সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে ইঙ্গিত করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, অটোরিকশা চালকদের দাবি মেনে নেওয়ার পক্ষে সাফাই গাওয়া সেই নেতারই ৭০০টি অটোরিকশা রয়েছে। তবে এই বক্তব্যকে কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন আখ্যায়িত করে এর পক্ষে প্রমাণ চেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। একইসঙ্গে প্রমাণ উপস্থাপনে ব্যর্থ হলে বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনসমক্ষে দুঃখ প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছে দলটি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এ কথা জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন কর্তৃক একটি রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেলের ৭০০টি অটোরিকশা থাকার বিষয়ে প্রদত্ত বক্তব্যের প্রতি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। শুক্রবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে তার এ বক্তব্যের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। এ ধরনের কাল্পনিক, অসত্য, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য পরিবেশনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ডিএনসিসি প্রশাসকের কাছ থেকে জনগণ দায়িত্বশীল, তথ্যনির্ভর ও শালীন বক্তব্য প্রত্যাশা করে। কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাকে ইঙ্গিত করে তার ব্যক্তিগত মালিকানায় ৭০০টি অটোরিকশা থাকার মতো গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করার আগে এর সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা অপরিহার্য। অথচ এ ধরনের বক্তব্যের পক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ জনসমক্ষে উপস্থাপন না করে মন্তব্য করা দায়িত্বশীল আচরণের পরিচায়ক নয়।
তিনি আরও বলেন, অটোরিকশা চলাচল, যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং চালকদের জীবিকাসংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো বাস্তবতা ও জনস্বার্থের আলোকে বিবেচনা করা প্রয়োজন। এসব বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্য বা অবস্থানকে খণ্ডন করতে হলে যুক্তি, তথ্য ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের মাধ্যমে তা করা উচিত; কোনো নেতার বিরুদ্ধে প্রমাণহীন অভিযোগ তুলে নয়।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, আমরা ডিএনসিসি প্রশাসককে তার বক্তব্যের সপক্ষে সুনির্দিষ্ট ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ জনসমক্ষে উপস্থাপন করার আহ্বান জানাচ্ছি। যদি প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনসমক্ষে দুঃখ প্রকাশ করার দাবি জানাচ্ছি।
এর আগে, গত ৫ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা–কুষ্টিয়া অভিমুখে অনুষ্ঠিত লংমার্চ উপলক্ষে ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির প্রস্তুতি সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছিলেন, অটোরিকশা চালকদের যে দাবি, আমি মনে করি সরকারের এসব দাবি মেনে নেওয়া উচিত এবং দেশের জন্য অস্থিতিশীল পরিস্থিতি হয়, কেউ উসকানি দিতে সুযোগ পায়—এমন পরিস্থিতি আমাদের কারোরই সৃষ্টি করা উচিত নয়।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে ইঙ্গিত করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, অটোরিকশা চালকদের দাবি মেনে নেওয়ার পক্ষে সাফাই গাওয়া সেই নেতারই ৭০০টি অটোরিকশা রয়েছে। তবে এই বক্তব্যকে কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন আখ্যায়িত করে এর পক্ষে প্রমাণ চেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। একইসঙ্গে প্রমাণ উপস্থাপনে ব্যর্থ হলে বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনসমক্ষে দুঃখ প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছে দলটি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এ কথা জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন কর্তৃক একটি রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেলের ৭০০টি অটোরিকশা থাকার বিষয়ে প্রদত্ত বক্তব্যের প্রতি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। শুক্রবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে তার এ বক্তব্যের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। এ ধরনের কাল্পনিক, অসত্য, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য পরিবেশনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ডিএনসিসি প্রশাসকের কাছ থেকে জনগণ দায়িত্বশীল, তথ্যনির্ভর ও শালীন বক্তব্য প্রত্যাশা করে। কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাকে ইঙ্গিত করে তার ব্যক্তিগত মালিকানায় ৭০০টি অটোরিকশা থাকার মতো গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করার আগে এর সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা অপরিহার্য। অথচ এ ধরনের বক্তব্যের পক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ জনসমক্ষে উপস্থাপন না করে মন্তব্য করা দায়িত্বশীল আচরণের পরিচায়ক নয়।
তিনি আরও বলেন, অটোরিকশা চলাচল, যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং চালকদের জীবিকাসংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো বাস্তবতা ও জনস্বার্থের আলোকে বিবেচনা করা প্রয়োজন। এসব বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্য বা অবস্থানকে খণ্ডন করতে হলে যুক্তি, তথ্য ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের মাধ্যমে তা করা উচিত; কোনো নেতার বিরুদ্ধে প্রমাণহীন অভিযোগ তুলে নয়।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, আমরা ডিএনসিসি প্রশাসককে তার বক্তব্যের সপক্ষে সুনির্দিষ্ট ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ জনসমক্ষে উপস্থাপন করার আহ্বান জানাচ্ছি। যদি প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনসমক্ষে দুঃখ প্রকাশ করার দাবি জানাচ্ছি।
এর আগে, গত ৫ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা–কুষ্টিয়া অভিমুখে অনুষ্ঠিত লংমার্চ উপলক্ষে ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির প্রস্তুতি সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছিলেন, অটোরিকশা চালকদের যে দাবি, আমি মনে করি সরকারের এসব দাবি মেনে নেওয়া উচিত এবং দেশের জন্য অস্থিতিশীল পরিস্থিতি হয়, কেউ উসকানি দিতে সুযোগ পায়—এমন পরিস্থিতি আমাদের কারোরই সৃষ্টি করা উচিত নয়।

আপনার মতামত লিখুন