সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে শরিফুল ইসলাম নামে এক আসামি পালিয়ে গেছেন। এর আগে গত বছরের জুনেও ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়ার পথে পুলিশকে মারধর করে পালিয়ে যান তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে হাজিরা শেষে হাজতখানায় নেওয়ার পথে কৌশলে পালিয়ে যান তিনি।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল জানান, কোতোয়ালি থানার মামলায় হাজতি আসামি কৌশলে আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছে। এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকায় তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল।
আদালত ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৯ জুন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে পুলিশকে আঘাত করে হাতকড়া খুলে কৌশলে পালিয়ে যান শরিফুল ইসলাম। ঘটনার দিনই হাজতখানার ইনচার্জ মো. রিপন মোল্লা বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ থাকায় তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালতে তোলা হয়। এদিন সাক্ষী না আসায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। পরে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল আব্দুল আলিম তাকে আদালত থেকে নিয়ে হাজতখানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন সময় আসামি শরিফুল কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে শরিফুল ইসলাম নামে এক আসামি পালিয়ে গেছেন। এর আগে গত বছরের জুনেও ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়ার পথে পুলিশকে মারধর করে পালিয়ে যান তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে হাজিরা শেষে হাজতখানায় নেওয়ার পথে কৌশলে পালিয়ে যান তিনি।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল জানান, কোতোয়ালি থানার মামলায় হাজতি আসামি কৌশলে আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছে। এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকায় তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল।
আদালত ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৯ জুন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে পুলিশকে আঘাত করে হাতকড়া খুলে কৌশলে পালিয়ে যান শরিফুল ইসলাম। ঘটনার দিনই হাজতখানার ইনচার্জ মো. রিপন মোল্লা বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ থাকায় তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালতে তোলা হয়। এদিন সাক্ষী না আসায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। পরে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল আব্দুল আলিম তাকে আদালত থেকে নিয়ে হাজতখানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন সময় আসামি শরিফুল কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান।

আপনার মতামত লিখুন