সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের এরি শহরে এক বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে শিশুসহ অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে একটি বাড়ির বাইরে ও ভেতরে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এক রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে ঘরের ভেতর থেকে হামলাকারীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ওই বাসভবনের সামনে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর রাস্তার ওপর দুই নারীর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশকে জানান, এক ব্যক্তি বাইরে গুলি চালানোর পর অস্ত্র হাতে বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ে। এরপরই পুলিশের স্পেশাল ট্যাকটিক্যাল টিম দ্রুত পুরো বাড়িটি ঘিরে ফেলে।
কিছুক্ষণ পর ভেতর থেকে আরও গুলির শব্দ শুনতে পেয়ে পুলিশ ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে শিশুসহ আরও ৭ জনের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। একই সঙ্গে সন্দেহভাজন হামলাকারীর মৃতদেহও উদ্ধার করা হয়।
তদন্তকারীদের ধারণা, নিজের অস্ত্র দিয়ে গুলি চালিয়ে ওই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে।
এরি শহরের পুলিশপ্রধান রিক লোরাহ ঘটনাটিকে তার দেখা অন্যতম হৃদয়বিদারক দৃশ্য বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এতগুলো মানুষের প্রাণহানির ঘটনা সত্যিই খুব দুঃখজনক। তবে হামলাকারী মারা যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জন্য আর কোনো বিপদের আশঙ্কা নেই। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে এরি শহর কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ ট্র্যাজেডি’ আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে, আশু বিপদ কেটে গেছে। ঠিক কী কারণে ওই ব্যক্তি এমন হামলা চালিয়েছে, তা জানতে বিস্তারিত তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের এরি শহরে এক বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে শিশুসহ অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে একটি বাড়ির বাইরে ও ভেতরে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এক রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে ঘরের ভেতর থেকে হামলাকারীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ওই বাসভবনের সামনে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর রাস্তার ওপর দুই নারীর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশকে জানান, এক ব্যক্তি বাইরে গুলি চালানোর পর অস্ত্র হাতে বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ে। এরপরই পুলিশের স্পেশাল ট্যাকটিক্যাল টিম দ্রুত পুরো বাড়িটি ঘিরে ফেলে।
কিছুক্ষণ পর ভেতর থেকে আরও গুলির শব্দ শুনতে পেয়ে পুলিশ ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে শিশুসহ আরও ৭ জনের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। একই সঙ্গে সন্দেহভাজন হামলাকারীর মৃতদেহও উদ্ধার করা হয়।
তদন্তকারীদের ধারণা, নিজের অস্ত্র দিয়ে গুলি চালিয়ে ওই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে।
এরি শহরের পুলিশপ্রধান রিক লোরাহ ঘটনাটিকে তার দেখা অন্যতম হৃদয়বিদারক দৃশ্য বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এতগুলো মানুষের প্রাণহানির ঘটনা সত্যিই খুব দুঃখজনক। তবে হামলাকারী মারা যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জন্য আর কোনো বিপদের আশঙ্কা নেই। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে এরি শহর কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ ট্র্যাজেডি’ আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে, আশু বিপদ কেটে গেছে। ঠিক কী কারণে ওই ব্যক্তি এমন হামলা চালিয়েছে, তা জানতে বিস্তারিত তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন