সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। কুড়িগ্রাম জেলার সঙ্গে ভারতের প্রায় ১৯৮ কিলোমিটার সীমান্তে কড়া নজরদারি ও টহল জোরদার করেছে বিজিবি। মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এ সর্বোচ্চ সতর্কতা অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।
ভারতের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিবেচনায় সীমান্ত এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে এসব তথ্য জানান কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের (২২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষ টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ব্যাটালিয়নের অধীন প্রতিটি বিওপি থেকে দিন-রাত সীমান্তে টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।
এছাড়াও সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বাড়তি নজরদারি বসানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক গতিবিধি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সদস্যদের সর্বোচ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের (২২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত চোরাচালান বন্ধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ দমনে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সীমান্তে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিজিবির তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
কুড়িগ্রাম জেলার সঙ্গে ভারতের প্রায় ১৯৮ কিলোমিটার সীমান্তে কড়া নজরদারি ও টহল জোরদার করেছে বিজিবি। মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এ সর্বোচ্চ সতর্কতা অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।
ভারতের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিবেচনায় সীমান্ত এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে এসব তথ্য জানান কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের (২২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষ টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ব্যাটালিয়নের অধীন প্রতিটি বিওপি থেকে দিন-রাত সীমান্তে টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।
এছাড়াও সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বাড়তি নজরদারি বসানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক গতিবিধি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সদস্যদের সর্বোচ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের (২২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত চোরাচালান বন্ধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ দমনে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সীমান্তে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিজিবির তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন