সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। জেলখানায় বসেই হোয়াটসঅ্যাপে নিজের আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলতে পারবেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। নিরাপত্তার কারণে সশরীরে হাজির না করে তাকে ভার্চুয়ালি বিচারকাজে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এবার আইনজীবীর সঙ্গে তার কথোপকথন যেন অন্য কেউ শুনতে না পারেন, সে ব্যবস্থাও রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এসব কথা জানান প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৫তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের জেরা আজ ভার্চুয়ালি হয়েছে।
তামিম বলেন, ট্রাইব্যুনালে আনা-নেওয়ার পথে নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা করছেন জানিয়ে একটি আবেদন দিয়েছেন জিয়াউল আহসান। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা বা কেউ ঘটিয়ে তার ওপর দায় চাপাতে পারে বলে জানানো হয়। ফলে তাকে যেন প্রিজনভ্যানে অন্য আসামিদের সঙ্গে আনা-নেওয়া হয়। নিরাপত্তার আশঙ্কার ব্যাপারে আমরা বলেছি যে, তাকে ট্রাইব্যুনালে না এনে ভার্চুয়ালি হাজির করা যেতে পারে। ট্রাইব্যুনালের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে আজ জিয়াউল আহসানের মামলার কাজ ভার্চুয়ালি করা হয়। এর মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের বড় পর্দায় আমরা তাকে দেখেছি। তিনিও আমাদের দেখতে বা শুনতে পেরেছেন।
জিয়াউলের নতুন আবেদন প্রসঙ্গে এই প্রসিকিউটর বলেন, জিয়াউলের পক্ষে আজ নতুন আরেকটি আবেদন করেছিলেন আইনজীবীরা। অর্থাৎ তিনি ভার্চুয়ালি ট্রাইব্যুনালে হাজিরা দিতে চান না। কারণ হিসেবে বিভিন্ন যুক্তি দেখিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো, মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় নিজের আইনজীবীদের সঙ্গে সিকিউরড কমিউনিকেশন তথা নিরাপদ যোগাযোগ প্রয়োজন। যেখানে তাদের কথা আর কেউ শুনবেন না। লিখিত এ আবেদন মঞ্জুর করেছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে ভার্চুয়াল আদালতেই জিয়াউলের বিচারকার্য চলবে বলে আদেশ দেওয়া হয়। তবে জেলখানায় বসে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। এই কথোপকথন শুধু তাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। আর কেউ শুনতে পারবেন না। যতদিন ট্রাইব্যুনাল মনে করেন, ততদিন এভাবেই মামলার পরবর্তী কার্যক্রম চলবে।
তামিম বলেন, আদেশ দেওয়ার পরও কোনো অসুবিধা হলে জানাতে বলেছেন ট্রাইব্যুনাল। অর্থাৎ আমরা যদি ফের তাকে শারীরিকভাবে আনার প্রয়োজন মনে করি, তাহলে আনতে পারবো। ভার্চুয়ালি নিয়মে আজ তদন্তকারী কর্মকর্তার জেরা শুরু হয়েছে। পুনরায় জেরার জন্য আগামী ২৬ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
জেলখানায় বসেই হোয়াটসঅ্যাপে নিজের আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলতে পারবেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। নিরাপত্তার কারণে সশরীরে হাজির না করে তাকে ভার্চুয়ালি বিচারকাজে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এবার আইনজীবীর সঙ্গে তার কথোপকথন যেন অন্য কেউ শুনতে না পারেন, সে ব্যবস্থাও রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এসব কথা জানান প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৫তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের জেরা আজ ভার্চুয়ালি হয়েছে।
তামিম বলেন, ট্রাইব্যুনালে আনা-নেওয়ার পথে নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা করছেন জানিয়ে একটি আবেদন দিয়েছেন জিয়াউল আহসান। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা বা কেউ ঘটিয়ে তার ওপর দায় চাপাতে পারে বলে জানানো হয়। ফলে তাকে যেন প্রিজনভ্যানে অন্য আসামিদের সঙ্গে আনা-নেওয়া হয়। নিরাপত্তার আশঙ্কার ব্যাপারে আমরা বলেছি যে, তাকে ট্রাইব্যুনালে না এনে ভার্চুয়ালি হাজির করা যেতে পারে। ট্রাইব্যুনালের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে আজ জিয়াউল আহসানের মামলার কাজ ভার্চুয়ালি করা হয়। এর মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের বড় পর্দায় আমরা তাকে দেখেছি। তিনিও আমাদের দেখতে বা শুনতে পেরেছেন।
জিয়াউলের নতুন আবেদন প্রসঙ্গে এই প্রসিকিউটর বলেন, জিয়াউলের পক্ষে আজ নতুন আরেকটি আবেদন করেছিলেন আইনজীবীরা। অর্থাৎ তিনি ভার্চুয়ালি ট্রাইব্যুনালে হাজিরা দিতে চান না। কারণ হিসেবে বিভিন্ন যুক্তি দেখিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো, মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় নিজের আইনজীবীদের সঙ্গে সিকিউরড কমিউনিকেশন তথা নিরাপদ যোগাযোগ প্রয়োজন। যেখানে তাদের কথা আর কেউ শুনবেন না। লিখিত এ আবেদন মঞ্জুর করেছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে ভার্চুয়াল আদালতেই জিয়াউলের বিচারকার্য চলবে বলে আদেশ দেওয়া হয়। তবে জেলখানায় বসে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। এই কথোপকথন শুধু তাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। আর কেউ শুনতে পারবেন না। যতদিন ট্রাইব্যুনাল মনে করেন, ততদিন এভাবেই মামলার পরবর্তী কার্যক্রম চলবে।
তামিম বলেন, আদেশ দেওয়ার পরও কোনো অসুবিধা হলে জানাতে বলেছেন ট্রাইব্যুনাল। অর্থাৎ আমরা যদি ফের তাকে শারীরিকভাবে আনার প্রয়োজন মনে করি, তাহলে আনতে পারবো। ভার্চুয়ালি নিয়মে আজ তদন্তকারী কর্মকর্তার জেরা শুরু হয়েছে। পুনরায় জেরার জন্য আগামী ২৬ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

আপনার মতামত লিখুন