সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ বছর জেলার ৬২৮টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলাজুড়ে বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কান্দিপাড়া রঘুনাথ জিউর মন্দির এবং সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের নোয়াপাড়া কুমার পল্লীতে নির্মাণাধীন দুর্গাপ্রতিমা পরিদর্শন করেন নবাগত পুলিশ সুপার মো. জালাল উদ্দিন ফাহিম। এ সময় তিনি প্রতিমাশিল্পীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন ও নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।
পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের যুগ্ম মহাসচিব ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সমীর চক্রবর্তী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. খাইরুল আলমসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
প্রতিমা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে পুলিশ সুপার মো. জালাল উদ্দিন ফাহিম বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে তাদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিয়মিত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে থাকবে পুলিশের বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্স ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ বছর জেলার ৬২৮টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলাজুড়ে বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কান্দিপাড়া রঘুনাথ জিউর মন্দির এবং সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের নোয়াপাড়া কুমার পল্লীতে নির্মাণাধীন দুর্গাপ্রতিমা পরিদর্শন করেন নবাগত পুলিশ সুপার মো. জালাল উদ্দিন ফাহিম। এ সময় তিনি প্রতিমাশিল্পীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন ও নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।
পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের যুগ্ম মহাসচিব ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সমীর চক্রবর্তী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. খাইরুল আলমসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
প্রতিমা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে পুলিশ সুপার মো. জালাল উদ্দিন ফাহিম বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে তাদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিয়মিত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে থাকবে পুলিশের বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্স ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

আপনার মতামত লিখুন