সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পিতৃপরিচয় গোপন করতে বিক্রি করে দেওয়া সেই নবজাতককে উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যায় ওই নবজাতককে উপজেলার হিঙ্গুলা গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া শিশুটিকে হস্তান্তরের চুক্তিপত্রও জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ভিকটিম খাদিজা আক্তার (১৯) ও আবির হোসেন (২১) চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের কালকট গ্রামের বাসিন্দা। প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আবির একাধিকবার খাদিজার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। এতে খাদিজা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
পরে বিষয়টি দুই পরিবারের মধ্যে জানাজানি হলে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। গত ২৩ অক্টোবর চৌদ্দগ্রামের ‘প্রাইম’ নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে খাদিজা একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দেন।
পুলিশ জানায়, নবজাতকের পিতৃপরিচয় গোপন করার উদ্দেশ্যে একটি চক্রের মাধ্যমে শিশুটিকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। এজন্য ১০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে একটি চুক্তি করা হয়।
ঘটনাটি কুমিল্লার পুলিশ সুপারের নজরে আসার পর জেলা গোয়েন্দা শাখা ও চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ অভিযান শুরু করে। গোয়েন্দা তথ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে নবজাতককে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় জড়িত জোবেদা আক্তার সানজিদা (৩৫), নজরুল ইসলাম মনির (৪৮), স্বপ্না বেগম (৩৫) ও রিপন মিয়াকে (৪২) গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। তাদের কাছ থেকে শিশুটিকে হস্তান্তরের চুক্তিপত্রও জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পিতৃপরিচয় গোপন করতে বিক্রি করে দেওয়া সেই নবজাতককে উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যায় ওই নবজাতককে উপজেলার হিঙ্গুলা গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া শিশুটিকে হস্তান্তরের চুক্তিপত্রও জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ভিকটিম খাদিজা আক্তার (১৯) ও আবির হোসেন (২১) চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের কালকট গ্রামের বাসিন্দা। প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আবির একাধিকবার খাদিজার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। এতে খাদিজা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
পরে বিষয়টি দুই পরিবারের মধ্যে জানাজানি হলে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। গত ২৩ অক্টোবর চৌদ্দগ্রামের ‘প্রাইম’ নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে খাদিজা একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দেন।
পুলিশ জানায়, নবজাতকের পিতৃপরিচয় গোপন করার উদ্দেশ্যে একটি চক্রের মাধ্যমে শিশুটিকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। এজন্য ১০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে একটি চুক্তি করা হয়।
ঘটনাটি কুমিল্লার পুলিশ সুপারের নজরে আসার পর জেলা গোয়েন্দা শাখা ও চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ অভিযান শুরু করে। গোয়েন্দা তথ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে নবজাতককে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় জড়িত জোবেদা আক্তার সানজিদা (৩৫), নজরুল ইসলাম মনির (৪৮), স্বপ্না বেগম (৩৫) ও রিপন মিয়াকে (৪২) গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। তাদের কাছ থেকে শিশুটিকে হস্তান্তরের চুক্তিপত্রও জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন