সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসভার শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে অনাপত্তি ও ছাড়পত্র পাওয়ার পরও নিয়োগ প্রক্রিয়া বা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
গত ৯ আগস্ট ২০২৬ স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. সগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নবীনগর পৌরসভার আর্থিক সক্ষমতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় পাঁচটি শূন্য পদে ছয় মাস মেয়াদে জনবল নিয়োগের জন্য অনাপত্তি ও ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। পদগুলো হলো—নকশাকার, সহকারী কর নির্ধারক, সহকারী কর আদায়কারী, সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক ও বিদ্যুৎমিস্ত্রি।
স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার এক মাসেরও বেশি সময় পার হলেও এখনো কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। ফলে স্থানীয় সচেতন মহল ও চাকরিপ্রার্থীদের মনে নানা গুঞ্জন ডালপালা মেলছে। রাজনৈতিক প্রভাব বা প্রভাবশালী মহলের পছন্দসই প্রার্থী নিয়োগের সুবিধার্থেই কি কৌশলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব করা হচ্ছে, নাকি বিজ্ঞপ্তির আগেই পর্দার আড়ালে নিয়োগ সম্পন্ন হয়ে যাবে—এমন নানা প্রশ্নে চরম ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, পদগুলো পূরণের ক্ষেত্রে কমপক্ষে একটি বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক, একটি স্থানীয় দৈনিক এবং পৌরসভার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার পাশাপাশি প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো প্রকার দৈনিক হাজিরাভিত্তিক (মাস্টাররোল) বা অস্থায়ী নিয়োগ প্রদান করা যাবে না এবং সরকার ঘোষিত সর্বশেষ নীতিমালা মেনে নিয়োগ সম্পন্ন করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পৌরসভার এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, একটি দালাল চক্র ও সুবিধাবাদী মহলের ইশারায় গোপনে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানোর পাঁয়তারা চলছে। নিয়োগকে কেন্দ্র করে লাখ লাখ টাকার গোপন লেনদেনের গুঞ্জন রয়েছে, যার কারণেই হয়তো প্রকাশ্যে বিজ্ঞপ্তি দিতে বিলম্ব করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে নবীনগর পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম বলেন, জনবল নিয়োগের অনাপত্তি ও ছাড়পত্রের চিঠি সম্প্রতি হাতে পেয়েছি। নিয়োগ কার্যক্রম স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। প্রতিনিধি পাওয়ার পর স্থানীয় কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নিয়োগ কমিটি গঠন করা হবে। এরপরই পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে এবং শতভাগ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
তিনি আরও যোগ করেন, যত দিন আমি এই দায়িত্বে আছি, কোনো অনিয়ম বা বাণিজ্য করার সুযোগ নেই। পরীক্ষার আগে কোনো পদে মাস্টাররোলে নিয়োগের কোনো অবকাশ নেই।
একই বিষয়ে নবীনগর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তারিকুল ইসলাম জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিনিধি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনাবলী মেনে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কোনো লেনদেন বা অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি অবগত নন বলে জানান।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসভার শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে অনাপত্তি ও ছাড়পত্র পাওয়ার পরও নিয়োগ প্রক্রিয়া বা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
গত ৯ আগস্ট ২০২৬ স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. সগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নবীনগর পৌরসভার আর্থিক সক্ষমতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় পাঁচটি শূন্য পদে ছয় মাস মেয়াদে জনবল নিয়োগের জন্য অনাপত্তি ও ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। পদগুলো হলো—নকশাকার, সহকারী কর নির্ধারক, সহকারী কর আদায়কারী, সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক ও বিদ্যুৎমিস্ত্রি।
স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার এক মাসেরও বেশি সময় পার হলেও এখনো কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। ফলে স্থানীয় সচেতন মহল ও চাকরিপ্রার্থীদের মনে নানা গুঞ্জন ডালপালা মেলছে। রাজনৈতিক প্রভাব বা প্রভাবশালী মহলের পছন্দসই প্রার্থী নিয়োগের সুবিধার্থেই কি কৌশলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব করা হচ্ছে, নাকি বিজ্ঞপ্তির আগেই পর্দার আড়ালে নিয়োগ সম্পন্ন হয়ে যাবে—এমন নানা প্রশ্নে চরম ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, পদগুলো পূরণের ক্ষেত্রে কমপক্ষে একটি বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক, একটি স্থানীয় দৈনিক এবং পৌরসভার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার পাশাপাশি প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো প্রকার দৈনিক হাজিরাভিত্তিক (মাস্টাররোল) বা অস্থায়ী নিয়োগ প্রদান করা যাবে না এবং সরকার ঘোষিত সর্বশেষ নীতিমালা মেনে নিয়োগ সম্পন্ন করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পৌরসভার এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, একটি দালাল চক্র ও সুবিধাবাদী মহলের ইশারায় গোপনে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানোর পাঁয়তারা চলছে। নিয়োগকে কেন্দ্র করে লাখ লাখ টাকার গোপন লেনদেনের গুঞ্জন রয়েছে, যার কারণেই হয়তো প্রকাশ্যে বিজ্ঞপ্তি দিতে বিলম্ব করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে নবীনগর পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম বলেন, জনবল নিয়োগের অনাপত্তি ও ছাড়পত্রের চিঠি সম্প্রতি হাতে পেয়েছি। নিয়োগ কার্যক্রম স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। প্রতিনিধি পাওয়ার পর স্থানীয় কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নিয়োগ কমিটি গঠন করা হবে। এরপরই পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে এবং শতভাগ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
তিনি আরও যোগ করেন, যত দিন আমি এই দায়িত্বে আছি, কোনো অনিয়ম বা বাণিজ্য করার সুযোগ নেই। পরীক্ষার আগে কোনো পদে মাস্টাররোলে নিয়োগের কোনো অবকাশ নেই।
একই বিষয়ে নবীনগর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তারিকুল ইসলাম জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিনিধি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনাবলী মেনে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কোনো লেনদেন বা অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি অবগত নন বলে জানান।

আপনার মতামত লিখুন