সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। নারায়গঞ্জের ফতুল্লায় স্ত্রী ও ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় হারেজ (৫১) নামে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হারেজ ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার গুলহরি (দুর্গাপুর) এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভোলাইল গেদ্দার বাজার এলাকায় শাহ আলমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ বলেন, পারিবারিক কলজের জের ধরে ২০২০ সালের ৮ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ১টায় হারেজ তার ছেলে সোহাগ (১৬) ও স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে (৩৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। এতে তারা নিহত হন। এ ঘটনায় ফতুল্লা থানা পুলিশ হারেজকে আটক করে।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে নিহত মনোয়ারা বেগমের মেয়ে বিথি (১৩) ও তার বড় ভাই মজিবুর রহমান ওরফে মজিদ অভিযোগ দায়ের করেন। সেই সঙ্গে ২০২০ সালের ৯ জুলাই ফতুল্লা থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়। সেই মামলায় আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করেছেন।
বিষয় : মৃত্যুদণ্ড হত্যা যাবজ্জীবন

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
নারায়গঞ্জের ফতুল্লায় স্ত্রী ও ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় হারেজ (৫১) নামে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হারেজ ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার গুলহরি (দুর্গাপুর) এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভোলাইল গেদ্দার বাজার এলাকায় শাহ আলমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ বলেন, পারিবারিক কলজের জের ধরে ২০২০ সালের ৮ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ১টায় হারেজ তার ছেলে সোহাগ (১৬) ও স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে (৩৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। এতে তারা নিহত হন। এ ঘটনায় ফতুল্লা থানা পুলিশ হারেজকে আটক করে।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে নিহত মনোয়ারা বেগমের মেয়ে বিথি (১৩) ও তার বড় ভাই মজিবুর রহমান ওরফে মজিদ অভিযোগ দায়ের করেন। সেই সঙ্গে ২০২০ সালের ৯ জুলাই ফতুল্লা থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়। সেই মামলায় আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন