সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি ও নির্লজ্জ সীমাহীন দলীয়করণের অভিযোগ তুলে তা বন্ধের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সংগঠনটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম মজলিসে শুরার দ্বিতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ দাবি জানানো হয়। নগরীর বিআইএ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি হয়।
এসময় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করাসহ আনোয়ারা-বাঁশখালী হয়ে মহাসড়কটি দ্রুত বাস্তবায়ন এবং খুন, গুম, ধর্ষণ, চাঁদাবাজিসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দাবিও জানানো হয়। সেই সঙ্গে দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের নির্লজ্জ দলীয়করণ জনগণকে অতিষ্ঠ করে তুলছে। দলীয় সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজি ও প্রশাসনের দুর্নীতিতে জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দলীয় লোকদের দায়িত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠানকে দলীয় অফিস বানিয়ে ফেলছে। একদিকে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করছে ও অন্যদিকে প্রতিহিংসার রাজনীতি চর্চার মাধ্যমে জনগণের ক্ষতিসাধন করছে। অতীতে ফ্যাসিস্ট সরকার এভাবে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করে জনবিচ্ছিন্ন হয়েছিল। বর্তমান সরকার পতিত স্বৈরশাসকের অধঃপতন থেকে শিক্ষা না নিয়ে বরং তাদের পথেই হাঁটছে। তাই সরকারকে অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে এসব দলবাজি পরিহার করে জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
আনোয়ারুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘চট্টগ্রামসহ সারাদেশে সরকার দলীয় কর্মীদের নৈরাজ্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে। সরকার দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করবে না কি নিজেদের কর্মীদের ভাগ্য পরিবর্তন করবে, সেটা সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে তারা নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়াল মেরেছে। সরকারকে দলীয়করণ বা প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে জনগণের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হকের সঞ্চালনায় অধিবেশনে আরও বক্তব্য দেন নায়েবে আমির অধ্যাপক মুহাম্মদ নুরুল্লাহ, ড. হেলাল উদ্দীন মুহাম্মদ নোমান, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম, মুহাম্মদ জাকারিয়া, অ্যাডভোকেট আবু নাছের, সাংগঠনিক সেক্রেটারি অধ্যাপক মাহমুদুল হাছান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মাওলানা নুরুল হোছাইন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ড. মাওলানা আবুল আফিফ, মাওলানা কামাল উদ্দীন, মাওলানা আবুল ফয়েজ, নুরুল হক, অধ্যক্ষ ইসমাইল হক্কানী, ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল মোস্তফা, আরিফুর রশীদসহ মজলিসে শুরার সদস্যরা।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি ও নির্লজ্জ সীমাহীন দলীয়করণের অভিযোগ তুলে তা বন্ধের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সংগঠনটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম মজলিসে শুরার দ্বিতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ দাবি জানানো হয়। নগরীর বিআইএ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি হয়।
এসময় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করাসহ আনোয়ারা-বাঁশখালী হয়ে মহাসড়কটি দ্রুত বাস্তবায়ন এবং খুন, গুম, ধর্ষণ, চাঁদাবাজিসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দাবিও জানানো হয়। সেই সঙ্গে দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের নির্লজ্জ দলীয়করণ জনগণকে অতিষ্ঠ করে তুলছে। দলীয় সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজি ও প্রশাসনের দুর্নীতিতে জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দলীয় লোকদের দায়িত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠানকে দলীয় অফিস বানিয়ে ফেলছে। একদিকে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করছে ও অন্যদিকে প্রতিহিংসার রাজনীতি চর্চার মাধ্যমে জনগণের ক্ষতিসাধন করছে। অতীতে ফ্যাসিস্ট সরকার এভাবে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করে জনবিচ্ছিন্ন হয়েছিল। বর্তমান সরকার পতিত স্বৈরশাসকের অধঃপতন থেকে শিক্ষা না নিয়ে বরং তাদের পথেই হাঁটছে। তাই সরকারকে অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে এসব দলবাজি পরিহার করে জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
আনোয়ারুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘চট্টগ্রামসহ সারাদেশে সরকার দলীয় কর্মীদের নৈরাজ্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে। সরকার দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করবে না কি নিজেদের কর্মীদের ভাগ্য পরিবর্তন করবে, সেটা সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে তারা নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়াল মেরেছে। সরকারকে দলীয়করণ বা প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে জনগণের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হকের সঞ্চালনায় অধিবেশনে আরও বক্তব্য দেন নায়েবে আমির অধ্যাপক মুহাম্মদ নুরুল্লাহ, ড. হেলাল উদ্দীন মুহাম্মদ নোমান, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম, মুহাম্মদ জাকারিয়া, অ্যাডভোকেট আবু নাছের, সাংগঠনিক সেক্রেটারি অধ্যাপক মাহমুদুল হাছান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মাওলানা নুরুল হোছাইন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ড. মাওলানা আবুল আফিফ, মাওলানা কামাল উদ্দীন, মাওলানা আবুল ফয়েজ, নুরুল হক, অধ্যক্ষ ইসমাইল হক্কানী, ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল মোস্তফা, আরিফুর রশীদসহ মজলিসে শুরার সদস্যরা।

আপনার মতামত লিখুন