সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। কুমিল্লার হোমনা উপজেলার চান্দেরচর ইউনিয়নের কানাই সাহা ঘাটসংলগ্ন তিতাস নদীর পাড়ে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি পাকা ঘাট চার বছর ধরে অব্যবহৃত পড়ে আছে। মূল সড়কের সঙ্গে সংযোগ না থাকায় ঘাটটি কোনো কাজে আসছে না স্থানীয়দের। এতে সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত স্থাপনাটি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চার বছর আগে তিতাস নদীর তীরে ঘাটটি নির্মাণ করা হয়। রামকৃষ্ণপুর রাম কানাই রায়ের বাড়ির দুর্গাপূজার মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন এবং স্থানীয়দের গোসল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজের সুবিধার্থে এটি তৈরি করা হয়েছিল। তবে মূল সড়ক থেকে প্রায় ১৫ ফুট দূরে ঘাটটি নির্মাণ করায় সড়কের সঙ্গে এর কোনো সংযোগ তৈরি হয়নি। ফলে সিঁড়ি দিয়ে ঘাটে নামতে পারছেন না স্থানীয়রা।
চান্দেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হক বলেন, স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক থেকে কিছুটা দূরে ঘাটটি নির্মাণ করা হয়েছিল। প্রতিমা ওঠানো-নামানোর সময় পর্যাপ্ত জায়গা রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মাঝের ফাঁকা অংশ স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে মাটি দিয়ে ভরাট করে নেবেন—এমন কথা ছিল। কিন্তু পরে তাঁরা আর মাটি ভরাট করেননি।
তবে এ বিষয়ে ভিন্নমত জানিয়েছেন মণ্ডপ কমিটির এক দায়িত্বশীল ব্যক্তি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, প্রকৌশলীদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘাটটি নির্মাণ করা হয়নি। এর সিঁড়িও অনেক খাড়া হয়ে গেছে। সড়কের সঙ্গে ঘাটের সংযোগ তৈরির জন্য মাটি ভরাটের বরাদ্দ চেয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হলেও তা পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হোমনা উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোতাহার হোসেন বলেন, তিনি সম্প্রতি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। বিস্তারিত তথ্য না জেনে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারছেন না।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লার হোমনা উপজেলার চান্দেরচর ইউনিয়নের কানাই সাহা ঘাটসংলগ্ন তিতাস নদীর পাড়ে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি পাকা ঘাট চার বছর ধরে অব্যবহৃত পড়ে আছে। মূল সড়কের সঙ্গে সংযোগ না থাকায় ঘাটটি কোনো কাজে আসছে না স্থানীয়দের। এতে সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত স্থাপনাটি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চার বছর আগে তিতাস নদীর তীরে ঘাটটি নির্মাণ করা হয়। রামকৃষ্ণপুর রাম কানাই রায়ের বাড়ির দুর্গাপূজার মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন এবং স্থানীয়দের গোসল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজের সুবিধার্থে এটি তৈরি করা হয়েছিল। তবে মূল সড়ক থেকে প্রায় ১৫ ফুট দূরে ঘাটটি নির্মাণ করায় সড়কের সঙ্গে এর কোনো সংযোগ তৈরি হয়নি। ফলে সিঁড়ি দিয়ে ঘাটে নামতে পারছেন না স্থানীয়রা।
চান্দেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হক বলেন, স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক থেকে কিছুটা দূরে ঘাটটি নির্মাণ করা হয়েছিল। প্রতিমা ওঠানো-নামানোর সময় পর্যাপ্ত জায়গা রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মাঝের ফাঁকা অংশ স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে মাটি দিয়ে ভরাট করে নেবেন—এমন কথা ছিল। কিন্তু পরে তাঁরা আর মাটি ভরাট করেননি।
তবে এ বিষয়ে ভিন্নমত জানিয়েছেন মণ্ডপ কমিটির এক দায়িত্বশীল ব্যক্তি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, প্রকৌশলীদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘাটটি নির্মাণ করা হয়নি। এর সিঁড়িও অনেক খাড়া হয়ে গেছে। সড়কের সঙ্গে ঘাটের সংযোগ তৈরির জন্য মাটি ভরাটের বরাদ্দ চেয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হলেও তা পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হোমনা উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোতাহার হোসেন বলেন, তিনি সম্প্রতি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। বিস্তারিত তথ্য না জেনে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারছেন না।

আপনার মতামত লিখুন