সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। রাঙামাটির সাজেকে দুই সংগঠনের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার সড়ক অবরোধ কর্মসূচি আজ শনিবার দুপুরের পরিবর্তে আগামীকাল রোববার সকাল ছয়টা থেকে শুরু হবে। ৪৮ ঘণ্টার পরিবর্তে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছে সংগঠন দুটি।
আজ দুপুরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সংগঠন দুটি হলো সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন এবং সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি। এর আগে আজ দুপুর ১২টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার সড়ক অবরোধের ডাক দিয়েছিল এই দুটি সংগঠন।
সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য বিজয় কুমার চাকমার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পর্যটকদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে শনিবারের পরিবর্তে রোববার সকাল ছয়টা থেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ কর্মসূচি শুরু হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা এক বিবৃতিতে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালনের জন্য স্থানীয় জনসাধারণ ও পর্যটকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, সাজেকে সশস্ত্র তৎপরতা শুরু করেছে জেএসএস। দলটি স্থানীয় জনসাধারণকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার সমাবেশ করে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। তবু ব্যবস্থা না নেওয়ায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।
সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন এবং সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, সংগঠন দুটির উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার সাজেকের মাচালং উজো বাজারে এক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও সমাবেশ হয়। সেই কর্মসূচিতে সড়ক অবরোধের ঘোষণা দেন সংগঠন দুটির নেতারা।
ইউপিডিএফের চাপে পড়ে সংগঠন দুটি এমন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বলে দাবি জেএসএসের। জেএসএসের প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, ‘শুধু সাজেক নয়, গোটা পার্বত্য চট্টগ্রামেই জেএসএসের সাংগঠনিক কার্যক্রম রয়েছে। কোথাও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এ রকম অভিযোগ আসে না, সাজেকে তোলা অভিযোগও ভিত্তিহীন। সাজেকে নিরীহ জনগণের ওপর দীর্ঘদিন ধরে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের যে নিপীড়ন ও হয়রানি চলছে, সেসব আড়াল করতেই এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।’
তবে ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা প্রথম আলোকে বলেন, দুটি সংগঠনকে অবরোধ কর্মসূচি দিতে বাধ্য করার অভিযোগ সত্য নয়। তবে সাধারণ জনগণের হয়ে দুটি সংগঠন যে কর্মসূচির ডাক দিয়েছে তার প্রতি ইউপিডিএফের সমর্থন থাকবে।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিতে পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। গতকাল রাতেও সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে প্রায় তিন হাজারের মতো পর্যটক অবস্থান করেছেন বলে জানান সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা।
জানতে চাইলে আজ বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাঘাইছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান বলেন, ‘সড়ক অবরোধের কথা শুনেছি। নিরাপত্তা বাহিনীর সহযোগিতায় সকাল ১০টার দিকে সাজেকে থাকা পর্যটকেরা বাঘাইহাটের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।’
বিষয় : চট্টগ্রাম বিভাগ পাহাড় সাজেক পর্যটন

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
রাঙামাটির সাজেকে দুই সংগঠনের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার সড়ক অবরোধ কর্মসূচি আজ শনিবার দুপুরের পরিবর্তে আগামীকাল রোববার সকাল ছয়টা থেকে শুরু হবে। ৪৮ ঘণ্টার পরিবর্তে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছে সংগঠন দুটি।
আজ দুপুরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সংগঠন দুটি হলো সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন এবং সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি। এর আগে আজ দুপুর ১২টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার সড়ক অবরোধের ডাক দিয়েছিল এই দুটি সংগঠন।
সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য বিজয় কুমার চাকমার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পর্যটকদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে শনিবারের পরিবর্তে রোববার সকাল ছয়টা থেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ কর্মসূচি শুরু হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা এক বিবৃতিতে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালনের জন্য স্থানীয় জনসাধারণ ও পর্যটকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, সাজেকে সশস্ত্র তৎপরতা শুরু করেছে জেএসএস। দলটি স্থানীয় জনসাধারণকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার সমাবেশ করে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। তবু ব্যবস্থা না নেওয়ায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।
সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন এবং সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, সংগঠন দুটির উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার সাজেকের মাচালং উজো বাজারে এক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও সমাবেশ হয়। সেই কর্মসূচিতে সড়ক অবরোধের ঘোষণা দেন সংগঠন দুটির নেতারা।
ইউপিডিএফের চাপে পড়ে সংগঠন দুটি এমন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বলে দাবি জেএসএসের। জেএসএসের প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, ‘শুধু সাজেক নয়, গোটা পার্বত্য চট্টগ্রামেই জেএসএসের সাংগঠনিক কার্যক্রম রয়েছে। কোথাও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এ রকম অভিযোগ আসে না, সাজেকে তোলা অভিযোগও ভিত্তিহীন। সাজেকে নিরীহ জনগণের ওপর দীর্ঘদিন ধরে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের যে নিপীড়ন ও হয়রানি চলছে, সেসব আড়াল করতেই এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।’
তবে ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা প্রথম আলোকে বলেন, দুটি সংগঠনকে অবরোধ কর্মসূচি দিতে বাধ্য করার অভিযোগ সত্য নয়। তবে সাধারণ জনগণের হয়ে দুটি সংগঠন যে কর্মসূচির ডাক দিয়েছে তার প্রতি ইউপিডিএফের সমর্থন থাকবে।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিতে পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। গতকাল রাতেও সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে প্রায় তিন হাজারের মতো পর্যটক অবস্থান করেছেন বলে জানান সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা।
জানতে চাইলে আজ বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাঘাইছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান বলেন, ‘সড়ক অবরোধের কথা শুনেছি। নিরাপত্তা বাহিনীর সহযোগিতায় সকাল ১০টার দিকে সাজেকে থাকা পর্যটকেরা বাঘাইহাটের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।’

আপনার মতামত লিখুন