সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। সুন্দরবনের দুবলার চরের আলোরকোল সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের দুই দিনেও পর্যটকের সন্ধান মেলেনি। শনিবার (৭ নভেম্বর) তার সন্ধানে সাগর ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে কোস্টগার্ড ও বনবিভাগ।
নিখোঁজ পর্যটক হলেন, মো. রিয়াজ আহমেদ (২৮)। তিনি ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার কাঠালী পশ্চিমপাড়ার আবুল বাষার ঢালীর ছেলে। গত শুক্রবার দুপুরে দিকে গোসল করতে নেমে তিনি সাগরের প্রবল ঢেউ ও স্রোতের টানে তলিয়ে যান।
বনবিভাগ জানায়, ওই পর্যটক ‘সুন্দরবন ইকোট্যুরিজম-২’ নামের একটি কাঠের তৈরি ছোট পর্যটকবাহী লঞ্চে সুন্দরবনে বেড়াতে এসেছিলেন। গত বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলী স্টেশন থেকে তিন দিনের অনুমতিপত্র (পাস) নিয়ে মান্দারবাড়ী নৌপথ দিয়ে লঞ্চটি সুন্দরবনে প্রবেশ করে। এতে ১৯ জন পর্যটক ছিলেন। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দুপুরে লঞ্চটি দুবলার চরের আলোরকোলে পৌঁছায়। পরে পর্যটকেরা ট্রলারে করে চরে নামেন। সেখানে সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নামার একপর্যায়ে সাগরের ঢেউ ও স্রোতের টানে রিয়াজ নিখোঁজ হন।
ঘটনার পরপরই আলোরকোল শুঁটকি পল্লির জেলেরা ট্রলার নিয়ে সাগরে তল্লাশি শুরু করেন। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড ও বন বিভাগের সদস্যরাও উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন। একপর্যায়ে রাতে সাগরে প্রচণ্ড ঢেউ ও অন্ধকার নেমে আসায় উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হয়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
আলোরকোল শুঁটকি পল্লির রামপাল জেলে সমিতির সভাপতি মোতাসিম ফরাজী ও সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির শেখ জানান, নীলকমলের দিক থেকে পর্যটকবাহী একটি লঞ্চ এসে আলোরকোলের কাছাকাছি সাগরে নোঙর করে। পরে পর্যটকেরা ট্রলারে করে চরে নামেন। তাদের মধ্যে তিনজন সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে সাঁতার কাটছিলেন। ঢেউয়ের তালে উচ্ছ্বাস প্রকাশের একপর্যায়ে তাদের একজন সাগরে তলিয়ে যান। বিষয়টি দেখতে পেয়ে শুঁটকি পল্লির জেলেরা দ্রুত ট্রলার নিয়ে তল্লাশি শুরু করেন। তবে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের (মোংলা) মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম বলেন, পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোস্টগার্ডের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। নিখোঁজ পর্যটককে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে সুন্দরবন বিভাগের দুবলা জেলে পল্লী টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ ফরেস্ট রেঞ্জার মো. খলিলুর রহমান জানান, নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধানে কোস্টগার্ডের পাশাপাশি বন বিভাগের সদস্যরাও বিভিন্ন এলাকায় টহল ও অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। উদ্ধার অভিযান চালানো হলেও এখন পর্যন্ত তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বিষয় : পর্যটক নিখোঁজ দুবলার চর উদ্ধার অভিযান

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
সুন্দরবনের দুবলার চরের আলোরকোল সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের দুই দিনেও পর্যটকের সন্ধান মেলেনি। শনিবার (৭ নভেম্বর) তার সন্ধানে সাগর ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে কোস্টগার্ড ও বনবিভাগ।
নিখোঁজ পর্যটক হলেন, মো. রিয়াজ আহমেদ (২৮)। তিনি ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার কাঠালী পশ্চিমপাড়ার আবুল বাষার ঢালীর ছেলে। গত শুক্রবার দুপুরে দিকে গোসল করতে নেমে তিনি সাগরের প্রবল ঢেউ ও স্রোতের টানে তলিয়ে যান।
বনবিভাগ জানায়, ওই পর্যটক ‘সুন্দরবন ইকোট্যুরিজম-২’ নামের একটি কাঠের তৈরি ছোট পর্যটকবাহী লঞ্চে সুন্দরবনে বেড়াতে এসেছিলেন। গত বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলী স্টেশন থেকে তিন দিনের অনুমতিপত্র (পাস) নিয়ে মান্দারবাড়ী নৌপথ দিয়ে লঞ্চটি সুন্দরবনে প্রবেশ করে। এতে ১৯ জন পর্যটক ছিলেন। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দুপুরে লঞ্চটি দুবলার চরের আলোরকোলে পৌঁছায়। পরে পর্যটকেরা ট্রলারে করে চরে নামেন। সেখানে সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নামার একপর্যায়ে সাগরের ঢেউ ও স্রোতের টানে রিয়াজ নিখোঁজ হন।
ঘটনার পরপরই আলোরকোল শুঁটকি পল্লির জেলেরা ট্রলার নিয়ে সাগরে তল্লাশি শুরু করেন। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড ও বন বিভাগের সদস্যরাও উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন। একপর্যায়ে রাতে সাগরে প্রচণ্ড ঢেউ ও অন্ধকার নেমে আসায় উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হয়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
আলোরকোল শুঁটকি পল্লির রামপাল জেলে সমিতির সভাপতি মোতাসিম ফরাজী ও সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির শেখ জানান, নীলকমলের দিক থেকে পর্যটকবাহী একটি লঞ্চ এসে আলোরকোলের কাছাকাছি সাগরে নোঙর করে। পরে পর্যটকেরা ট্রলারে করে চরে নামেন। তাদের মধ্যে তিনজন সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে সাঁতার কাটছিলেন। ঢেউয়ের তালে উচ্ছ্বাস প্রকাশের একপর্যায়ে তাদের একজন সাগরে তলিয়ে যান। বিষয়টি দেখতে পেয়ে শুঁটকি পল্লির জেলেরা দ্রুত ট্রলার নিয়ে তল্লাশি শুরু করেন। তবে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের (মোংলা) মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম বলেন, পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোস্টগার্ডের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। নিখোঁজ পর্যটককে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে সুন্দরবন বিভাগের দুবলা জেলে পল্লী টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ ফরেস্ট রেঞ্জার মো. খলিলুর রহমান জানান, নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধানে কোস্টগার্ডের পাশাপাশি বন বিভাগের সদস্যরাও বিভিন্ন এলাকায় টহল ও অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। উদ্ধার অভিযান চালানো হলেও এখন পর্যন্ত তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন