সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বৃহস্পতিবার ভোররাতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই ক্রেমলিন থেকে জানানো হয়েছিল, আগামী মাসে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে মস্কো।
বৃহস্পতিবার মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠকে পুতিন জানিয়েছেন, তিনি ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১০ নভেম্বরের পর পুনরায় শান্তি আলোচনা করতে রাজি। তবে এই নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের পরপরই বৃহস্পতিবার ভোররাতে ইউক্রেনে ২১টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ২১০টি ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ সমাপ্তির খুবই কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের ঠিক তিন মিনিট আগে কিয়েভে প্রথম বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় দুজন নিহত এবং ৩৪ জন আহত হয়েছেন। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কিয়েভে ক্লাস্টার ওয়ারহেড দিয়েও হামলা চালানো হয়েছে।
এদিকে, পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের এক দিন আগে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, ফিনল্যান্ড ও নরওয়ের নেতাদের পাশাপাশি ইউরোপীয় ও ন্যাটোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেন উইটকফ। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য, সেখানে ইউক্রেন নতুন কিছু প্রস্তাব দিয়েছে। আলোচনায় যুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং ইউরোপের বৃহত্তর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে কথা হয়েছে। তবে আলোচনার ফল নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নয় মস্কো। ক্রেমলিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ বলেন, আলোচনায় উঠে আসা কিছু বিষয় রাশিয়ার প্রত্যাশা পূরণ করেনি।
অন্যদিকে, ইউক্রেনকে দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প। মঙ্গলবার তিনি বলেন, ইউক্রেনকে যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, অন্যথায় দেশটির জন্য ‘খুব খারাপ কিছু’ অপেক্ষা করতে পারে। জেলেনস্কি অবশ্য পুতিন ও ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে চান। তবে ক্রেমলিনের বক্তব্য, পুতিন ও জেলেনস্কির যেকোনো বৈঠক কার্যকর করতে হলে আগে থেকেই বিস্তারিত প্রস্তুতি নিতে হবে।
সূত্র: বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান, সিএনএন।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বৃহস্পতিবার ভোররাতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই ক্রেমলিন থেকে জানানো হয়েছিল, আগামী মাসে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে মস্কো।
বৃহস্পতিবার মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠকে পুতিন জানিয়েছেন, তিনি ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১০ নভেম্বরের পর পুনরায় শান্তি আলোচনা করতে রাজি। তবে এই নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের পরপরই বৃহস্পতিবার ভোররাতে ইউক্রেনে ২১টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ২১০টি ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ সমাপ্তির খুবই কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের ঠিক তিন মিনিট আগে কিয়েভে প্রথম বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় দুজন নিহত এবং ৩৪ জন আহত হয়েছেন। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কিয়েভে ক্লাস্টার ওয়ারহেড দিয়েও হামলা চালানো হয়েছে।
এদিকে, পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের এক দিন আগে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, ফিনল্যান্ড ও নরওয়ের নেতাদের পাশাপাশি ইউরোপীয় ও ন্যাটোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেন উইটকফ। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য, সেখানে ইউক্রেন নতুন কিছু প্রস্তাব দিয়েছে। আলোচনায় যুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং ইউরোপের বৃহত্তর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে কথা হয়েছে। তবে আলোচনার ফল নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নয় মস্কো। ক্রেমলিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ বলেন, আলোচনায় উঠে আসা কিছু বিষয় রাশিয়ার প্রত্যাশা পূরণ করেনি।
অন্যদিকে, ইউক্রেনকে দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প। মঙ্গলবার তিনি বলেন, ইউক্রেনকে যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, অন্যথায় দেশটির জন্য ‘খুব খারাপ কিছু’ অপেক্ষা করতে পারে। জেলেনস্কি অবশ্য পুতিন ও ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে চান। তবে ক্রেমলিনের বক্তব্য, পুতিন ও জেলেনস্কির যেকোনো বৈঠক কার্যকর করতে হলে আগে থেকেই বিস্তারিত প্রস্তুতি নিতে হবে।
সূত্র: বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান, সিএনএন।

আপনার মতামত লিখুন