সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। পাহাড়ি সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য ৪০ হাজার সেট ইউনিফর্ম তৈরিতে ১ কোটি ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা লেনদেনের তথ্য পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এ অর্থের উৎস গোপন ও লেনদেনের প্রকৃত উদ্দেশ্য আড়াল করার অভিযোগে কেএনএফ প্রধান নাথান বমসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মামলায় নাথান বম (৪৯) ছাড়াও আসামি করা হয়েছে মংহলাসিন মারমা (৩৮), নিয়াজ হায়দার (৩৯), মো. গোলাম আজম (৪৭), সাহেদুল ইসলাম (২৭), মোহাম্মদ কামরুজ্জামান (৫৮), জামালুল ইসলাম (৪৫), মো. তৌহিদুল ইসলাম (৩৮) ও মো. মতিউর রহমানকে (৪৩)।
সিআইডি জানায়, ২০২৫ সালের ১৮ মে রাত আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) একটি দল বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন মোজাফফরনগর আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে কেএনএফের পোশাক প্রস্তুতের সঙ্গে জড়িত একজনকে আটক করে। তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে হালিশহর থানাধীন ছোটপুল এলাকার দুটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে আরও দুজনকে আটক করা হয়।
আটকদের দেওয়া তথ্য যাচাই করে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন একটি গুদাম ও একটি গার্মেন্টস কারখানায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে চার রঙের মোট ২০ হাজার ৩০০ সেট কেএনএফের ইউনিফর্ম উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় বায়েজিদ বোস্তামী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। পরবর্তী সময়ে কেএনএফের ইউনিফর্ম তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সিআইডি।
সংস্থাটির অনুসন্ধানে কেএনএফের ৪০ হাজার সেট ইউনিফর্ম তৈরির কাপড় সরবরাহ ও সেলাইয়ের কাজ বাবদ মোট ১ কোটি ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়।
সিআইডির অভিযোগ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি সৃষ্টিকারী ওই সংগঠনের কার্যক্রমে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে ইউনিফর্ম তৈরিতে অর্থের হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে অর্থের প্রকৃত উৎস গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করা হয়েছে।
সিআইডি জানিয়েছে, মামলাটির তদন্তে কেএনএফের কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য অর্থের উৎস ও প্রবাহ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ও অন্যান্য আর্থিক লেনদেন, অর্থ প্রদানের প্রকৃত উদ্দেশ্য এবং এই আর্থিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত অন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা শনাক্তে তদন্ত চলছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
পাহাড়ি সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য ৪০ হাজার সেট ইউনিফর্ম তৈরিতে ১ কোটি ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা লেনদেনের তথ্য পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এ অর্থের উৎস গোপন ও লেনদেনের প্রকৃত উদ্দেশ্য আড়াল করার অভিযোগে কেএনএফ প্রধান নাথান বমসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মামলায় নাথান বম (৪৯) ছাড়াও আসামি করা হয়েছে মংহলাসিন মারমা (৩৮), নিয়াজ হায়দার (৩৯), মো. গোলাম আজম (৪৭), সাহেদুল ইসলাম (২৭), মোহাম্মদ কামরুজ্জামান (৫৮), জামালুল ইসলাম (৪৫), মো. তৌহিদুল ইসলাম (৩৮) ও মো. মতিউর রহমানকে (৪৩)।
সিআইডি জানায়, ২০২৫ সালের ১৮ মে রাত আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) একটি দল বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন মোজাফফরনগর আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে কেএনএফের পোশাক প্রস্তুতের সঙ্গে জড়িত একজনকে আটক করে। তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে হালিশহর থানাধীন ছোটপুল এলাকার দুটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে আরও দুজনকে আটক করা হয়।
আটকদের দেওয়া তথ্য যাচাই করে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন একটি গুদাম ও একটি গার্মেন্টস কারখানায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে চার রঙের মোট ২০ হাজার ৩০০ সেট কেএনএফের ইউনিফর্ম উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় বায়েজিদ বোস্তামী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। পরবর্তী সময়ে কেএনএফের ইউনিফর্ম তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সিআইডি।
সংস্থাটির অনুসন্ধানে কেএনএফের ৪০ হাজার সেট ইউনিফর্ম তৈরির কাপড় সরবরাহ ও সেলাইয়ের কাজ বাবদ মোট ১ কোটি ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়।
সিআইডির অভিযোগ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি সৃষ্টিকারী ওই সংগঠনের কার্যক্রমে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে ইউনিফর্ম তৈরিতে অর্থের হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে অর্থের প্রকৃত উৎস গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করা হয়েছে।
সিআইডি জানিয়েছে, মামলাটির তদন্তে কেএনএফের কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য অর্থের উৎস ও প্রবাহ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ও অন্যান্য আর্থিক লেনদেন, অর্থ প্রদানের প্রকৃত উদ্দেশ্য এবং এই আর্থিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত অন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা শনাক্তে তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন