সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। কক্সবাজারের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত তিনটি ব্যাগ থেকে ৪ লাখ ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে ৩৪ বিজিবি (কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন)।
রোববার ভোরে তুমব্রু বিওপির দায়িত্বপূর্ণ পশ্চিমকুল রুহুলের দোকান-কাটাপাহাড় সীমান্ত সংলগ্ন নয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবার চালানটি উদ্ধার করা হয়।
এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা ইয়াবার চালান ফেলে রেখে মিয়ানমার সীমান্তে পালিয়ে যায়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এলাকা কাটাপাহাড় দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হতে পারে—এমন গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৩৪ বিজিবির অধিনায়কের নির্দেশনায় তুমব্রু বিওপির একটি বিশেষ টহল দল গত ৩ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে সীমান্তরেখা থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়াপাড়া এলাকায় অবস্থান নেয়।
পরবর্তীতে ৪ অক্টোবর ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে নাইট ভিশন ও আধুনিক থার্মাল ইমেজারের সাহায্যে সীমান্ত এলাকায় ৫-৬ জন চোরাকারবারীর সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্ত করে বিজিবি। কৌশলগত অবস্থান থেকে বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া করলে চোরাকারবারীরা তাদের কাছে থাকা লুঙ্গিতে মোড়ানো তিনটি ব্যাগ ফেলে রেখে রাতের আঁধার ও নালা-ডোবার পানি ব্যবহার করে দ্রুত মিয়ানমারের অভ্যন্তরে আত্মগোপন করে।
পরে টহল দল ঘটনাস্থলে নিবিড় তল্লাশি চালিয়ে তিনটি ব্যাগ উদ্ধার করে। ব্যাগগুলো থেকে সর্বমোট ৪ লাখ ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিছিদ্র করার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনো প্রকার মাদক ও অবৈধ পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য বিজিবির টহল ও নজরদারি আরো জোরদার করা হয়েছে।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত তিনটি ব্যাগ থেকে ৪ লাখ ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে ৩৪ বিজিবি (কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন)।
রোববার ভোরে তুমব্রু বিওপির দায়িত্বপূর্ণ পশ্চিমকুল রুহুলের দোকান-কাটাপাহাড় সীমান্ত সংলগ্ন নয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবার চালানটি উদ্ধার করা হয়।
এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা ইয়াবার চালান ফেলে রেখে মিয়ানমার সীমান্তে পালিয়ে যায়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এলাকা কাটাপাহাড় দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হতে পারে—এমন গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৩৪ বিজিবির অধিনায়কের নির্দেশনায় তুমব্রু বিওপির একটি বিশেষ টহল দল গত ৩ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে সীমান্তরেখা থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়াপাড়া এলাকায় অবস্থান নেয়।
পরবর্তীতে ৪ অক্টোবর ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে নাইট ভিশন ও আধুনিক থার্মাল ইমেজারের সাহায্যে সীমান্ত এলাকায় ৫-৬ জন চোরাকারবারীর সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্ত করে বিজিবি। কৌশলগত অবস্থান থেকে বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া করলে চোরাকারবারীরা তাদের কাছে থাকা লুঙ্গিতে মোড়ানো তিনটি ব্যাগ ফেলে রেখে রাতের আঁধার ও নালা-ডোবার পানি ব্যবহার করে দ্রুত মিয়ানমারের অভ্যন্তরে আত্মগোপন করে।
পরে টহল দল ঘটনাস্থলে নিবিড় তল্লাশি চালিয়ে তিনটি ব্যাগ উদ্ধার করে। ব্যাগগুলো থেকে সর্বমোট ৪ লাখ ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিছিদ্র করার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনো প্রকার মাদক ও অবৈধ পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য বিজিবির টহল ও নজরদারি আরো জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন