সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। বিদেশে লোভনীয় চাকরি ও ওয়ার্কিং ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে দালাল চক্রের ১২ সদস্যকে আটকের পর জরিমানা ও কারাদণ্ড দিয়েছেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর টেকনিক্যালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান এসআরবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সকাল থেকেই বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এসআরবি। এ সময় জাল ভিসার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে পাঠানোর সঙ্গে যুক্ত ২০ জনকে আটক করে তারা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, গ্রেফতার করা হয়েছিল ২০ জনকে, তার মধ্যে সাত জনকে জেল দেওয়া হয়েছে, ৫ জনকে জরিমানা করা হয়েছে এবং বাকি আটজন তুলনামূলক দরিদ্র হওয়ায় তাদের ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখেছেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথমত আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, আসামির বক্তব্য নেওয়ার কথা না। যদি আপনি আলাদাভাবে নিয়ে থাকেন সেটা আলাদা বিষয়। অফিশিয়ালি বক্তব্য নেওয়ার কথা না। আর একজন অপরাধী গ্রেফতার হওয়ার পরে সে বিভিন্ন ধরনের স্টেটমেন্ট দিয়ে থাকে নিজে বাঁচার জন্য। দুই-একজন স্লোগান দিচ্ছিল তারা ‘জিয়ার সৈনিক’। তো এগুলো স্লোগান দিয়ে, ‘এখানের কর্মকর্তার সঙ্গে পরিচয় আছে’—এ সব পরিচয় দিয়ে আর কোথায় কি হবে জানি না। এসআরবির কাছে এগুলো পরিচয় দিয়ে লাভ নেই। সে অপরাধী, তাকে অপরাধ করার সময় গ্রেফতার করা হয়েছে, শাস্তি দেওয়া হয়েছে। অন্য কার সঙ্গে কোথায় কী পরিচয় আছে, এটা আমাদের কাছে ইম্পর্টেন্ট না। আর বাঁচার জন্য এ ধরনের কথা তারা বলে থাকে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
বিদেশে লোভনীয় চাকরি ও ওয়ার্কিং ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে দালাল চক্রের ১২ সদস্যকে আটকের পর জরিমানা ও কারাদণ্ড দিয়েছেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর টেকনিক্যালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান এসআরবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সকাল থেকেই বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এসআরবি। এ সময় জাল ভিসার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে পাঠানোর সঙ্গে যুক্ত ২০ জনকে আটক করে তারা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, গ্রেফতার করা হয়েছিল ২০ জনকে, তার মধ্যে সাত জনকে জেল দেওয়া হয়েছে, ৫ জনকে জরিমানা করা হয়েছে এবং বাকি আটজন তুলনামূলক দরিদ্র হওয়ায় তাদের ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখেছেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথমত আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, আসামির বক্তব্য নেওয়ার কথা না। যদি আপনি আলাদাভাবে নিয়ে থাকেন সেটা আলাদা বিষয়। অফিশিয়ালি বক্তব্য নেওয়ার কথা না। আর একজন অপরাধী গ্রেফতার হওয়ার পরে সে বিভিন্ন ধরনের স্টেটমেন্ট দিয়ে থাকে নিজে বাঁচার জন্য। দুই-একজন স্লোগান দিচ্ছিল তারা ‘জিয়ার সৈনিক’। তো এগুলো স্লোগান দিয়ে, ‘এখানের কর্মকর্তার সঙ্গে পরিচয় আছে’—এ সব পরিচয় দিয়ে আর কোথায় কি হবে জানি না। এসআরবির কাছে এগুলো পরিচয় দিয়ে লাভ নেই। সে অপরাধী, তাকে অপরাধ করার সময় গ্রেফতার করা হয়েছে, শাস্তি দেওয়া হয়েছে। অন্য কার সঙ্গে কোথায় কী পরিচয় আছে, এটা আমাদের কাছে ইম্পর্টেন্ট না। আর বাঁচার জন্য এ ধরনের কথা তারা বলে থাকে।

আপনার মতামত লিখুন