সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ইরানকে চীন বা রাশিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে সহায়তা করছে বলে বিশ্বাস করেন না যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মতে, তেহরানকে সহযোগিতা করতে গেলে মস্কো ও বেইজিংকে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে।
সোমবার গভীর রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক সমালোচক ও বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, চীন ও রাশিয়া ইরানকে সমর্থন দিচ্ছে। তবে এ অভিযোগের সঙ্গে একমত নন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, চীন ও রাশিয়া যদি ইরানকে সহায়তা করেও থাকে, তবে তা খুবই সামান্য। তবে এমন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না। তার যুক্তি, ইরানকে সহযোগিতা করলে দেশ দুটির অনেক কিছু হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। সত্যিই তারা সহায়তা করলে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত তা জানতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের এই বক্তব্য সামনে এলো। এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, ইরান ইস্যুতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছেন। গত মাসে শি চিনপিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় বেইজিং তেহরানকে কোনো সহায়তা করবে না বলে আশ্বাস দিয়েছিল বলেও জানিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন কর্মকর্তারা।
তবে মস্কো ও বেইজিংয়ের সঙ্গে তেহরানের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের সমালোচনা করে বেইজিং একে ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছে।
এদিকে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চীনের সহায়তায় আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল বিক্রি করছে ইরান। পাশাপাশি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর স্যাটেলাইট তথ্য ব্যবহারের বিষয়েও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তবে এসব দাবি আগেও প্রত্যাখ্যান করেছেন ট্রাম্প।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
ইরানকে চীন বা রাশিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে সহায়তা করছে বলে বিশ্বাস করেন না যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মতে, তেহরানকে সহযোগিতা করতে গেলে মস্কো ও বেইজিংকে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে।
সোমবার গভীর রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক সমালোচক ও বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, চীন ও রাশিয়া ইরানকে সমর্থন দিচ্ছে। তবে এ অভিযোগের সঙ্গে একমত নন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, চীন ও রাশিয়া যদি ইরানকে সহায়তা করেও থাকে, তবে তা খুবই সামান্য। তবে এমন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না। তার যুক্তি, ইরানকে সহযোগিতা করলে দেশ দুটির অনেক কিছু হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। সত্যিই তারা সহায়তা করলে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত তা জানতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের এই বক্তব্য সামনে এলো। এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, ইরান ইস্যুতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছেন। গত মাসে শি চিনপিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় বেইজিং তেহরানকে কোনো সহায়তা করবে না বলে আশ্বাস দিয়েছিল বলেও জানিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন কর্মকর্তারা।
তবে মস্কো ও বেইজিংয়ের সঙ্গে তেহরানের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের সমালোচনা করে বেইজিং একে ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছে।
এদিকে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চীনের সহায়তায় আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল বিক্রি করছে ইরান। পাশাপাশি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর স্যাটেলাইট তথ্য ব্যবহারের বিষয়েও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তবে এসব দাবি আগেও প্রত্যাখ্যান করেছেন ট্রাম্প।

আপনার মতামত লিখুন