সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ১৩ মাস বয়সী এক শিশুকে দুই লাখ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে তার বাবা ও দাদা-দাদিসহ স্বজনদের বিরুদ্ধে। পরে ঢাকার দোহার উপজেলার হরিচণ্ডী এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির দাদা-দাদিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন সকালে শিশুটির মা রোজিনা বেগম বাদী হয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় মানব পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা করেছেন। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া শিশুটি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজহাটি (সুতি ভরট) এলাকার উজ্জ্বল মিয়া (৫০), তার স্ত্রী ও শিশুটির দাদি আয়শা খাতুন (৪৫), শিশুটির ফুফু শরিফা খাতুন (৩৫) এবং ঢাকার দোহার উপজেলার হরিচণ্ডী এলাকার আবেদ মোল্লা (৩৫) ও তার স্ত্রী শিখা (৩৫)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে রোজিনা বেগমের (২১) সঙ্গে উজ্জ্বল মিয়ার ছেলে মো. নাঈম মিয়ার (২৫) বিয়ে হয়। তাদের ছেলে মোজাহিদের বয়স ১৩ মাস। পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় পাঁচ মাস আগে রোজিনাকে মারধর করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে শিশুটিকে দাদা-দাদির কাছেই রেখে দেওয়া হয়।
পরে রোজিনা গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ শুরু করেন। এর মধ্যে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন শিশুটিকে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের কাছে দুই লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন। পরদিন রাতে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে ছেলের বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে গালাগাল করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সোমবার শিশুটির অবস্থান জানতে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন রোজিনা। পরে তদন্তে শিশুটির অবস্থান ঢাকার দোহার উপজেলার চর মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচণ্ডীর একটি এলাকায় শনাক্ত করা হয়। সেখানে অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। একই অভিযানে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমন বলেন, যে দম্পতির কাছ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের কোনো সন্তান নেই। শিশুটিকে লালনপালনের জন্য তারা নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন। তবে শিশুটিকে নেওয়ার প্রক্রিয়া সঠিক ছিল না।
ওসি বলেন, শিশুটিকে নিরাপদে পুলিশের কাছে রাখা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ১৩ মাস বয়সী এক শিশুকে দুই লাখ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে তার বাবা ও দাদা-দাদিসহ স্বজনদের বিরুদ্ধে। পরে ঢাকার দোহার উপজেলার হরিচণ্ডী এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির দাদা-দাদিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন সকালে শিশুটির মা রোজিনা বেগম বাদী হয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় মানব পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা করেছেন। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া শিশুটি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজহাটি (সুতি ভরট) এলাকার উজ্জ্বল মিয়া (৫০), তার স্ত্রী ও শিশুটির দাদি আয়শা খাতুন (৪৫), শিশুটির ফুফু শরিফা খাতুন (৩৫) এবং ঢাকার দোহার উপজেলার হরিচণ্ডী এলাকার আবেদ মোল্লা (৩৫) ও তার স্ত্রী শিখা (৩৫)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে রোজিনা বেগমের (২১) সঙ্গে উজ্জ্বল মিয়ার ছেলে মো. নাঈম মিয়ার (২৫) বিয়ে হয়। তাদের ছেলে মোজাহিদের বয়স ১৩ মাস। পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় পাঁচ মাস আগে রোজিনাকে মারধর করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে শিশুটিকে দাদা-দাদির কাছেই রেখে দেওয়া হয়।
পরে রোজিনা গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ শুরু করেন। এর মধ্যে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন শিশুটিকে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের কাছে দুই লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন। পরদিন রাতে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে ছেলের বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে গালাগাল করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সোমবার শিশুটির অবস্থান জানতে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন রোজিনা। পরে তদন্তে শিশুটির অবস্থান ঢাকার দোহার উপজেলার চর মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচণ্ডীর একটি এলাকায় শনাক্ত করা হয়। সেখানে অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। একই অভিযানে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমন বলেন, যে দম্পতির কাছ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের কোনো সন্তান নেই। শিশুটিকে লালনপালনের জন্য তারা নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন। তবে শিশুটিকে নেওয়ার প্রক্রিয়া সঠিক ছিল না।
ওসি বলেন, শিশুটিকে নিরাপদে পুলিশের কাছে রাখা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন