ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
টিভি ২৬ নিউজ
নোটিশ
  • টিভি ২৬ নিউজ  সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

নেত্রকোনায় নারীকে মারধরের অভিযোগে আবারও যুবদল নেতাকে বহিষ্কার


TV 26 NEWS ডেস্ক :
TV 26 NEWS ডেস্ক :
প্রকাশ ২১ অক্টোবর ২০২৬ | ০৩:২৯ পিএম
| প্রিন্ট সংস্করণ

নেত্রকোনায় নারীকে মারধরের অভিযোগে আবারও যুবদল নেতাকে বহিষ্কার
মোজাম্মেল হকছবি: সংগৃহীত

নেত্রকোনার বারহাট্টায় এবার এক নারীকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হককে (সোহেল) দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় যুবদলের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।

এর আগে মা–বাবাকে মারধরের অভিযোগে দল থেকে মোজাম্মেল হককে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। মোজাম্মেল হক উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে।

গতকাল সন্ধ্যায় যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মোজাম্মেল হককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে মোজাম্মেল হক সোহেলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে নেত্রকোনা–২ (সদর–বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল হক বারহাট্টায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান। এ সময় উপজেলা সদরের কোর্ট রোডে গুহিয়ালা এলাকার মৃত অচিন্ত্য চন্দ্র দাসের স্ত্রী অর্চনা রানী দাস তাঁর পায়ে পড়ে কান্নাকাটি করেন। এ ঘটনার ২ মিনিট ২৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে দেখা যায়, ওই নারী কান্না করতে করতে মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করছেন। এ সময় সংসদ সদস্যের সঙ্গে থাকা কয়েকজন তাঁকে সেখানে অভিযোগ জানাতে নিষেধ করেন। তবে সংসদ সদস্য তাঁর কথা শুনতে চান। পরে ওই নারী জানান, তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের বিরোধের জেরে তাঁকে মারধর করা হয়েছে।

এর আগে জমি লিখে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মা–বাবাকে মারধরের অভিযোগে গত ৪ জুলাই মোজাম্মেল হককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে মা–বাবাকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে সুপারিশ করার পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ জুলাই তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

এবারের অভিযোগের বিষয়ে মোজাম্মেল হক সোহেল বলেন, ‘আমি প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার। আগেরবারও প্রতিপক্ষ আমাকে ফাঁসিয়েছিল। আমি মা–বাবার একমাত্র ছেলে। জমি লিখে নেওয়ার জন্য তাঁদের মারধর করার প্রয়োজন নেই। তাঁদের সবকিছুই তো আমার। আমার বাবা ক্যানসারে আক্রান্ত এবং নিয়মিত কেমোথেরাপি নিচ্ছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে মা–বাবা নিজের অজান্তে হয়তো কিছু বলেছেন, যা প্রতিপক্ষ বাড়িয়ে প্রচার করেছে।’

অর্চনা রানী দাসের অভিযোগের বিষয়ে মোজাম্মেল হক বলেন, ‘সাত বছর আগে অর্চনা রানীর ভাবিকে এক লাখ টাকা ধার দিয়েছিলাম। সেই টাকা ফেরত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁদের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয়েছে। পরে প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁকে প্ররোচিত করে এমপির কাছে নিয়ে গিয়ে মারধরের মিথ্যা অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন। পুরো অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।’

বিষয় : নারী যুবদল নেত্রকোনা অভিযোগ ময়মনসিংহ বিভাগ মারধর

আপনার মতামত লিখুন

টিভি ২৬ নিউজ

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬


নেত্রকোনায় নারীকে মারধরের অভিযোগে আবারও যুবদল নেতাকে বহিষ্কার

প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নেত্রকোনার বারহাট্টায় এবার এক নারীকে মারধরের অভিযোগে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হককে (সোহেল) দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় যুবদলের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।

এর আগে মা–বাবাকে মারধরের অভিযোগে দল থেকে মোজাম্মেল হককে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। মোজাম্মেল হক উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে।

গতকাল সন্ধ্যায় যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মোজাম্মেল হককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে মোজাম্মেল হক সোহেলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে নেত্রকোনা–২ (সদর–বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল হক বারহাট্টায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান। এ সময় উপজেলা সদরের কোর্ট রোডে গুহিয়ালা এলাকার মৃত অচিন্ত্য চন্দ্র দাসের স্ত্রী অর্চনা রানী দাস তাঁর পায়ে পড়ে কান্নাকাটি করেন। এ ঘটনার ২ মিনিট ২৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে দেখা যায়, ওই নারী কান্না করতে করতে মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করছেন। এ সময় সংসদ সদস্যের সঙ্গে থাকা কয়েকজন তাঁকে সেখানে অভিযোগ জানাতে নিষেধ করেন। তবে সংসদ সদস্য তাঁর কথা শুনতে চান। পরে ওই নারী জানান, তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের বিরোধের জেরে তাঁকে মারধর করা হয়েছে।

এর আগে জমি লিখে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মা–বাবাকে মারধরের অভিযোগে গত ৪ জুলাই মোজাম্মেল হককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে মা–বাবাকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে সুপারিশ করার পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ জুলাই তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

এবারের অভিযোগের বিষয়ে মোজাম্মেল হক সোহেল বলেন, ‘আমি প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার। আগেরবারও প্রতিপক্ষ আমাকে ফাঁসিয়েছিল। আমি মা–বাবার একমাত্র ছেলে। জমি লিখে নেওয়ার জন্য তাঁদের মারধর করার প্রয়োজন নেই। তাঁদের সবকিছুই তো আমার। আমার বাবা ক্যানসারে আক্রান্ত এবং নিয়মিত কেমোথেরাপি নিচ্ছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে মা–বাবা নিজের অজান্তে হয়তো কিছু বলেছেন, যা প্রতিপক্ষ বাড়িয়ে প্রচার করেছে।’

অর্চনা রানী দাসের অভিযোগের বিষয়ে মোজাম্মেল হক বলেন, ‘সাত বছর আগে অর্চনা রানীর ভাবিকে এক লাখ টাকা ধার দিয়েছিলাম। সেই টাকা ফেরত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁদের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয়েছে। পরে প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁকে প্ররোচিত করে এমপির কাছে নিয়ে গিয়ে মারধরের মিথ্যা অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন। পুরো অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।’


টিভি ২৬ নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ~ ফোরকানুল হক (সাকিব)

কপিরাইট © ২০২৬ টিভি ২৬ নিউজ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত