সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানার এসআই মো. ফারুক শেখের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি, অসদাচরণ ও মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের ফিরোজ মিয়া গতকাল বুধবার মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়, গোপীনাথপুর ইউনিয়নের বিট পুলিশ কর্মকর্তা এসআই ফারুক শেখ তাকে এবং তার ভাড়াটিয়া দোকানদার ইমন হোসেনকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছেন। স্থানীয় সাইদুল ইসলাম আকন্দের সঙ্গে যোগসাজশ করে তার ওয়ারিশকৃত জমিতে থাকা দোকান উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর এসআই ফারুক দোকান ভেঙে দেওয়ার জন্য চাপ দেন এবং তা না করলে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর ইমনের মুদি দোকানে গিয়ে এসআই ফারুক মালপত্র বের করে দেন। এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ফিরোজ মিয়া বলেন, বিভিন্ন সময়ে এসআই ফারুক আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে দোকান ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। পুলিশি ক্ষমতার ব্যবহার করে এবং আদালতের নির্দেশনার বাইরে গিয়ে আমাকে হয়রানি করা হয়েছে।
গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এসআই ফারুকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে অসন্তোষ আছে। গোপীনাথপুর মধ্যপাড়া গ্রামের আবুল কালাম বলেন, গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে পথে এসআই ফরুক তার মোটরসাইকেলটি আটকান। পরে তাকে দুই হাজার টাকা দিতে হয়।
গোপীনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মোল্লা লাভলু বলেন, ফিরোজ ও সাইদুল আকন্দ আত্মীয়। মামলা চলমান থাকায় আদালতের সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বিরোধপূর্ণ জায়গায় কেউ যেন অনধিকার প্রবেশ না করে, সে বিষয়ে থানার কর্মকর্তাদের বলা হয়েছিল।
অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই মো. ফারুক শেখ বলেন, অন্যের সম্পত্তিতে আমি তালা মারব কেন? তারাই তালা দিয়েছে। ওই দোকানে একটি সাইনবোর্ড ছিল, পরে কে যেন সেটি খুলে ফেলে। ওসি সাহেব বলেছেন, মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত দোকানে তালা মারা থাকবে।
জানা গেছে, বিরোধপূর্ণ ওই জায়গার আদালতের নিষেধাজ্ঞা এবং দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়টি এএসআই মাসুদ ও এএসআই মো. মোরশেদ আলম দেখছেন। এএসআই মাসুদ বলেন, এসআই ফারুক কেন বা কার নির্দেশে সেখানে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে তিনি বলতে পারবেন না।
লিখিত অভিযোগের বিষয়ে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মহরম আলী বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিষয় : মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার এসআই

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানার এসআই মো. ফারুক শেখের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি, অসদাচরণ ও মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের ফিরোজ মিয়া গতকাল বুধবার মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়, গোপীনাথপুর ইউনিয়নের বিট পুলিশ কর্মকর্তা এসআই ফারুক শেখ তাকে এবং তার ভাড়াটিয়া দোকানদার ইমন হোসেনকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছেন। স্থানীয় সাইদুল ইসলাম আকন্দের সঙ্গে যোগসাজশ করে তার ওয়ারিশকৃত জমিতে থাকা দোকান উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর এসআই ফারুক দোকান ভেঙে দেওয়ার জন্য চাপ দেন এবং তা না করলে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর ইমনের মুদি দোকানে গিয়ে এসআই ফারুক মালপত্র বের করে দেন। এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ফিরোজ মিয়া বলেন, বিভিন্ন সময়ে এসআই ফারুক আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে দোকান ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। পুলিশি ক্ষমতার ব্যবহার করে এবং আদালতের নির্দেশনার বাইরে গিয়ে আমাকে হয়রানি করা হয়েছে।
গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এসআই ফারুকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে অসন্তোষ আছে। গোপীনাথপুর মধ্যপাড়া গ্রামের আবুল কালাম বলেন, গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে পথে এসআই ফরুক তার মোটরসাইকেলটি আটকান। পরে তাকে দুই হাজার টাকা দিতে হয়।
গোপীনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মোল্লা লাভলু বলেন, ফিরোজ ও সাইদুল আকন্দ আত্মীয়। মামলা চলমান থাকায় আদালতের সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বিরোধপূর্ণ জায়গায় কেউ যেন অনধিকার প্রবেশ না করে, সে বিষয়ে থানার কর্মকর্তাদের বলা হয়েছিল।
অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই মো. ফারুক শেখ বলেন, অন্যের সম্পত্তিতে আমি তালা মারব কেন? তারাই তালা দিয়েছে। ওই দোকানে একটি সাইনবোর্ড ছিল, পরে কে যেন সেটি খুলে ফেলে। ওসি সাহেব বলেছেন, মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত দোকানে তালা মারা থাকবে।
জানা গেছে, বিরোধপূর্ণ ওই জায়গার আদালতের নিষেধাজ্ঞা এবং দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়টি এএসআই মাসুদ ও এএসআই মো. মোরশেদ আলম দেখছেন। এএসআই মাসুদ বলেন, এসআই ফারুক কেন বা কার নির্দেশে সেখানে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে তিনি বলতে পারবেন না।
লিখিত অভিযোগের বিষয়ে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মহরম আলী বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন