটার চার্জ, ডিমান্ড চার্জ, সার্ভিস চার্জ ও ভ্যাটসহ বিভিন্ন খাতে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। ব্যাটারি, মিটার নষ্ট হওয়া, সার্ভার সমস্যা ও মিটার ব্লক হয়ে যাওয়ার কারণেও গ্রাহকদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রিপেইড মিটার প্রকল্পের ব্যয় ২৯ হাজার কোটি টাকা এবং বিদ্যমান ডিজিটাল মিটার অপসারণের কারণে সম্ভাব্য ক্ষতি ১৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট ৪৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

বিদ্যুৎ খাতে স্বচ্ছতার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকানা, পরিচালনা, উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি ক্রয় ও আমদানির প্রক্রিয়া এবং সরকারি বরাদ্দ ও ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে। এ জন্য গত ১৫ বছরের তথ্য নিয়ে নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি।

গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক কাফি রতন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ, কেন্দ্রীয় পাঠচক্র ফোরামের কমরেড মঞ্জুর আলী মিঠু, বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব এড. পলাশ কান্তি নাগ প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন

টিভি ২৬ নিউজ

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


ভোগান্তি-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রি-পেইড মিটার বাতিলের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বিদ্যুৎ গ্রাহক ভোগান্তি ও দুর্নীতির প্রি-পেইড মিটার বাতিল এবং আগের ডিজিটাল মিটার ফেরত দেওয়াসহ ৪ দফা দাবি জানিয়েছে বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটি আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠক থেকে এসব দাবি জানানো হয়।

কমিটির অন্য তিনটি দাবি হচ্ছে- বিদ্যুতের মূল্য কমানো ও বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করা; প্রিপেইড মিটার আন্দোলনে নেতাদের নামে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার করা এবং বিদ্যুৎ খাত ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তরের চক্রান্ত প্রতিরোধ ও বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।

গোলটেবিল বৈঠকে নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বাংলাদেশ একটি দরিদ্র দেশ এবং সরকারও দরিদ্র। তবে কিছু মন্ত্রী বা প্রভাবশালী ব্যক্তি অবৈধভাবে নিজস্ব স্বার্থ হাসিল করে ধনী হচ্ছেন। দেশে সাড়ে সাত লক্ষ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হলেও এর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ঘাটতি বাজেট। যার অর্থ সংস্থানের কোনো সুনির্দিষ্ট উপায় সরকারের কাছে নেই। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে আড়াই লাখ কোটি টাকার বেশি আদায় করার পরিকল্পনা করা হলেও অতীতের পারফরম্যান্সের কারণে তার নিশ্চয়তা নেই।

তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কম হওয়া সত্ত্বেও দেশের বাজেটের ঘাটতি মেটাতে ও সরকারের অর্থের অভাব পূরণ করতে নির্লজ্জভাবে তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাজারে কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সরকার কমাতে পারছে না। প্রধানমন্ত্রী সাধারণ ও সাদামাটা জীবনযাপনের যেসব প্রদর্শনী করেন আমার কাছে ভালো লাগে। কিন্তু 'শাক দিয়ে তো মাছ ঢাকা যায় না'। অর্থাৎ, এটা দিয়ে দেশের প্রকৃত অর্থনৈতিক অভাব ও সংকট ঢেকে রাখা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, প্রিপেইড মিটার প্রবর্তনের মূল উদ্দেশ্যই হলো যে কোনো উপায়ে জনগণের কাছ থেকে টাকা আদায় করা। প্রিপেইড মিটারের মূল্য পরিশোধের পরও প্রতি মাসে মিটারের ভাড়া আদায়ের সিদ্ধান্ত 'নিজের কেনা বাড়ির ভাড়া দেওয়ার' মতো নির্লজ্জ পদক্ষেপ। প্রযুক্তিবিদরা প্রিপেইড মিটারকে ভালো বললেও, এটাকে কেন্দ্র করে জনগণের ওপর অন্যায্য স্ল্যাব বসিয়ে শোষণের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। ইভিএম-এর মতো প্রিপেইড মিটারেও প্রযুক্তিগত অপব্যবহার ও অনিয়মের সুযোগ রাখা হয়েছে। তাই ইভিএমের মতোই প্রিপেইড মিটারের অন্যায্য ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য মোসাইদা ঋতু বলেন, বাজেটের যে সংকট সেটা গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে সরকার। গ্রাহকদের পক্ষ থেকে তো প্রতিবাদ আসবেই। তাদের উচিত মাঠে থাকা। এটাতে কৃষক, সাধারণ মানুষ সংকটে পড়ছে। সরকার নিজেই টাকা পে করতে পারছে না। যার কারণে বিদ্যুৎ আসছে না। অথচ সরকার চাচ্ছে গ্রাহক অগ্রিম টাকা পে করবে? এই খাতে বড় ধরনের অসামঞ্জস্যতা আছে।

বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবীর জাহিদ বলেন, সরকার পরিবর্তন হলেও বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতির মূল ব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন হয় না। বরং দায়িত্বপ্রাপ্তরা সেই দুর্নীতির ব্যবস্থার কাছেই নতিস্বীকার করেন। উৎপাদনশীল গ্রামের কৃষকরা পল্লী বিদ্যুতের মাধ্যমে চরম শোষণের শিকার হচ্ছেন, যা বর্গি আমলের নিপীড়ন। নিজেদের দাবির পক্ষে কথা বলতে গিয়ে কৃষকদের মামলা, গ্রেফতার ও নানা হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়েছে। ডিজিটাল মিটার ও মিটার ভাড়ার নামে নিয়ম করে টাকা আদায় করা হলেও নষ্ট বা ভুল মিটারের জবাবদিহিতা থাকে না। লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষের ও বিশেষ করে নারীদের জীবনে তীব্র সংকট তৈরি হলেও, সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো ক্ষতিপূরণ বা দায়িত্ব গ্রহণ করে না।

বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান ইসমাইল বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই বিদ্যুতের মূল্য ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে ১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে। বিলিংয়ের কৌশলে কোনো কোনো গ্রাহকের ওপর তিন থেকে চার গুণ পর্যন্ত অতিরিক্ত বিলের বোঝা চাপানো হচ্ছে। মিটার চার্জ, ডিমান্ড চার্জ, সার্ভিস চার্জ ও ভ্যাটসহ বিভিন্ন খাতে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। ব্যাটারি, মিটার নষ্ট হওয়া, সার্ভার সমস্যা ও মিটার ব্লক হয়ে যাওয়ার কারণেও গ্রাহকদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রিপেইড মিটার প্রকল্পের ব্যয় ২৯ হাজার কোটি টাকা এবং বিদ্যমান ডিজিটাল মিটার অপসারণের কারণে সম্ভাব্য ক্ষতি ১৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট ৪৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

বিদ্যুৎ খাতে স্বচ্ছতার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকানা, পরিচালনা, উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি ক্রয় ও আমদানির প্রক্রিয়া এবং সরকারি বরাদ্দ ও ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে। এ জন্য গত ১৫ বছরের তথ্য নিয়ে নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি।

গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক কাফি রতন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ, কেন্দ্রীয় পাঠচক্র ফোরামের কমরেড মঞ্জুর আলী মিঠু, বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব এড. পলাশ কান্তি নাগ প্রমুখ।


টিভি ২৬ নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ~ ফোরকানুল হক (সাকিব)

কপিরাইট © ২০২৬ টিভি ২৬ নিউজ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত