সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্য অধ্যাপক মো. জাওয়াদুল হকের কার্যালয়ে ঢুকে তাকে হেনস্তা ও জোর করে পদত্যাগপত্রে সই নেওয়ার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এর আগে মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে রাজপাড়া থানায় এই অভিযোগটি করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার ও উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী নাজমুল হোসাইন। অভিযোগ মামলা হিসেবে গ্রহণ করেছে পুলিশ।
এই ঘটনায় আব্দুস সামাদ (৫৭) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তাকে গ্রেফতার করে। তবে তিনি কোন রাজনৈতিক দলের কর্মী কি না তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
মামলার বিষয়টি বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিশ্চিত করে আরএমপির উপ-কমিশনার গাজীউর রহমান জানান, রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা থানায় এসে অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। মামলায় ৫০ থেকে ৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
রাজপাড়া থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, আব্দুস সামাদকে সিটিটিভি পর্যবেক্ষণ করে নিশ্চিত হয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হবে। এ ছাড়াও অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে রামেবি অধ্যাপক জাওয়াদুল হকের পদত্যাগপত্রে জোর করে সই নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে উপাচার্যের একান্ত সচিব নাজমুল হোসাইনকেও পদত্যাগ করতে বাধা দেওয়া হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হক বলেন, রাজনৈতিক মদতপুষ্ট স্থানীয় ঠিকাদার ও বহিরাগত কিছু লোক হঠাৎ জোর আমার কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে। স্থানীয় ঠিকাদারদের বদলে ঢাকার ঠিকাদারদের কাজ দেওয়া হচ্ছে— এমন অভিযোগ তুলে তারা আমাকে ‘আওয়ামী লীগের দালাল’ আখ্যা দিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে তারা জোর করে একটি পদত্যাগপত্রে আমার সই নেয়। এরপর আমাকে বের করে দিয়ে কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্য অধ্যাপক মো. জাওয়াদুল হকের কার্যালয়ে ঢুকে তাকে হেনস্তা ও জোর করে পদত্যাগপত্রে সই নেওয়ার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এর আগে মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে রাজপাড়া থানায় এই অভিযোগটি করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার ও উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী নাজমুল হোসাইন। অভিযোগ মামলা হিসেবে গ্রহণ করেছে পুলিশ।
এই ঘটনায় আব্দুস সামাদ (৫৭) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তাকে গ্রেফতার করে। তবে তিনি কোন রাজনৈতিক দলের কর্মী কি না তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
মামলার বিষয়টি বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিশ্চিত করে আরএমপির উপ-কমিশনার গাজীউর রহমান জানান, রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা থানায় এসে অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। মামলায় ৫০ থেকে ৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
রাজপাড়া থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, আব্দুস সামাদকে সিটিটিভি পর্যবেক্ষণ করে নিশ্চিত হয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হবে। এ ছাড়াও অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে রামেবি অধ্যাপক জাওয়াদুল হকের পদত্যাগপত্রে জোর করে সই নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে উপাচার্যের একান্ত সচিব নাজমুল হোসাইনকেও পদত্যাগ করতে বাধা দেওয়া হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হক বলেন, রাজনৈতিক মদতপুষ্ট স্থানীয় ঠিকাদার ও বহিরাগত কিছু লোক হঠাৎ জোর আমার কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে। স্থানীয় ঠিকাদারদের বদলে ঢাকার ঠিকাদারদের কাজ দেওয়া হচ্ছে— এমন অভিযোগ তুলে তারা আমাকে ‘আওয়ামী লীগের দালাল’ আখ্যা দিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে তারা জোর করে একটি পদত্যাগপত্রে আমার সই নেয়। এরপর আমাকে বের করে দিয়ে কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

আপনার মতামত লিখুন