সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। মুখের ত্বকের যত্নে নিয়মিত নানা প্রসাধনী ব্যবহার করলেও ঠোঁটের পরিচর্যায় অনেকেই তেমন গুরুত্ব দেন না। অথচ শুষ্কতা, ফাটাভাব ও কালচে ছোপ ঠোঁটের স্বাভাবিক সৌন্দর্য অনেকটাই ম্লান করে দিতে পারে। বিশেষ করে উৎসবের সাজে সুন্দর লিপস্টিক লাগানোর আগে ঠোঁট নরম ও মসৃণ রাখা জরুরি। শুধু লিপ বাম ব্যবহার করলেই সব সময় সমস্যার সমাধান হয় না। প্রয়োজন নিয়মিত ও সঠিক পরিচর্যা।
১. ঠোঁট পরিষ্কার রাখুন
দিনের শেষে মুখের মেকআপ পরিষ্কার করার সময় ঠোঁটের দিকেও নজর দিন। লিপস্টিক বা লিপ টিন্ট ব্যবহার করলে তা মৃদুভাবে তুলে ফেলুন। ঠোঁটের ত্বক সংবেদনশীল হওয়ায় জোরে ঘষাঘষি করবেন না। পরিষ্কারের পর ঠোঁটে ময়েশ্চারাইজিং লিপ বাম লাগিয়ে নিন।
২. ব্যবহার করুন লিপ মাস্ক
ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখতে লিপ মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে পাওয়া লিপ মাস্কের পাশাপাশি সুগন্ধি বা জ্বালাপোড়া সৃষ্টিকারী উপাদানমুক্ত সাধারণ ময়েশ্চারাইজারও কাজে আসতে পারে। ঠোঁটের ত্বক নরম রাখতে এমন পণ্য বেছে নিন, যা আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। নতুন কোনও উপাদান ব্যবহারের আগে অল্প জায়গায় পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।
৩. ঠোঁটের যত্নে এড়িয়ে চলুন অতিরিক্ত ঘষাঘষি
ঠোঁটের ওপর জমে থাকা শুষ্ক চামড়া তুলে ফেলতে অনেকে চিনি দিয়ে স্ক্রাব করেন। কিন্তু ঠোঁট ফাটা বা সংবেদনশীল থাকলে স্ক্রাব করলে জ্বালা ও ক্ষত আরও বাড়তে পারে। তাই জোরে ঘষে মৃত কোষ তোলার চেষ্টা করবেন না। বরং নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করে ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখুন।
৪. ময়েশ্চারাইজিং উপাদান বেছে নিন
ঠোঁটের শুষ্কতা কমাতে পেট্রোলিয়াম জেলি, শিয়া বাটার বা উপযোগী তেলযুক্ত লিপ বাম ব্যবহার করুন। প্রয়োজন অনুযায়ী দিনে কয়েকবার এবং ঘুমানোর আগে লাগান। ঠোঁট বারবার জিভ দিয়ে ভেজানো এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে শুষ্কতা আরও বাড়ে।
৫. রোদ থেকে ঠোঁটকে সুরক্ষা দিন
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ঠোঁটের রং কালো হতে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর সময় এসপিএফযুক্ত লিপ বাম ব্যবহার করুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আবার লাগান। ঠোঁটে কালচে ছোপ দীর্ঘদিন থাকলে, হঠাৎ রং বদলে গেলে কিংবা ব্যথা বা ক্ষত দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ঠোঁটের যত্নে কয়েকটি সতর্কতা
ঠোঁটে হলুদ-দুধের মিশ্রণ, লেবু কিংবা অন্য ঘরোয়া উপাদান লাগালেই কালচে ভাব দূর হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। বরং কিছু উপাদান সংবেদনশীল ত্বকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে। একইভাবে ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তরল সরাসরি ঠোঁটে লাগানোও সবার জন্য উপযোগী নয়।
নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, আর্দ্রতা বজায় রাখা এবং রোদ থেকে সুরক্ষা এই কয়েকটি অভ্যাসই ঠোঁটের পরিচর্যার মূল ভিত্তি। উৎসবের আগে হঠাৎ নানা পদ্ধতি প্রয়োগ না করে আগে থেকেই যত্ন শুরু করলে ঠোঁট থাকবে আরামদায়ক ও মসৃণ।
বিষয় : রূপচর্চা

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
মুখের ত্বকের যত্নে নিয়মিত নানা প্রসাধনী ব্যবহার করলেও ঠোঁটের পরিচর্যায় অনেকেই তেমন গুরুত্ব দেন না। অথচ শুষ্কতা, ফাটাভাব ও কালচে ছোপ ঠোঁটের স্বাভাবিক সৌন্দর্য অনেকটাই ম্লান করে দিতে পারে। বিশেষ করে উৎসবের সাজে সুন্দর লিপস্টিক লাগানোর আগে ঠোঁট নরম ও মসৃণ রাখা জরুরি। শুধু লিপ বাম ব্যবহার করলেই সব সময় সমস্যার সমাধান হয় না। প্রয়োজন নিয়মিত ও সঠিক পরিচর্যা।
১. ঠোঁট পরিষ্কার রাখুন
দিনের শেষে মুখের মেকআপ পরিষ্কার করার সময় ঠোঁটের দিকেও নজর দিন। লিপস্টিক বা লিপ টিন্ট ব্যবহার করলে তা মৃদুভাবে তুলে ফেলুন। ঠোঁটের ত্বক সংবেদনশীল হওয়ায় জোরে ঘষাঘষি করবেন না। পরিষ্কারের পর ঠোঁটে ময়েশ্চারাইজিং লিপ বাম লাগিয়ে নিন।
২. ব্যবহার করুন লিপ মাস্ক
ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখতে লিপ মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে পাওয়া লিপ মাস্কের পাশাপাশি সুগন্ধি বা জ্বালাপোড়া সৃষ্টিকারী উপাদানমুক্ত সাধারণ ময়েশ্চারাইজারও কাজে আসতে পারে। ঠোঁটের ত্বক নরম রাখতে এমন পণ্য বেছে নিন, যা আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। নতুন কোনও উপাদান ব্যবহারের আগে অল্প জায়গায় পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।
৩. ঠোঁটের যত্নে এড়িয়ে চলুন অতিরিক্ত ঘষাঘষি
ঠোঁটের ওপর জমে থাকা শুষ্ক চামড়া তুলে ফেলতে অনেকে চিনি দিয়ে স্ক্রাব করেন। কিন্তু ঠোঁট ফাটা বা সংবেদনশীল থাকলে স্ক্রাব করলে জ্বালা ও ক্ষত আরও বাড়তে পারে। তাই জোরে ঘষে মৃত কোষ তোলার চেষ্টা করবেন না। বরং নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করে ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখুন।
৪. ময়েশ্চারাইজিং উপাদান বেছে নিন
ঠোঁটের শুষ্কতা কমাতে পেট্রোলিয়াম জেলি, শিয়া বাটার বা উপযোগী তেলযুক্ত লিপ বাম ব্যবহার করুন। প্রয়োজন অনুযায়ী দিনে কয়েকবার এবং ঘুমানোর আগে লাগান। ঠোঁট বারবার জিভ দিয়ে ভেজানো এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে শুষ্কতা আরও বাড়ে।
৫. রোদ থেকে ঠোঁটকে সুরক্ষা দিন
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ঠোঁটের রং কালো হতে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর সময় এসপিএফযুক্ত লিপ বাম ব্যবহার করুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আবার লাগান। ঠোঁটে কালচে ছোপ দীর্ঘদিন থাকলে, হঠাৎ রং বদলে গেলে কিংবা ব্যথা বা ক্ষত দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ঠোঁটের যত্নে কয়েকটি সতর্কতা
ঠোঁটে হলুদ-দুধের মিশ্রণ, লেবু কিংবা অন্য ঘরোয়া উপাদান লাগালেই কালচে ভাব দূর হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। বরং কিছু উপাদান সংবেদনশীল ত্বকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে। একইভাবে ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তরল সরাসরি ঠোঁটে লাগানোও সবার জন্য উপযোগী নয়।
নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, আর্দ্রতা বজায় রাখা এবং রোদ থেকে সুরক্ষা এই কয়েকটি অভ্যাসই ঠোঁটের পরিচর্যার মূল ভিত্তি। উৎসবের আগে হঠাৎ নানা পদ্ধতি প্রয়োগ না করে আগে থেকেই যত্ন শুরু করলে ঠোঁট থাকবে আরামদায়ক ও মসৃণ।

আপনার মতামত লিখুন