সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। পুরান ঢাকার চক মোগলটুলী সড়কের মুনসুর খাঁন প্লাজায় লাগা আগুন দীর্ঘ সময় পর নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনও ‘হিট’ বা তাপ রয়েছে। এছাড়া রয়েছে স্বাভাবিক বায়ু স্বল্পতাও। এজন্য কাউকে ভবনে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছেনা বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
সংস্থার ফাইটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগুন নেভানো হলেও এখনও অতিমাত্রায় গরম রয়েছে ভবনের ৬ ও ৭ তলা। এছাড়া রয়েছে অক্সিজেনের স্বল্পতাও। এজন্য কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
তবে মালামাল সরানোর কারণে ব্যবসায়ীদের কয়েকজনকে মাস্ক পড়িয়ে ভেতরে ঢোকানো হয়। তারা তাদের মালামাল সরানোর ফলে আগুনের অস্তিত্ব থাকার বিষয়ে জানা যায়। বর্তমানে ভবনের কোথাও আগুন নেই।
আগুন লাগা ভবনের নিচে একজন ফাইটারকে দেখা যায় শরীরে ক্লান্তিভাব নিয়ে বসে থাকতে। তার সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ভবনে এখন কোনও আগুন নেই। তবে হিট হয়ে আছে। রয়েছে অক্সিজেনের স্বল্পতা। এজন্য শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। অক্সিজেন মাস্ক পড়ে কাজ করতে হচ্ছে।
এদিকে ভবনের নিচে আশরাফুল নামের একজন ব্যবসায়ী জানান, ভবনের ৬ তলায় তার ব্যাগের দোকান রয়েছে। আগুনে না পুড়লেও ধোয়ায় সব কালো হয়ে গেছে। ফলে এগুলো আর বিক্রয়যোগ্য নয় বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, তার পাশের গোডাউনটি কেয়া কসমেটিকসের। দু’দিন আগে প্রায় ৭ কোটি টাকার মালামাল তুলেছেন তিনি। আগুনে সব পুড়ে গেছে।
খোরশেদ নামের আরেকজন জানান, ভবনের ৭ তলায় তার এসএম লেদার নামের একটি গোডাউন রয়েছে। একটি কসমেটিকসের দোকান থেকে বিকালে ভবনে আগুন লাগে। এরপর ধীর ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ে অন্য গোডাউনগুলেতে। গভীর রাত সাড়ে ৪টার দিকে তার গোডাউনে আগুন লাগে। গোডাউনে ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকার মালামাল ছিল। যার সবই শেষ।
আগুন লাগার পর তা নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন ফায়ার ফাইটাররা। তাদের সঙ্গে যোগ দেন স্বেচ্ছাসেবকরাও। আগুন নেভাতে গিয়ে তাদের অনেকের চেহারা কালো হয়ে গেছে।
তারা বলছেন, ভবনের ভেতরটি কালো ধোয়ায় আচ্ছন্ন। শ্বাস নিতেও কষ্ট হয়। মাস্ক পড়ে কাজ করতে হচ্ছে। ধোঁয়ায় চেহারা কালো হয়ে গেছে তাদের।
বিষয় : রাজধানী অগ্নিকাণ্ড

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
পুরান ঢাকার চক মোগলটুলী সড়কের মুনসুর খাঁন প্লাজায় লাগা আগুন দীর্ঘ সময় পর নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনও ‘হিট’ বা তাপ রয়েছে। এছাড়া রয়েছে স্বাভাবিক বায়ু স্বল্পতাও। এজন্য কাউকে ভবনে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছেনা বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
সংস্থার ফাইটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগুন নেভানো হলেও এখনও অতিমাত্রায় গরম রয়েছে ভবনের ৬ ও ৭ তলা। এছাড়া রয়েছে অক্সিজেনের স্বল্পতাও। এজন্য কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
তবে মালামাল সরানোর কারণে ব্যবসায়ীদের কয়েকজনকে মাস্ক পড়িয়ে ভেতরে ঢোকানো হয়। তারা তাদের মালামাল সরানোর ফলে আগুনের অস্তিত্ব থাকার বিষয়ে জানা যায়। বর্তমানে ভবনের কোথাও আগুন নেই।
আগুন লাগা ভবনের নিচে একজন ফাইটারকে দেখা যায় শরীরে ক্লান্তিভাব নিয়ে বসে থাকতে। তার সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ভবনে এখন কোনও আগুন নেই। তবে হিট হয়ে আছে। রয়েছে অক্সিজেনের স্বল্পতা। এজন্য শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। অক্সিজেন মাস্ক পড়ে কাজ করতে হচ্ছে।
এদিকে ভবনের নিচে আশরাফুল নামের একজন ব্যবসায়ী জানান, ভবনের ৬ তলায় তার ব্যাগের দোকান রয়েছে। আগুনে না পুড়লেও ধোয়ায় সব কালো হয়ে গেছে। ফলে এগুলো আর বিক্রয়যোগ্য নয় বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, তার পাশের গোডাউনটি কেয়া কসমেটিকসের। দু’দিন আগে প্রায় ৭ কোটি টাকার মালামাল তুলেছেন তিনি। আগুনে সব পুড়ে গেছে।
খোরশেদ নামের আরেকজন জানান, ভবনের ৭ তলায় তার এসএম লেদার নামের একটি গোডাউন রয়েছে। একটি কসমেটিকসের দোকান থেকে বিকালে ভবনে আগুন লাগে। এরপর ধীর ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ে অন্য গোডাউনগুলেতে। গভীর রাত সাড়ে ৪টার দিকে তার গোডাউনে আগুন লাগে। গোডাউনে ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকার মালামাল ছিল। যার সবই শেষ।
আগুন লাগার পর তা নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন ফায়ার ফাইটাররা। তাদের সঙ্গে যোগ দেন স্বেচ্ছাসেবকরাও। আগুন নেভাতে গিয়ে তাদের অনেকের চেহারা কালো হয়ে গেছে।
তারা বলছেন, ভবনের ভেতরটি কালো ধোয়ায় আচ্ছন্ন। শ্বাস নিতেও কষ্ট হয়। মাস্ক পড়ে কাজ করতে হচ্ছে। ধোঁয়ায় চেহারা কালো হয়ে গেছে তাদের।

আপনার মতামত লিখুন