ঢাকা    শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
টিভি ২৬ নিউজ
নোটিশ
  • টিভি ২৬ নিউজ  সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।
সর্বশেষ

ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতালের সামনে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ


TV 26 NEWS ডেস্ক :
TV 26 NEWS ডেস্ক :
প্রকাশ ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | ১০:৪৮ পিএম
| প্রিন্ট সংস্করণ

ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতালের সামনে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ
হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ ক্ষুব্ধ স্বজন ও এলাকাবাসীর

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ছয় বছরের শিশু মোহাম্মদ আয়ানের ভুল চিকিৎসা ও চিকিৎসকদের অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পর স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা সাঙ্গু ট্রমা অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্সে শিশুটির লাশ রেখে বিক্ষোভ করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বটতলী রুস্তমহাট এলাকার সাঙ্গু ট্রমা অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল (পিএলসি) এলাকায় বিক্ষোভ চলতে দেখা যায়। এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটির মৃত্যুর অভিযোগ তুলে লাশ নিয়ে হাসপাতালে অবস্থান নেন স্বজনেরা।

নিহত আয়ান সাতকানিয়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ আরফাত ও বটতলী ইউনিয়নের দক্ষিণ চাপাতলী সাদেক আলী তালুকদারবাড়ির কুমকুম আক্তার দম্পতির একমাত্র ছেলে। পোশাকশ্রমিক কুমকুম আক্তার দীর্ঘদিন ধরে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের ভাষ্য, বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে একটি ব্যক্তিগত গাড়ির ধাক্কায় আয়ানের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। স্বজনেরা তাকে দ্রুত সাঙ্গু ট্রমা অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।

স্বজনদের অভিযোগ, দায়িত্বরত চিকিৎসক মোহাম্মদ আরমান প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে শিশুটিকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। রাত ১০টার দিকে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় স্বজনেরা আয়ানকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্বজনদের অভিযোগ, শিশুটির মৃত্যুর পর লাশ নিয়ে হাসপাতালে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চলে যান। আজ সকাল থেকে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা অভিযুক্ত চিকিৎসক ও দায়িত্বরত কর্মীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রতিবেশী মোহাম্মদ কাইয়ূম বলেন, ‘হাসপাতালের ডাক্তারের অবহেলার কারণে অবুঝ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ হাসপাতালে এমন ঘটনা নতুন নয়, প্রায়ই ঘটে। কিছুদিন আগেও ডাক্তারের অবহেলায় এক প্রসূতি ও বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। গতকাল রাতে আয়ানের মৃত্যুর পর লাশ নিয়ে আমরা হাসপাতালে আসার পরই চিকিৎসকেরা উল্টো হুমকি দিয়ে বলেন, সকালে এটির সমাধান করবেন। এরপরই তাঁরা হাসপাতালে তালা মেরে চলে গেছেন, এখনো পর্যন্ত আসেননি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্থানীয় বিভিন্ন প্রভাবশালী লোকদের দিয়েও ভয় দেখাচ্ছে আমাদের।’

সাঙ্গু ট্রমা অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘শিশুটি গাড়ি দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে এখানে আসে। সে নিজে পায়ে হেঁটে এসে চিকিৎসা নিয়ে হেঁটেই বাড়ি চলে গেছে। বাড়িতে তার অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেলে নেওয়া হয়, সেখানে মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর রোগীর স্বজনেরা লোকজন নিয়ে এসে আমাদের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে। এ টাকা না দেওয়ায় হাসপাতালের সামনে শিশুর লাশ রেখে হাসপাতালে আক্রমণ করে।’

মো. মিজানুর রহমানের দাবি, স্বজনেরা ক্ষিপ্ত হয়ে রাতে হাসপাতালে তালা মেরে দিয়েছেন এবং এখনো হাসপাতালের কোনো কর্মীকে ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছেন না। বিক্ষোভকারীরা একজন দায়িত্বরত চিকিৎসককে অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন; পরে পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে।

মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘দোষ দিলে দেবে গাড়ির চালককে। সেটা না করে টাকার জন্য আমার হাসপাতালকে দোষারোপ করছে। এলাকার মানুষের সেবার জন্য এই হাসপাতালটা দিয়ে ভুল করেছি। সেবা করার জন্য নিজ এলাকায় আসলাম, সেখানে বারবার হেনস্তা হতে হচ্ছে।’

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, হাসপাতালটি নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে এবং প্রাথমিকভাবে কার্যক্রম চালানোর অনুমতি পেয়েছে। ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ তদন্তে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জামশেদ গিয়াস উদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্য চিকিৎসক বিবি জয়নাব ও মো. বেলাল হোসেন।

মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, শিশু মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি জানার পর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিষয় : হাসপাতাল শিশু বিক্ষোভ সড়ক দুর্ঘটনা চিকিৎসা চট্টগ্রাম বিভাগ

আপনার মতামত লিখুন

টিভি ২৬ নিউজ

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতালের সামনে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ছয় বছরের শিশু মোহাম্মদ আয়ানের ভুল চিকিৎসা ও চিকিৎসকদের অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পর স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা সাঙ্গু ট্রমা অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্সে শিশুটির লাশ রেখে বিক্ষোভ করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বটতলী রুস্তমহাট এলাকার সাঙ্গু ট্রমা অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল (পিএলসি) এলাকায় বিক্ষোভ চলতে দেখা যায়। এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটির মৃত্যুর অভিযোগ তুলে লাশ নিয়ে হাসপাতালে অবস্থান নেন স্বজনেরা।

নিহত আয়ান সাতকানিয়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ আরফাত ও বটতলী ইউনিয়নের দক্ষিণ চাপাতলী সাদেক আলী তালুকদারবাড়ির কুমকুম আক্তার দম্পতির একমাত্র ছেলে। পোশাকশ্রমিক কুমকুম আক্তার দীর্ঘদিন ধরে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের ভাষ্য, বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে একটি ব্যক্তিগত গাড়ির ধাক্কায় আয়ানের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। স্বজনেরা তাকে দ্রুত সাঙ্গু ট্রমা অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।

স্বজনদের অভিযোগ, দায়িত্বরত চিকিৎসক মোহাম্মদ আরমান প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে শিশুটিকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। রাত ১০টার দিকে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় স্বজনেরা আয়ানকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্বজনদের অভিযোগ, শিশুটির মৃত্যুর পর লাশ নিয়ে হাসপাতালে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চলে যান। আজ সকাল থেকে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা অভিযুক্ত চিকিৎসক ও দায়িত্বরত কর্মীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রতিবেশী মোহাম্মদ কাইয়ূম বলেন, ‘হাসপাতালের ডাক্তারের অবহেলার কারণে অবুঝ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ হাসপাতালে এমন ঘটনা নতুন নয়, প্রায়ই ঘটে। কিছুদিন আগেও ডাক্তারের অবহেলায় এক প্রসূতি ও বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। গতকাল রাতে আয়ানের মৃত্যুর পর লাশ নিয়ে আমরা হাসপাতালে আসার পরই চিকিৎসকেরা উল্টো হুমকি দিয়ে বলেন, সকালে এটির সমাধান করবেন। এরপরই তাঁরা হাসপাতালে তালা মেরে চলে গেছেন, এখনো পর্যন্ত আসেননি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্থানীয় বিভিন্ন প্রভাবশালী লোকদের দিয়েও ভয় দেখাচ্ছে আমাদের।’

সাঙ্গু ট্রমা অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘শিশুটি গাড়ি দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে এখানে আসে। সে নিজে পায়ে হেঁটে এসে চিকিৎসা নিয়ে হেঁটেই বাড়ি চলে গেছে। বাড়িতে তার অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেলে নেওয়া হয়, সেখানে মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর রোগীর স্বজনেরা লোকজন নিয়ে এসে আমাদের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে। এ টাকা না দেওয়ায় হাসপাতালের সামনে শিশুর লাশ রেখে হাসপাতালে আক্রমণ করে।’

মো. মিজানুর রহমানের দাবি, স্বজনেরা ক্ষিপ্ত হয়ে রাতে হাসপাতালে তালা মেরে দিয়েছেন এবং এখনো হাসপাতালের কোনো কর্মীকে ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছেন না। বিক্ষোভকারীরা একজন দায়িত্বরত চিকিৎসককে অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন; পরে পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে।

মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘দোষ দিলে দেবে গাড়ির চালককে। সেটা না করে টাকার জন্য আমার হাসপাতালকে দোষারোপ করছে। এলাকার মানুষের সেবার জন্য এই হাসপাতালটা দিয়ে ভুল করেছি। সেবা করার জন্য নিজ এলাকায় আসলাম, সেখানে বারবার হেনস্তা হতে হচ্ছে।’

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, হাসপাতালটি নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে এবং প্রাথমিকভাবে কার্যক্রম চালানোর অনুমতি পেয়েছে। ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ তদন্তে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জামশেদ গিয়াস উদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্য চিকিৎসক বিবি জয়নাব ও মো. বেলাল হোসেন।

মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, শিশু মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি জানার পর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


টিভি ২৬ নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ~ ফোরকানুল হক (সাকিব)

কপিরাইট © ২০২৬ টিভি ২৬ নিউজ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত