সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। বিশ্ববাজারে সরবরাহের জন্য রাশিয়ার তেলবাহী প্রথম ট্যাংকার বন্দর ছেড়েছে বলে জানিয়েছে মস্কো। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজনৈতিক টক শো ‘সলোভিওভ লাইভ’-এ দেওয়া বক্তব্যে নোভাক বলেন, তেল বিক্রির ক্ষেত্রে রাশিয়ার কোনো সমস্যা নেই। বরং রুশ তেলের ক্রেতা হতে আগ্রহী অনেক দেশ।
তিনি বলেন, ‘আমি জানি, প্রথম ট্যাংকারটিতে ইতোমধ্যে তেল বোঝাই করা হয়েছে এবং সেটি ডিকসন বন্দর ছেড়ে গেছে।’ রাশিয়ার ক্রাসনোইয়ারস্ক অঞ্চলে কারা সাগরের উপকূলে অবস্থিত আর্কটিক অঞ্চলের একটি বন্দর ডিকসন।
গত ৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের পর ডিজেল সরবরাহসংক্রান্ত একটি চুক্তির কথা জানান। ওই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে সম্মত হয় মস্কো।
পুতিনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাজারে রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য উপকারী হবে। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ চুক্তির সমালোচনা করে সতর্ক করেন, রুশ ডিজেল রপ্তানিতে বিধিনিষেধ শিথিল করা হলে তা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধের অর্থায়নে সহায়তা করতে পারে।
নোভাকের ভাষ্য, বর্তমানে বিশ্ববাজারে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ থেকে ৬০ লাখ ব্যারেল তেলের ঘাটতি রয়েছে। এর ফলে তেলের দাম বেড়েছে।
তিনি বলেন, বাজার পরিস্থিতির সমাধান নিয়ে প্রত্যাশা থাকলেও তেলের দাম এখনো বেশি। হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দাম আরও বাড়বে।
নোভাক আরও বলেন, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে তেল সরবরাহের সুযোগ তৈরি হলে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে বাজারে ভারসাম্য ফিরে আসতে পারে। তাঁর মতে, বিশ্ববাজার স্থিতিশীল রাখতে তেলের মজুত ব্যবহারের সুযোগও ক্রমেই সীমিত হয়ে আসছে।
এদিকে, ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া’ পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিবেশী চীনে ৩ হাজার ৯০০ কোটি ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহের প্রত্যাশা করছে রাশিয়া। সরবরাহ সক্ষমতা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৪০০ কোটি ঘনমিটারে নেওয়ার বিষয়েও চুক্তি রয়েছে বলে জানান নোভাক।
ইউরোপে নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালুর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এখনো রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পাইপলাইনগুলো নিয়ে সিদ্ধান্তের ওপর বিষয়টি নির্ভর করছে।
নোভাক বলেন, বিস্ফোরণ ও কথিত সন্ত্রাসী হামলার কারণে চারটি পাইপলাইনের মধ্যে তিনটি বর্তমানে অচল। অন্য একটি লাইন অক্ষত রয়েছে এবং সেটির মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ক্রেতাদের সিদ্ধান্তই গুরুত্বপূর্ণ।
বিষয় : রাশিয়া তেলের ট্যাংকার

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্ববাজারে সরবরাহের জন্য রাশিয়ার তেলবাহী প্রথম ট্যাংকার বন্দর ছেড়েছে বলে জানিয়েছে মস্কো। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজনৈতিক টক শো ‘সলোভিওভ লাইভ’-এ দেওয়া বক্তব্যে নোভাক বলেন, তেল বিক্রির ক্ষেত্রে রাশিয়ার কোনো সমস্যা নেই। বরং রুশ তেলের ক্রেতা হতে আগ্রহী অনেক দেশ।
তিনি বলেন, ‘আমি জানি, প্রথম ট্যাংকারটিতে ইতোমধ্যে তেল বোঝাই করা হয়েছে এবং সেটি ডিকসন বন্দর ছেড়ে গেছে।’ রাশিয়ার ক্রাসনোইয়ারস্ক অঞ্চলে কারা সাগরের উপকূলে অবস্থিত আর্কটিক অঞ্চলের একটি বন্দর ডিকসন।
গত ৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের পর ডিজেল সরবরাহসংক্রান্ত একটি চুক্তির কথা জানান। ওই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে সম্মত হয় মস্কো।
পুতিনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাজারে রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য উপকারী হবে। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ চুক্তির সমালোচনা করে সতর্ক করেন, রুশ ডিজেল রপ্তানিতে বিধিনিষেধ শিথিল করা হলে তা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধের অর্থায়নে সহায়তা করতে পারে।
নোভাকের ভাষ্য, বর্তমানে বিশ্ববাজারে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ থেকে ৬০ লাখ ব্যারেল তেলের ঘাটতি রয়েছে। এর ফলে তেলের দাম বেড়েছে।
তিনি বলেন, বাজার পরিস্থিতির সমাধান নিয়ে প্রত্যাশা থাকলেও তেলের দাম এখনো বেশি। হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দাম আরও বাড়বে।
নোভাক আরও বলেন, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে তেল সরবরাহের সুযোগ তৈরি হলে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে বাজারে ভারসাম্য ফিরে আসতে পারে। তাঁর মতে, বিশ্ববাজার স্থিতিশীল রাখতে তেলের মজুত ব্যবহারের সুযোগও ক্রমেই সীমিত হয়ে আসছে।
এদিকে, ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া’ পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিবেশী চীনে ৩ হাজার ৯০০ কোটি ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহের প্রত্যাশা করছে রাশিয়া। সরবরাহ সক্ষমতা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৪০০ কোটি ঘনমিটারে নেওয়ার বিষয়েও চুক্তি রয়েছে বলে জানান নোভাক।
ইউরোপে নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালুর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এখনো রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পাইপলাইনগুলো নিয়ে সিদ্ধান্তের ওপর বিষয়টি নির্ভর করছে।
নোভাক বলেন, বিস্ফোরণ ও কথিত সন্ত্রাসী হামলার কারণে চারটি পাইপলাইনের মধ্যে তিনটি বর্তমানে অচল। অন্য একটি লাইন অক্ষত রয়েছে এবং সেটির মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ক্রেতাদের সিদ্ধান্তই গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন