ঢাকা    রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা    রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
টিভি ২৬ নিউজ
নোটিশ
  • টিভি ২৬ নিউজ  সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।
সর্বশেষ

‘আলিফ বাহিনীর’ পুঁতে রাখা ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও আড়াই শতাধিক গুলি উদ্ধার


TV 26 NEWS ডেস্ক :
TV 26 NEWS ডেস্ক :
প্রকাশ ১২ অক্টোবর ২০২৬ | ০৫:২৭ পিএম
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

‘আলিফ বাহিনীর’ পুঁতে রাখা ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও আড়াই শতাধিক গুলি উদ্ধার
সুন্দরবনে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র

সুন্দরবনের জলদস্যু ‘আলিফ বাহিনীর’ দুই গ্রুপের ১৫ সদস্যের আত্মসমর্পণের পর বনের বিভিন্ন স্থানে টানা অভিযান চালিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৬)। অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধারকৃত সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২৭৪ রাউন্ড তাজা গুলি, ২৩টি খালি কার্তুজ, ৭টি ওয়াকিটকি এবং ৬টি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট। এসব অস্ত্র ও সরঞ্জাম তিন-চার মাস আগে বনের বিভিন্ন স্থানে মাটি চাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আজ সোমবার খুলনায় এসআরবি-৬-এর সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির উপ-অধিনায়ক মেজর মো. নাজমুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সুন্দরবনের বনজীবী জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ২ মার্চ থেকে কোস্ট গার্ড, এসআরবি, স্থানীয় প্রশাসন, নৌ-পুলিশ ও বন বিভাগের যৌথ পরিচালনায় ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ শুরু হয়। যৌথ বাহিনীর টানা অভিযানের মুখে টিকতে না পেরে জলদস্যুরা আত্মসমর্পণের পথ বেছে নেয়।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ অক্টোবর সুন্দরবনের আড় পাঙ্গাসিয়া নদীসংলগ্ন এলাকা থেকে আলিফ বাহিনীর দুই গ্রুপের ১৫ জন সদস্য আত্মসমর্পণ করেন।

মেজর নাজমুল ইসলাম জানান, আত্মসমর্পণের সময় তাদের কাছে কোনো অস্ত্র ছিল না। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গভীর বনে দুই দিনব্যাপী উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। জলদস্যুরা বিভিন্ন স্থানে আলাদাভাবে এসব অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিল।

আত্মসমর্পণকারী জলদস্যুদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে জানিয়ে এসআরবি কর্মকর্তা বলেন, অনেক সদস্যই জানেন না তাদের বিরুদ্ধে কোথায় কী মামলা রয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে এবং আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি হবে।

একই সঙ্গে জলদস্যুদের কাছে অস্ত্র সরবরাহকারী, চাঁদা আদায়কারী ও সহযোগীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে সাতক্ষীরা, কয়রা, দাকোপ ও পটুয়াখালী অঞ্চলের অস্ত্র সরবরাহকারীদের নাম, মোবাইল নম্বর এবং লেনদেনের পদ্ধতিসংক্রান্ত নানা তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মেজর নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শুধু অপরাধ দমন করে না, কেউ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইলে তাকে সহায়তার হাতও বাড়িয়ে দেয়।’ তিনি বনের বাকি জলদস্যুদের অপরাধ ছেড়ে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান, অন্যথায় কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

বিষয় : জেলার খবর খুলনা সুন্দরবন গুলি আত্মসমর্পণ জলদস্যু আগ্নেয়াস্ত্র

আপনার মতামত লিখুন

টিভি ২৬ নিউজ

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


‘আলিফ বাহিনীর’ পুঁতে রাখা ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও আড়াই শতাধিক গুলি উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সুন্দরবনের জলদস্যু ‘আলিফ বাহিনীর’ দুই গ্রুপের ১৫ সদস্যের আত্মসমর্পণের পর বনের বিভিন্ন স্থানে টানা অভিযান চালিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৬)। অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধারকৃত সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২৭৪ রাউন্ড তাজা গুলি, ২৩টি খালি কার্তুজ, ৭টি ওয়াকিটকি এবং ৬টি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট। এসব অস্ত্র ও সরঞ্জাম তিন-চার মাস আগে বনের বিভিন্ন স্থানে মাটি চাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আজ সোমবার খুলনায় এসআরবি-৬-এর সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির উপ-অধিনায়ক মেজর মো. নাজমুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সুন্দরবনের বনজীবী জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ২ মার্চ থেকে কোস্ট গার্ড, এসআরবি, স্থানীয় প্রশাসন, নৌ-পুলিশ ও বন বিভাগের যৌথ পরিচালনায় ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ শুরু হয়। যৌথ বাহিনীর টানা অভিযানের মুখে টিকতে না পেরে জলদস্যুরা আত্মসমর্পণের পথ বেছে নেয়।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ অক্টোবর সুন্দরবনের আড় পাঙ্গাসিয়া নদীসংলগ্ন এলাকা থেকে আলিফ বাহিনীর দুই গ্রুপের ১৫ জন সদস্য আত্মসমর্পণ করেন।

মেজর নাজমুল ইসলাম জানান, আত্মসমর্পণের সময় তাদের কাছে কোনো অস্ত্র ছিল না। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গভীর বনে দুই দিনব্যাপী উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। জলদস্যুরা বিভিন্ন স্থানে আলাদাভাবে এসব অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিল।

আত্মসমর্পণকারী জলদস্যুদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে জানিয়ে এসআরবি কর্মকর্তা বলেন, অনেক সদস্যই জানেন না তাদের বিরুদ্ধে কোথায় কী মামলা রয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে এবং আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি হবে।

একই সঙ্গে জলদস্যুদের কাছে অস্ত্র সরবরাহকারী, চাঁদা আদায়কারী ও সহযোগীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে সাতক্ষীরা, কয়রা, দাকোপ ও পটুয়াখালী অঞ্চলের অস্ত্র সরবরাহকারীদের নাম, মোবাইল নম্বর এবং লেনদেনের পদ্ধতিসংক্রান্ত নানা তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মেজর নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শুধু অপরাধ দমন করে না, কেউ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইলে তাকে সহায়তার হাতও বাড়িয়ে দেয়।’ তিনি বনের বাকি জলদস্যুদের অপরাধ ছেড়ে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান, অন্যথায় কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।


টিভি ২৬ নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ~ ফোরকানুল হক (সাকিব)

কপিরাইট © ২০২৬ টিভি ২৬ নিউজ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত