সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের মদনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর শিশুশিক্ষার্থী কুলসুমকে (৮) অপহরণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা মজিদা বেগম গোবিন্দগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম। এর আগে গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে এ অভিযোগ করা হয়।
অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের মদনপুর এলাকার মৃত ইমদাদুল শেখের ছেলে রেজাউল ইসলাম ও তার স্ত্রী পারভীন বেগম এবং উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের তাজপুর এলাকার সাশিদুল ইসলামের দুই ছেলে আপেল মিয়া ও রাসেল মিয়াসহ অজ্ঞাত আরও ২ থেকে ৩ জন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মদনপুর গ্রামে এক সপ্তাহ আগে বসতবাড়িতে রেইনট্রি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মজিদা বেগমের স্বামী রফিকুল ইসলামের সাথে তার ভাই রেজাউল ইসলাম ও ভাবী পারভিন বেগমের মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার জেরে গত রবিবার দুপুরে বহিরাগত আপেল মিয়া, রাসেল মিয়াসহ অজ্ঞাত ২ থেকে ৩ জন যুবক মদনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসেন। এসময় তারা বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে ও তৃতীয় শ্রেণির কক্ষে প্রবেশ করে কুলসুমকে খুঁজতে থাকে। টিফিনের সময় কুলসুম স্কুলে উপস্থিত না থাকায় তারা বাড়ির সামনে গিয়ে ঘোরাফেরা করে। পরে টিফিন শেষে স্কুলে ফেরার পথে তারা কুলসুমকে অপহরণ করার চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটি চিৎকার করলে, বাড়ির ভেতর পরিবারের সদস্যরা বের হলে তারা কুলসুমকে রেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে শিশুটির মা মজিদা বেগম গোবিন্দগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
কুলসুমের বড় বোন রিতা মনি বলেন, আমি ও আমার বোন রহিমা ইসলামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। এ ঘটনার পরে আমাদের দুই বোনের বিদ্যালয়ে যাওয়া প্রায় বন্ধ গেছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই, দোষীদের বিচার চাই।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিষয় : গাইবান্ধা

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের মদনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর শিশুশিক্ষার্থী কুলসুমকে (৮) অপহরণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা মজিদা বেগম গোবিন্দগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম। এর আগে গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে এ অভিযোগ করা হয়।
অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের মদনপুর এলাকার মৃত ইমদাদুল শেখের ছেলে রেজাউল ইসলাম ও তার স্ত্রী পারভীন বেগম এবং উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের তাজপুর এলাকার সাশিদুল ইসলামের দুই ছেলে আপেল মিয়া ও রাসেল মিয়াসহ অজ্ঞাত আরও ২ থেকে ৩ জন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মদনপুর গ্রামে এক সপ্তাহ আগে বসতবাড়িতে রেইনট্রি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মজিদা বেগমের স্বামী রফিকুল ইসলামের সাথে তার ভাই রেজাউল ইসলাম ও ভাবী পারভিন বেগমের মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার জেরে গত রবিবার দুপুরে বহিরাগত আপেল মিয়া, রাসেল মিয়াসহ অজ্ঞাত ২ থেকে ৩ জন যুবক মদনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসেন। এসময় তারা বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে ও তৃতীয় শ্রেণির কক্ষে প্রবেশ করে কুলসুমকে খুঁজতে থাকে। টিফিনের সময় কুলসুম স্কুলে উপস্থিত না থাকায় তারা বাড়ির সামনে গিয়ে ঘোরাফেরা করে। পরে টিফিন শেষে স্কুলে ফেরার পথে তারা কুলসুমকে অপহরণ করার চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটি চিৎকার করলে, বাড়ির ভেতর পরিবারের সদস্যরা বের হলে তারা কুলসুমকে রেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে শিশুটির মা মজিদা বেগম গোবিন্দগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
কুলসুমের বড় বোন রিতা মনি বলেন, আমি ও আমার বোন রহিমা ইসলামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। এ ঘটনার পরে আমাদের দুই বোনের বিদ্যালয়ে যাওয়া প্রায় বন্ধ গেছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই, দোষীদের বিচার চাই।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন