সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। পটুয়াখালীর দশমিনায় মা ইলিশ সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনেই তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরায় তিন জেলেকে আটক করেছে প্রশাসন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে জরিমানা করেছেন।
গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে তেঁতুলিয়া নদীর চরহাদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় মাছ ধরার জাল ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আবদুর রহিম হাওলাদারের ছেলে হাবিব হাওলাদার (৫৪), মৃত কাঞ্চন আলীর ছেলে মাহবুব খাঁ (৫২) ও আহমেদ হাওলাদারের ছেলে খোকন হাওলাদার।
উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দপ্তর ও নৌ পুলিশ ফাঁড়ির যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধার আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মৎস্য সংরক্ষণ আইনে প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে জরিমানা করেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক, উপজেলা মৎস্য উপসহকারী আমিনুল ইসলাম ও নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলী হোসেনসহ নৌ পুলিশের সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা, আহরণ, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার সময় তিন জেলেকে আটক করা হয়। তাদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে জরিমানা করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। মা ইলিশ সংরক্ষণে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিষয় : জেলার খবর পটুয়াখালী বরিশাল বিভাগ নিষেধাজ্ঞা ইলিশ

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
পটুয়াখালীর দশমিনায় মা ইলিশ সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনেই তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরায় তিন জেলেকে আটক করেছে প্রশাসন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে জরিমানা করেছেন।
গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে তেঁতুলিয়া নদীর চরহাদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় মাছ ধরার জাল ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আবদুর রহিম হাওলাদারের ছেলে হাবিব হাওলাদার (৫৪), মৃত কাঞ্চন আলীর ছেলে মাহবুব খাঁ (৫২) ও আহমেদ হাওলাদারের ছেলে খোকন হাওলাদার।
উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দপ্তর ও নৌ পুলিশ ফাঁড়ির যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধার আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মৎস্য সংরক্ষণ আইনে প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে জরিমানা করেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক, উপজেলা মৎস্য উপসহকারী আমিনুল ইসলাম ও নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলী হোসেনসহ নৌ পুলিশের সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা, আহরণ, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার সময় তিন জেলেকে আটক করা হয়। তাদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে জরিমানা করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। মা ইলিশ সংরক্ষণে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন