সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও নির্বিঘ্নে উদ্যাপনের লক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং বিভিন্ন মঠ-মন্দিরের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাঙ্গামাটি শহরের বনরুপা ইসলামিক সেন্টার মিলনায়তনে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির সহকারী অধ্যাপক আব্দুল আলীম। সভা সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি মনসুরুল হক।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, রাঙ্গামাটির সভাপতি স্বপন কান্তি মহাজন, সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দে, পরিষদের নেতা বিপ্লব দাশ মাইকেল, স্বর্ণটিলা মন্দির পূজা উদ্যাপন পরিষদের সেক্রেটারি সুজন কান্তি দে, কালীবাড়ি পূজা কমিটির সভাপতি নন্দন কুমার দে, আসামবস্তি মন্দির পূজা উদ্যাপন পরিষদের সেক্রেটারি অজিত দাশ ও পুরাতন বাসস্টেশন মন্দিরের সেক্রেটারি স্বপন দাশ। এ ছাড়া বক্তব্য দেন খোকন দে, মৃদুল ধরসহ বিভিন্ন মঠ-মন্দিরের নেতারা।
জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট হারুনুর রশিদ, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সভাপতি আব্দুস সালাম এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সেক্রেটারি ইরফানুল হক।
সভায় আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপনের জন্য বিভিন্ন দাবি ও প্রত্যাশা তুলে ধরেন সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতারা। এর মধ্যে রয়েছে পূজামণ্ডপ ও সংশ্লিষ্ট সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, জরুরি ভিত্তিতে সড়ক মেরামত, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
বক্তারা বলেন, দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে উদ্যাপনের জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। এ সময় বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন তাঁরা।
সভায় উপস্থিত জামায়াত নেতারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সহযোগিতা বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপনে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। সভায় রাঙ্গামাটিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও নির্বিঘ্নে উদ্যাপনের লক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং বিভিন্ন মঠ-মন্দিরের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাঙ্গামাটি শহরের বনরুপা ইসলামিক সেন্টার মিলনায়তনে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির সহকারী অধ্যাপক আব্দুল আলীম। সভা সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি মনসুরুল হক।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, রাঙ্গামাটির সভাপতি স্বপন কান্তি মহাজন, সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দে, পরিষদের নেতা বিপ্লব দাশ মাইকেল, স্বর্ণটিলা মন্দির পূজা উদ্যাপন পরিষদের সেক্রেটারি সুজন কান্তি দে, কালীবাড়ি পূজা কমিটির সভাপতি নন্দন কুমার দে, আসামবস্তি মন্দির পূজা উদ্যাপন পরিষদের সেক্রেটারি অজিত দাশ ও পুরাতন বাসস্টেশন মন্দিরের সেক্রেটারি স্বপন দাশ। এ ছাড়া বক্তব্য দেন খোকন দে, মৃদুল ধরসহ বিভিন্ন মঠ-মন্দিরের নেতারা।
জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট হারুনুর রশিদ, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সভাপতি আব্দুস সালাম এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সেক্রেটারি ইরফানুল হক।
সভায় আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপনের জন্য বিভিন্ন দাবি ও প্রত্যাশা তুলে ধরেন সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতারা। এর মধ্যে রয়েছে পূজামণ্ডপ ও সংশ্লিষ্ট সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, জরুরি ভিত্তিতে সড়ক মেরামত, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
বক্তারা বলেন, দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে উদ্যাপনের জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। এ সময় বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন তাঁরা।
সভায় উপস্থিত জামায়াত নেতারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সহযোগিতা বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপনে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। সভায় রাঙ্গামাটিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন