সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানক্ষেত থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার এক বান্ধবীকে নিয়ে মায়ের উদ্বেগের বিষয়টি। মেয়ের বান্ধবীকে ভালো মনে না হওয়ায় প্রায় ছয় মাস তাকে স্কুলে যেতে দেননি বলে জানিয়েছেন তাজমিনের মা। মেয়ের চলাফেরা ও বন্ধুত্বের বিষয়ে সতর্ক থাকলেও শেষ পর্যন্ত মেয়েকে হারাতে হয়েছে তাকে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তাজমিনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তার আগেরদিন বিকেল ৪টার দিকে মেয়ের সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয় মায়ের। ওই সময়ও তিনি তাজমিনের কাছে তার বান্ধবীর নাম ও বাসার ঠিকানা জানতে চান। মেয়েকে বাসায় ফিরিয়ে আনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তোর বান্ধবীর নাম বল, বাসার ঠিকানা বল, বাসায় গিয়ে নিয়ে আসব।’ এরপর তাজমিনের সঙ্গে কী ঘটেছিল, কীভাবে সে লালমাইয়ের জগতপুর এলাকায় পৌঁছেছিল এবং তার সঙ্গে কারা ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।
তাজমিনের মা জানান, মেয়ের বান্ধবীকে নিয়ে আগে থেকেই তার সন্দেহ ছিল। এ কারণে প্রায় ছয় মাস মেয়েকে স্কুলে যেতে দেননি। মেয়েকে চোখে চোখে রাখার পাশাপাশি নিয়মিত তার খোঁজখবরও নিতেন তিনি। কিন্তু মায়ের সেই সতর্কতা ও উদ্বেগ কোনো কাজে আসেনি।
তবে যে বান্ধবীকে নিয়ে তাজমিনের মা আগে থেকেই উদ্বিগ্ন ছিলেন, তার সঙ্গে এই মৃত্যুর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তাজমিনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত করছে পুলিশ।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানক্ষেত থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার এক বান্ধবীকে নিয়ে মায়ের উদ্বেগের বিষয়টি। মেয়ের বান্ধবীকে ভালো মনে না হওয়ায় প্রায় ছয় মাস তাকে স্কুলে যেতে দেননি বলে জানিয়েছেন তাজমিনের মা। মেয়ের চলাফেরা ও বন্ধুত্বের বিষয়ে সতর্ক থাকলেও শেষ পর্যন্ত মেয়েকে হারাতে হয়েছে তাকে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তাজমিনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তার আগেরদিন বিকেল ৪টার দিকে মেয়ের সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয় মায়ের। ওই সময়ও তিনি তাজমিনের কাছে তার বান্ধবীর নাম ও বাসার ঠিকানা জানতে চান। মেয়েকে বাসায় ফিরিয়ে আনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তোর বান্ধবীর নাম বল, বাসার ঠিকানা বল, বাসায় গিয়ে নিয়ে আসব।’ এরপর তাজমিনের সঙ্গে কী ঘটেছিল, কীভাবে সে লালমাইয়ের জগতপুর এলাকায় পৌঁছেছিল এবং তার সঙ্গে কারা ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।
তাজমিনের মা জানান, মেয়ের বান্ধবীকে নিয়ে আগে থেকেই তার সন্দেহ ছিল। এ কারণে প্রায় ছয় মাস মেয়েকে স্কুলে যেতে দেননি। মেয়েকে চোখে চোখে রাখার পাশাপাশি নিয়মিত তার খোঁজখবরও নিতেন তিনি। কিন্তু মায়ের সেই সতর্কতা ও উদ্বেগ কোনো কাজে আসেনি।
তবে যে বান্ধবীকে নিয়ে তাজমিনের মা আগে থেকেই উদ্বিগ্ন ছিলেন, তার সঙ্গে এই মৃত্যুর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তাজমিনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত করছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন