সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে মো. ওমাইর (৪) নামের এক শিশুকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আবদুর রহমান ও তার স্ত্রী আনসার বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে ক্যাম্প থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ৮ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিল ওমাইর। সে উখিয়ার ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা আব্দুল হামিদের ছেলে। শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর জামতলী পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা তার সন্ধানে তৎপরতা শুরু করেন।
পরদিন ৯ অক্টোবর শিশুটির বাবা পুলিশকে জানান, একই ক্যাম্পের বাসিন্দা আবদুর রহমান তার কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছেন।
রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) জামতলী ক্যাম্প-১৫-এর পরিদর্শক তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান জানান, ১০ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে আবদুর রহমানকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি শিশুটিকে অপহরণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন।
৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, হত্যা ও মরদেহ গুমের অভিযোগে ওই দম্পতির বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে শিশুটির মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে মো. ওমাইর (৪) নামের এক শিশুকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আবদুর রহমান ও তার স্ত্রী আনসার বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে ক্যাম্প থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ৮ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিল ওমাইর। সে উখিয়ার ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা আব্দুল হামিদের ছেলে। শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর জামতলী পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা তার সন্ধানে তৎপরতা শুরু করেন।
পরদিন ৯ অক্টোবর শিশুটির বাবা পুলিশকে জানান, একই ক্যাম্পের বাসিন্দা আবদুর রহমান তার কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছেন।
রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) জামতলী ক্যাম্প-১৫-এর পরিদর্শক তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান জানান, ১০ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে আবদুর রহমানকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি শিশুটিকে অপহরণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন।
৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, হত্যা ও মরদেহ গুমের অভিযোগে ওই দম্পতির বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে শিশুটির মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন