সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। মানিকগঞ্জের শিবালয়ে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ৪ লাখ ৩০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ১২০টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা সব জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। এ ছাড়া অভিযানে জব্দ করা ২৭ কেজি ইলিশ মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ও গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে পাটুরিয়া নৌ-থানা পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পৃথক দুটি অভিযান চালানো হয়।
পাটুরিয়া নৌ-থানা ও শিবালয় উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের যৌথ অভিযানে অন্বয়পুর, আরিচা, তেওতা ও আলোকদিয়া এলাকার যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, ১২০টি চায়না দুয়ারি জাল ও ৭ কেজি ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগীর উপস্থিতিতে জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অন্যদিকে, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল ইসলাম মনিরের নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে তেওতা, জাফরগঞ্জ, চরশিবালয় ও আলোকদিয়ার চর এলাকায় ৮০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। এসব জালের আনুমানিক মূল্য ২৮ লাখ টাকা। এ সময় আরও ২০ কেজি ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দ করা জাল নদীর তীরে জনসমক্ষে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। উদ্ধার করা ইলিশ স্থানীয় একটি এতিমখানা ও নদীতীরবর্তী দুস্থ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
অভিযানে জেলা মৎস্য দপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগীসহ মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও নৌ-থানা পুলিশের সদস্যরা অভিযানে সহায়তা করেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল ইসলাম মনির বলেন, দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে অবৈধভাবে মাছ আহরণের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিষয় : ঢাকা বিভাগ জেলার খবর মানিকগঞ্জ ইলিশ শিবালয়

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
মানিকগঞ্জের শিবালয়ে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ৪ লাখ ৩০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ১২০টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা সব জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। এ ছাড়া অভিযানে জব্দ করা ২৭ কেজি ইলিশ মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ও গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে পাটুরিয়া নৌ-থানা পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পৃথক দুটি অভিযান চালানো হয়।
পাটুরিয়া নৌ-থানা ও শিবালয় উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের যৌথ অভিযানে অন্বয়পুর, আরিচা, তেওতা ও আলোকদিয়া এলাকার যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, ১২০টি চায়না দুয়ারি জাল ও ৭ কেজি ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগীর উপস্থিতিতে জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অন্যদিকে, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল ইসলাম মনিরের নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে তেওতা, জাফরগঞ্জ, চরশিবালয় ও আলোকদিয়ার চর এলাকায় ৮০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। এসব জালের আনুমানিক মূল্য ২৮ লাখ টাকা। এ সময় আরও ২০ কেজি ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দ করা জাল নদীর তীরে জনসমক্ষে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। উদ্ধার করা ইলিশ স্থানীয় একটি এতিমখানা ও নদীতীরবর্তী দুস্থ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
অভিযানে জেলা মৎস্য দপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগীসহ মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও নৌ-থানা পুলিশের সদস্যরা অভিযানে সহায়তা করেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল ইসলাম মনির বলেন, দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে অবৈধভাবে মাছ আহরণের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন