সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সংগঠনটির দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের স্বাধীনতা চত্বর এলাকায় এ সংঘর্ষে ইটপাটকেলের আঘাতে অন্তত পাঁচজন আহত হন।
আহতরা হলেন—হোসেন মিয়া (৪০), জুয়েল মিয়া (৩০), রাব্বী মিয়া (২৫), রাশেদুল ইসলাম রাশেদ (২৫) এবং শহিদুল খাঁ (৩০)। তাঁদের সবাইকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় জেলা বিএনপির সদস্য কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার অনুসারী হিসেবে পরিচিত নবগঠিত কসবা উপজেলা ছাত্রদল কমিটির সভাপতি সিরাজুল হক ইমু ও সাধারণ সম্পাদক শিমুল মিয়া এবং নবগঠিত পৌর কমিটির সভাপতি এনামুল হক আপেল ও সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদের নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল বের করা হয়।
একই সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের অনুসারী ছাত্রদলের অপর একটি অংশ নতুন কমিটিকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে পাল্টা প্রতিবাদ মিছিল বের করে। এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন মো. হোসেন, শহীদুল খাঁ ও জুয়েল।
উভয় পক্ষের মিছিল দুটি স্বাধীনতা চত্বরের সামনে মুখোমুখি হলে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয় এবং তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপে পাঁচজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মো. রাশেদ জানান, কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে ছাত্রদলের দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছিল। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। বর্তমানে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সংগঠনটির দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের স্বাধীনতা চত্বর এলাকায় এ সংঘর্ষে ইটপাটকেলের আঘাতে অন্তত পাঁচজন আহত হন।
আহতরা হলেন—হোসেন মিয়া (৪০), জুয়েল মিয়া (৩০), রাব্বী মিয়া (২৫), রাশেদুল ইসলাম রাশেদ (২৫) এবং শহিদুল খাঁ (৩০)। তাঁদের সবাইকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় জেলা বিএনপির সদস্য কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার অনুসারী হিসেবে পরিচিত নবগঠিত কসবা উপজেলা ছাত্রদল কমিটির সভাপতি সিরাজুল হক ইমু ও সাধারণ সম্পাদক শিমুল মিয়া এবং নবগঠিত পৌর কমিটির সভাপতি এনামুল হক আপেল ও সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদের নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল বের করা হয়।
একই সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের অনুসারী ছাত্রদলের অপর একটি অংশ নতুন কমিটিকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে পাল্টা প্রতিবাদ মিছিল বের করে। এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন মো. হোসেন, শহীদুল খাঁ ও জুয়েল।
উভয় পক্ষের মিছিল দুটি স্বাধীনতা চত্বরের সামনে মুখোমুখি হলে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয় এবং তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপে পাঁচজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মো. রাশেদ জানান, কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে ছাত্রদলের দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছিল। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। বর্তমানে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

আপনার মতামত লিখুন