সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ছয় লেন প্রকল্পের উন্নয়নকাজের হবিগঞ্জ অংশে ৮২ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে গত পাঁচ বছরে শেষ হয়েছে গড়ে ৩০-৩৫ শতাংশ কাজ। কোনো কোনো এলাকায় এর চেয়েও কম কাজ হয়েছে। তবুও প্রকল্প কর্মকর্তারা আশাবাদী, সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হবে এবং ২০২৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে যানবাহন চলাচল করবে ছয় লেন সড়কে।
সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ৩০ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছিল ২০২৫ সাল পর্যন্ত।
প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জমি অধিগ্রহণ ও ঠিকাদার নিয়োগ ছাড়াই ২০২১ সালে সড়কটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে কয়েক মাস পর কাজ শুরু হয়।
উপআঞ্চলিক যোগাযোগ, বিশেষ করে ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান ও চীনের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ কেন্দ্রবিন্দুতে। এসব বিবেচনায় প্রকল্পটিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
হবিগঞ্জ-ঢাকাগামী বাসচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কাজ চলছে। কবে শেষ হবে তা আমাদের জানা নেই। দেখে বোঝা যাচ্ছে ধীরগতিতে কাজ চলছে। কাজ দ্রুত শেষ হলে আমাদের ভোগান্তি কমবে। দুর্ঘটনা কমে আসবে। গন্তব্যে কম সময়ে যাওয়া যাবে।
প্রকল্প ব্যবস্থাপক-৫ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন বলেন, বাহুবল উপজেলার ডুবাঐ বাজার থেকে শেরপুর পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার কাজ করছে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। জমি অধিগ্রহণসহ নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে কাজের গতি শুরুতে কম থাকলেও বর্তমানে কাজ দ্রুত চলছে। এই অংশে ৩০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ নির্ধারিত মেয়াদে শেষ হবে।
প্রকল্প ব্যবস্থাপক-৪ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী একেএম শামসুজ্জোহা বলেন, মাধবপুর উপজেলার আল-আমিন হোটেল থেকে বাহুবল উপজেলার ডুবাঐ বাজার পর্যন্ত ৩৪.৬ কিলোমিটারের কাজ করছে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। যাদের কাজে খুব ধীরগতি, তাদের সতর্ক করে নোটিস দেওয়া হবে। তারপরও যদি কাজের গতি না বাড়ে তাহলে তাদের সঙ্গে কাজের চুক্তি বাতিল করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নোটিস পাঠানো হবে।
উপপ্রকল্প পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান বলেন, মাধবপুর শুরুর অংশ থেকে জগদীশপুর পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণকাজ একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান করছে। এই প্রকল্পের আওতায় ২৬টি কালভার্ট ও সাতটি সেতু নির্মাণ হচ্ছে। এই অংশে ৩৮.৬ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। তবে জমি অধিগ্রহণ ও বিদ্যুতের খুঁটি সরানোর কাজের জন্য সড়কের নির্মাণকাজ ধীরগতিতে হচ্ছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, বিভিন্ন জটিলতার কারণে কাজের গতি কিছুটা কমে গেলেও প্রকল্প এগিয়ে নিতে জেলা প্রশাসন থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কালভার্ট, সেতু ও ওভারপাস নির্মাণে ইতোমধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ড. এসএম সরফরাজ বলেন, হবিগঞ্জ অংশের জমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুত শেষ হচ্ছে। জমি অধিগ্রহণের জটিলতা শেষ হলেই সড়কের নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে যাবে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ছয় লেন প্রকল্পের উন্নয়নকাজের হবিগঞ্জ অংশে ৮২ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে গত পাঁচ বছরে শেষ হয়েছে গড়ে ৩০-৩৫ শতাংশ কাজ। কোনো কোনো এলাকায় এর চেয়েও কম কাজ হয়েছে। তবুও প্রকল্প কর্মকর্তারা আশাবাদী, সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হবে এবং ২০২৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে যানবাহন চলাচল করবে ছয় লেন সড়কে।
সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ৩০ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছিল ২০২৫ সাল পর্যন্ত।
প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জমি অধিগ্রহণ ও ঠিকাদার নিয়োগ ছাড়াই ২০২১ সালে সড়কটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে কয়েক মাস পর কাজ শুরু হয়।
উপআঞ্চলিক যোগাযোগ, বিশেষ করে ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান ও চীনের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ কেন্দ্রবিন্দুতে। এসব বিবেচনায় প্রকল্পটিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
হবিগঞ্জ-ঢাকাগামী বাসচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কাজ চলছে। কবে শেষ হবে তা আমাদের জানা নেই। দেখে বোঝা যাচ্ছে ধীরগতিতে কাজ চলছে। কাজ দ্রুত শেষ হলে আমাদের ভোগান্তি কমবে। দুর্ঘটনা কমে আসবে। গন্তব্যে কম সময়ে যাওয়া যাবে।
প্রকল্প ব্যবস্থাপক-৫ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন বলেন, বাহুবল উপজেলার ডুবাঐ বাজার থেকে শেরপুর পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার কাজ করছে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। জমি অধিগ্রহণসহ নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে কাজের গতি শুরুতে কম থাকলেও বর্তমানে কাজ দ্রুত চলছে। এই অংশে ৩০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ নির্ধারিত মেয়াদে শেষ হবে।
প্রকল্প ব্যবস্থাপক-৪ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী একেএম শামসুজ্জোহা বলেন, মাধবপুর উপজেলার আল-আমিন হোটেল থেকে বাহুবল উপজেলার ডুবাঐ বাজার পর্যন্ত ৩৪.৬ কিলোমিটারের কাজ করছে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। যাদের কাজে খুব ধীরগতি, তাদের সতর্ক করে নোটিস দেওয়া হবে। তারপরও যদি কাজের গতি না বাড়ে তাহলে তাদের সঙ্গে কাজের চুক্তি বাতিল করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নোটিস পাঠানো হবে।
উপপ্রকল্প পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান বলেন, মাধবপুর শুরুর অংশ থেকে জগদীশপুর পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণকাজ একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান করছে। এই প্রকল্পের আওতায় ২৬টি কালভার্ট ও সাতটি সেতু নির্মাণ হচ্ছে। এই অংশে ৩৮.৬ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। তবে জমি অধিগ্রহণ ও বিদ্যুতের খুঁটি সরানোর কাজের জন্য সড়কের নির্মাণকাজ ধীরগতিতে হচ্ছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, বিভিন্ন জটিলতার কারণে কাজের গতি কিছুটা কমে গেলেও প্রকল্প এগিয়ে নিতে জেলা প্রশাসন থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কালভার্ট, সেতু ও ওভারপাস নির্মাণে ইতোমধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ড. এসএম সরফরাজ বলেন, হবিগঞ্জ অংশের জমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুত শেষ হচ্ছে। জমি অধিগ্রহণের জটিলতা শেষ হলেই সড়কের নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন