সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। বাইরে থেকে দেখলে সাধারণ একটি বাড়ি, কিন্তু ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল নকল সার ও ভেজাল কীটনাশক তৈরির অবৈধ কারবার। অবশেষে ‘এসডি এগ্রোভেট’ নামের কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন মহাদেবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজ।
অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রামের ভেতরের একটি বিশাল বাড়িতে লোকচক্ষুর আড়ালে পরিচালিত হচ্ছিল এই অবৈধ কারবার। সেখানে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রয়োজনীয় মান নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপদ উৎপাদনব্যবস্থার তোয়াক্কা না করে তৈরি করা হতো ভেজাল জৈবসার এবং নকল কীটনাশক। কৃষকরা জমিতে ভালো ফলনের আশায় কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে এসব উপকরণ কিনে প্রতারণার শিকার হচ্ছিলেন। এসব ভেজাল উপকরণের কারণে ফসলের কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া তো দূরের কথা, উল্টো ফসলের ক্ষতি, আর্থিক লোকসান এবং মাটি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল।
অভিযান চলাকালে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে কারখানার মূল মালিক শাহীনূর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। তবে তার অনুপস্থিতিতেই ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেন। এ ছাড়া অবৈধ কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগে তার ছোট ভাই দেলোয়ার হোসেনকে আটক করে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান শেষে কারখানাটির সব কার্যক্রম বন্ধ করে সম্পূর্ণ সিলগালা করে দেওয়া হয়।
মহাদেবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজ বলেন, কৃষি উপকরণের নামে ভেজাল পণ্যের উৎপাদন ও বিপণন শুধু কৃষকের আর্থিক ক্ষতির কারণ নয়, এটি সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন, খাদ্যনিরাপত্তা এবং পরিবেশের জন্যও উদ্বেগজনক। কৃষকদের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করতে অবৈধ সার ও কীটনাশক উৎপাদন, মজুত এবং বাজারজাতের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
বাইরে থেকে দেখলে সাধারণ একটি বাড়ি, কিন্তু ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল নকল সার ও ভেজাল কীটনাশক তৈরির অবৈধ কারবার। অবশেষে ‘এসডি এগ্রোভেট’ নামের কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন মহাদেবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজ।
অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রামের ভেতরের একটি বিশাল বাড়িতে লোকচক্ষুর আড়ালে পরিচালিত হচ্ছিল এই অবৈধ কারবার। সেখানে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রয়োজনীয় মান নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপদ উৎপাদনব্যবস্থার তোয়াক্কা না করে তৈরি করা হতো ভেজাল জৈবসার এবং নকল কীটনাশক। কৃষকরা জমিতে ভালো ফলনের আশায় কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে এসব উপকরণ কিনে প্রতারণার শিকার হচ্ছিলেন। এসব ভেজাল উপকরণের কারণে ফসলের কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া তো দূরের কথা, উল্টো ফসলের ক্ষতি, আর্থিক লোকসান এবং মাটি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল।
অভিযান চলাকালে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে কারখানার মূল মালিক শাহীনূর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। তবে তার অনুপস্থিতিতেই ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেন। এ ছাড়া অবৈধ কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগে তার ছোট ভাই দেলোয়ার হোসেনকে আটক করে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান শেষে কারখানাটির সব কার্যক্রম বন্ধ করে সম্পূর্ণ সিলগালা করে দেওয়া হয়।
মহাদেবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজ বলেন, কৃষি উপকরণের নামে ভেজাল পণ্যের উৎপাদন ও বিপণন শুধু কৃষকের আর্থিক ক্ষতির কারণ নয়, এটি সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন, খাদ্যনিরাপত্তা এবং পরিবেশের জন্যও উদ্বেগজনক। কৃষকদের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করতে অবৈধ সার ও কীটনাশক উৎপাদন, মজুত এবং বাজারজাতের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন