সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় এক বাক্প্রতিবন্ধী তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী বর্তমানে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগীর মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এ একটি মামলা করেছেন।
মামলায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর এলাহি ইউনিয়নের চর যাত্রা গ্রামের মোস্তফার ছেলে মো. ইউছুফকে (২৫) প্রধান আসামি করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগীর মা জাহানারা বেগম একজন হতদরিদ্র ও বিধবা নারী। তার এক মেয়ে বাক্ ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ভিক্ষাবৃত্তি ও অন্যের বাড়িতে কাজ করার সময় প্রতিবন্ধী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে যেতেন মাঝে মাঝে। গত বছরের ১০ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে অভিযুক্ত ইউছুফ ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক মন্ডলিয়া বাজারের দক্ষিণ-পূর্ব কোণের একটি সুপারি বাগানে নিয়ে যান। পরে বাক্প্রতিবন্ধী তরুণীর মুখে গামছা চেপে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ঘটনা কাউকে জানালে ভুক্তভোগী ও তার মাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন তিনি।
কয়েকদিন আগে মেয়েটির মা মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন দেখে স্থানীয় ফার্মেসিতে নিয়ে যান। পরবর্তী সময়ে মাইজদীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে আল্ট্রাসোনোগ্রাম করলে ২৮ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে চিকিৎসকেরা জানান।
নোয়াখালী জজ আদালতের আইনজীবী মোহাম্মদ শামসুল আলম শাফি জানান, ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী ও হতদরিদ্র হওয়ায় বিষয়টি সামাজিকভাবে নিষ্পত্তির চেষ্টা করেন তারা। ভুক্তভোগী পরিবারের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে স্থানীয় একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিল।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় এক বাক্প্রতিবন্ধী তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী বর্তমানে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগীর মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এ একটি মামলা করেছেন।
মামলায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর এলাহি ইউনিয়নের চর যাত্রা গ্রামের মোস্তফার ছেলে মো. ইউছুফকে (২৫) প্রধান আসামি করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগীর মা জাহানারা বেগম একজন হতদরিদ্র ও বিধবা নারী। তার এক মেয়ে বাক্ ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ভিক্ষাবৃত্তি ও অন্যের বাড়িতে কাজ করার সময় প্রতিবন্ধী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে যেতেন মাঝে মাঝে। গত বছরের ১০ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে অভিযুক্ত ইউছুফ ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক মন্ডলিয়া বাজারের দক্ষিণ-পূর্ব কোণের একটি সুপারি বাগানে নিয়ে যান। পরে বাক্প্রতিবন্ধী তরুণীর মুখে গামছা চেপে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ঘটনা কাউকে জানালে ভুক্তভোগী ও তার মাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন তিনি।
কয়েকদিন আগে মেয়েটির মা মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন দেখে স্থানীয় ফার্মেসিতে নিয়ে যান। পরবর্তী সময়ে মাইজদীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে আল্ট্রাসোনোগ্রাম করলে ২৮ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে চিকিৎসকেরা জানান।
নোয়াখালী জজ আদালতের আইনজীবী মোহাম্মদ শামসুল আলম শাফি জানান, ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী ও হতদরিদ্র হওয়ায় বিষয়টি সামাজিকভাবে নিষ্পত্তির চেষ্টা করেন তারা। ভুক্তভোগী পরিবারের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে স্থানীয় একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন