সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। সাজেকের পরিস্থিতি নিরসনে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি সোমবার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা করবে। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
রোববার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে হেডম্যান-কারবারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া।
সভায় রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিবসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্ক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশনের হেডম্যান (মৌজাপ্রধান) এবং কারবারীরা (গ্রামপ্রধান) সভায় অংশ নেন।
অবরোধের প্রথম দিনেই আন্দোলনকারীদের আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানান ওয়াদুদ ভূঁইয়া। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের মধ্যে ‘সাজেক কারবারী অ্যাসোসিয়েশন’ নামে একটি সংগঠনের নাম এসেছে। এ কারণে হেডম্যান-কারবারীদের দুটি কেন্দ্রীয় সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে। সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাজেকে কারবারী সংগঠনের নাম দিয়ে যারা আন্দোলন করছেন, তারা প্রকৃতপক্ষে কারবারী নন।
তবে আন্দোলনকারী সংগঠনটি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজেদের দাবি করছে। এ পরিস্থিতিতে সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্ক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশন থেকে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মধ্যস্থতায় সোমবার থেকে কমিটি আন্দোলনকারীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে বৈঠক করবে।
ওয়াদুদ ভূঁইয়া আরও বলেন, সাজেক পর্যটন এলাকায় সৃষ্ট ঘটনার পেছনে শুধু অর্থ নয়, মূলত দুটি আঞ্চলিক গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারের বিষয় রয়েছে। আগে সাজেকে একটি গ্রুপ থাকলেও সম্প্রতি আরেকটি গ্রুপ সেখানে প্রবেশ করেছে। এ গ্রুপের বিরুদ্ধে কারবারী অ্যাসোসিয়েশন বা ছাত্র-জনতার ব্যানারে আন্দোলন হচ্ছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা মিথ্যা।
তিনি বলেন, বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে আন্দোলনের মাধ্যমে একটি সশস্ত্র সংগঠনকে সাজেক থেকে বের করে দেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছে। তবে তার ভাষ্য, দুটি সংগঠনই সশস্ত্র হওয়ায় একটিকে বের করে দেওয়ার সুযোগ নেই। নিরাপত্তা বাহিনী দুটি সশস্ত্র সংগঠনকেই বের করে দেবে।
রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান বলেন, সাজেকের সৃষ্ট ঘটনা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। আন্দোলনকারীরা পাঁচ দফা দাবি জানালেও তাদের দৃশ্যমান উপস্থিতি নেই। দাবিগুলো নিয়ে আলোচনার জন্যই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে।
সভা সূত্র জানায়, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের দুজন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশনের একজন সদস্যকে নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সহসভাপতি ভবতোষ দেওয়ান, সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশনের রাঙামাটি শাখার সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় চাকমা ক্যারল।
বিষয় : বৈঠক মতবিনিময় সভা সাজেক কমিটি গঠন

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সাজেকের পরিস্থিতি নিরসনে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি সোমবার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা করবে। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
রোববার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে হেডম্যান-কারবারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া।
সভায় রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিবসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্ক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশনের হেডম্যান (মৌজাপ্রধান) এবং কারবারীরা (গ্রামপ্রধান) সভায় অংশ নেন।
অবরোধের প্রথম দিনেই আন্দোলনকারীদের আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানান ওয়াদুদ ভূঁইয়া। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের মধ্যে ‘সাজেক কারবারী অ্যাসোসিয়েশন’ নামে একটি সংগঠনের নাম এসেছে। এ কারণে হেডম্যান-কারবারীদের দুটি কেন্দ্রীয় সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে। সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাজেকে কারবারী সংগঠনের নাম দিয়ে যারা আন্দোলন করছেন, তারা প্রকৃতপক্ষে কারবারী নন।
তবে আন্দোলনকারী সংগঠনটি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজেদের দাবি করছে। এ পরিস্থিতিতে সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্ক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশন থেকে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মধ্যস্থতায় সোমবার থেকে কমিটি আন্দোলনকারীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে বৈঠক করবে।
ওয়াদুদ ভূঁইয়া আরও বলেন, সাজেক পর্যটন এলাকায় সৃষ্ট ঘটনার পেছনে শুধু অর্থ নয়, মূলত দুটি আঞ্চলিক গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারের বিষয় রয়েছে। আগে সাজেকে একটি গ্রুপ থাকলেও সম্প্রতি আরেকটি গ্রুপ সেখানে প্রবেশ করেছে। এ গ্রুপের বিরুদ্ধে কারবারী অ্যাসোসিয়েশন বা ছাত্র-জনতার ব্যানারে আন্দোলন হচ্ছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা মিথ্যা।
তিনি বলেন, বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে আন্দোলনের মাধ্যমে একটি সশস্ত্র সংগঠনকে সাজেক থেকে বের করে দেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছে। তবে তার ভাষ্য, দুটি সংগঠনই সশস্ত্র হওয়ায় একটিকে বের করে দেওয়ার সুযোগ নেই। নিরাপত্তা বাহিনী দুটি সশস্ত্র সংগঠনকেই বের করে দেবে।
রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান বলেন, সাজেকের সৃষ্ট ঘটনা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। আন্দোলনকারীরা পাঁচ দফা দাবি জানালেও তাদের দৃশ্যমান উপস্থিতি নেই। দাবিগুলো নিয়ে আলোচনার জন্যই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে।
সভা সূত্র জানায়, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের দুজন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশনের একজন সদস্যকে নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সহসভাপতি ভবতোষ দেওয়ান, সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশনের রাঙামাটি শাখার সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় চাকমা ক্যারল।

আপনার মতামত লিখুন